a যেসব কারণে বজ্রপাত বাড়ছে, ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞরা
ঢাকা মঙ্গলবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

যেসব কারণে বজ্রপাত বাড়ছে, ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞরা


আবহাওয়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ১০:০৪
যেসব কারণে বজ্রপাত বাড়ছে, ব্যাখ্যা দিলেন বিশেষজ্ঞরা

সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত পরিবর্তনে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্যনীয়। বিশেষ করে জলবায়ুগত পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন— বন্যা, খরা, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি, নদী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, বজ্রপাত ইত্যাদির প্রবণতা তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কিছু দিন ধরে বজ্রপাতে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অতীতের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি জলবায়ুগত এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানের পরিবর্তনের ফলে ঘটে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ ও পরিবেশবিদদের মতে, এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে দূষণ। গাছ কেটে বহুতল নির্মাণ, গাড়ির ধোঁয়া, কলকারখানার ধোঁয়া, যেখানে সেখানে বছর ধরে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে অত্যধিক মাত্রায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। সেই তুলনায় গাছ লাগানো হচ্ছে না। মাত্রাতিরিক্ত দূষণের কারণে বাতাসে গরম ধূলিকণা বাড়ছে, যা বজ্রপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে। 

এদিকে বাতাসের উপরের পরিমণ্ডলে বর্ষার আগে পরে মে-জুন মাস নাগাদ প্রচুর জলীয় বাষ্প থেকে যাচ্ছে। যখনই উষ্ণ বায়ু উপর দিকে ওঠার চেষ্টা করছে, তখনই অন্যান্য বায়ু ও জলীয়কণার সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে বিদ্যুৎ তৈরি হচ্ছে। ফলে একেকটা জলীয় কণা ব্যাটারির মতো কাজ করছে অর্থাৎ বাজ পড়ছে।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানাচ্ছেন, সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে বজ্রপাত ও বৃষ্টি হয়। সেই কারণে এই মেঘকে বজ্রগর্ভ মেঘও বলা হয়ে থাকে। গত কয়েক বছর ধরে এপ্রিল-জুন মাসে এই বজ্রগর্ভ মেঘের পরিমাণ বেড়েছে। তার একটা অন্যতম কারণ যেমন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি, তেমনই আর একট কারণ, তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া। আর এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকে দূষণ। দূষণের মাত্রা যত বাড়ছে, গড় তাপমাত্রা তত বাড়ছে। 

ফলে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। তাছাড়া একটা ঘূর্ণিঝড় চলে যাওয়ার পর বাতাসে প্রচুর জলীয় বাষ্প থেকে যায়। সব মিলিয়ে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হওয়ার কারণে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হচ্ছে।
 
বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আমাদের করণীয়:
বজ্রপাতের সময় করণীয় সম্পর্কে প্রতিটি মানুষের উপস্থিত জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যারা ঘরের বাইরে ক্ষেতখামারে কাজ করে তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। যেহেতু মেঘের নিম্নদেশের ঋণাত্মক চার্জ এবং পৃথিবীর ধনাত্মক চার্জের স্পার্কিংয়ের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি হয় এবং এই ক্ষেত্রের মধ্যে যা কিছু পড়ে তা অতিরিক্ত তাপের কারণে পুড়ে যায়। 

সেহেতু উঁচু স্থান অর্থাৎ উঁচু গাছ, ইলেকট্রিক পোল, মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি এরূপ বস্তুর সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে। কেননা যে স্থান বা বস্তু যত উঁচু সে স্থান মেঘের তত সন্নিকটে থাকায় বজ্রপাতের সম্ভাবনা তত বেশি হয়ে থাকে। 

দুর্যোগ আবহাওয়ায় বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু স্থানে অবস্থান করলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে যেতে হবে। মৌসুমে ঘনকালো (ঝড়মেঘ) মেঘ দেখলেই সাবধান হতে হবে এবং বৃষ্টি শুরুর আগে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে। 

পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া বেশি নিরাপদ। তবে পাকাবাড়ি সুউচ্চ হলে সেক্ষেত্রে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা থাকতে হবে। বজ্রপাতের সময় জানালার কাছে না থাকাই ভালো। পায়ে রাবারের স্যান্ডেল পরে থাকা এবং পানি ও যে কোনো ধাতববস্তুর যেমন সিঁড়ির বা বারান্দার রেলিং, পানির কল ইত্যাদির স্পর্শ থেকে বিরত থাকা নিরাপদ। বিদ্যুৎ পরিবাহী যে কোনো বস্তুর স্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে। পুকুর বা জলাশয়ে থাকা নিরাপদ নয়। 

বজ্রপাতে বাড়ির ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র যেগুলো ইলেকট্রিক সংযোগ বা ডিসের সংযোগ থাকে সেগুলো বিচ্ছিন্ন করা ভালো। নতুবা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ছাড়া এগুলো বন্ধ থাকলেও স্পর্শ থেকে বিরত থাকতে হবে। 

