শেখ হাসিনা ৭১টি গোলাপের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোদিকে
ফাইল ছবি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে ৭১টি লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গোলাপ ফুলের তোড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠায় নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। ঢাকায় প্রাপ্ত খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
জন্মদিনে মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দসহ বিজেপি নেতারা। এছাড়া তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীও।
১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদি ভারতের গুজরাট রাজ্যের ভাডনগর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২২ মে পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ২৬ মে থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
১ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে ৬ দিনে
ফাইল ছবি
আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাদান কর্মসূচি। এদিন থেকে শুরু করে পরবর্তী ছয়দিনে এক কোটি মানুষকে এ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। আজ রবিবার (১ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় জানায়, আগামী ৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়জুড়ে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তবে ঢাকার সব জেলাসহ রাজধানীতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ টিকা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামীকাল (সোমবার)।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, যাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা বাকি আছে টিকাদান ক্যাম্পেইন চলাকালে এসএমএস না এলেও তারা দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে পারবেন। এছাড়াও বয়ষ্কদের টিকা নিতে নিবন্ধন লাগবে না।
উল্লেখ্য, দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি কোভিশিল্ড দিয়ে এ কর্মসূচি শুরু হলেও ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় পরে এ টিকার সংকট পড়ে দেশে। সেই থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত এ টিকার প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ মানুষ। সূত্র: ইত্তেফাক
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
দুর্ঘটনা রোধে গাড়ী চালকদের দক্ষতা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে: সেলিম রেজা বাবু
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের আয়োজিত "ট্রাফিক সাইন, ট্রাফিক আইন, লেন পরিবর্তন, হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার ও সড়ক দূর্ঘটনা রোধে পেশাগত গাড়ী চালকদের নিয়ে প্রাথমিক কর্মশালা" য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জননেতা জনাব আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক "দুর্ঘটনা রোধ করা ও সুষ্ঠু যান চলাচলে গাড়ী চালকদের ভূমিকা সবচেয়ে বড়" বলে মন্তব্য করেন।
আজ ১ নভেম্বর ২০২৫ বিকেলে রাজধানী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে শাহীন হোসেন মোল্লাহ মাস্টার ট্রেইনার BRTC SEIP প্রকল্প ও ইনস্ট্রাক্টর BRTA এর কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দল। প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সেলিম রেজা বাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিপন বকাউল এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্ণেল এস এম ফয়সাল (অব