মাঠের মধ্যে ফাঁকা জায়গায় থাকলে যদি বজ্রপাত হওয়ার অবস্থা তৈরি হয় তাহলে কানে আঙ্গুল দিয়ে চোখ বন্ধ করে নিচু হয়ে বসে থাকতে হবে। তবে মাটিতে শোয়া পড়া যাবে না, কেননা মটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

গাড়িতে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতের পরিস্থিতি তৈরি হলে গাড়ির মধ্যে থাকায় নিরাপদ। তবে মনে রাখতে হবে গাড়ির ধাতব কোনো অংশের সংস্পর্শ থেকে বিরত থাকতে হবে।

টিনের বাড়ির চেয়ে ছনের বাড়ি এমনকি কংক্রিটের দালান বাড়ি বেশি নিরাপদ। তবে সব বাড়িকে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শক্রমে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা লাগাতে হবে। যেসব বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ রয়েছে সেগুলোর সংযোগের সময় আর্থিং ব্যবস্থা সঠিকভাবে স্থাপন করতে হবে।

তাল জাতীয় সুউচ্চ প্রজাতির গাছ প্রচুর পরিমাণে মাঠের মধ্যে লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে। বজ্রপাতে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা বৈদ্যুতিক শকে আহত ব্যক্তিদের মতো চিকিৎসা দিতে হবে। শরীর থেকে দ্রুত বৈদ্যুতিক চার্জ অপসারণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে। বজ্রপাতে আহত ব্যক্তির অস্বাভাবিক আচরণে বিচলিত না হয়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

৫ দিন ছুটির পর কাল খুলছে অফিস


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৩, ০১:৫২
৫ দিন ছুটির পর কাল খুলছে অফিস

ফাইল ছবি

ঈদ উপলক্ষে গত ১৯ এপ্রিল থেকে ছুটি কাটাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের সেই ছুটি শেষ হচ্ছে আজ রবিবার (২৩ এপ্রিল)। ফলে টানা পাঁচদিনের ছুটি শেষে আগামীকাল সোমবার খুলছে  সরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এদিন রমজানের আগের সময়সূচি ধরে অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে অফিস।

এবার শবে কদরের ছুটির পর ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগে গত ২০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা ছিল। ঈদুল ফিতরের ছুটির সঙ্গে ওইদিন (২০ এপ্রিল) বাড়তি একদিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

মূলত: দূর-দূরান্তে থাকা প্রিয়জনদের সঙ্গে যারা ঈদ উদযাপন করতে যাবেন তাদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে একদিন বাড়তি ছুটির মাধ্যমে টানা পাঁচদিনের ছুটির ব্যবস্থা করেছিল সরকার।
প্রতি বছরই রমজান মানে অফিস সূচিতে পরিবর্তন আনে সরকার। অন্যান্য বছরের মতো এবারও রমজান মাসে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস করেছেন। সোমবার থেকে রমজানের আগের সূচিতে অফিস আদালত চলবে। অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস চলবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

হানিফ বলছেন বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০৪ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:৩৩
বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, অগণতান্ত্রিক পন্থায় যাদের সৃষ্টি, তাদের মুখে এখন গণতন্ত্রের কথা বলতে বলতে ফেনা উঠে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানানসই না।

তিনি বলেন, যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন কোনো গণতন্ত্র মেনেছেন আপনারা? বরং শেখ হাসিনাকে হত্যা করে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা করেছেন। আপনাদের কাছে জানতে চাই, এটা গণতন্ত্রের কোনো সঙ্গার মধ্যে পড়ে?

হানিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে যাচ্ছে। দেশের মানুষ ভালো থাক আপনারা কি তা চান না? এই দেশ তো আপনাদেরও। আপনারা উন্নয়ন করতে পারেননি, আমরা করছি ধ্বংসাত্মক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে আপনাদেরও এই উন্নয়নের ধারায় শামিল হওয়া উচিত।

রোববার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিশ্বশান্তি ও মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন শক্তি ও নম্রতা সমন্বয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বিএনপি দলের প্রধান রাজনৈতিক নেতার পরিবর্তন করে নতুন যোগ্য নেতা আনা এবং আন্দোলন করলে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে আন্দোলন শিখে তারপর আন্দোলন করার জন্য বিএনপিকে আহ্বান জানান।

আয়োজনে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বহু ত্যাগ স্বীকার করেছেন বঙ্গবন্ধু। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশেছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাঙালি জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি বারবার কারাবরণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু যেমন কোমল মনের মানুষ ছিলেন তেমনি ছিলেন দৃঢ়চেতা। আর তার মনোবল সবসময়ই ছিল অটুট।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফনিন্দ্র সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, দৈনিক জাগরণের সম্পাদক আবেদ খান, নিউজটোয়েন্টিফোর চ্যানেলের হেড অব নিউজ রাহুল রাহা, ব্যরিস্টার তৌফিকুর রহমান প্রমুখ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়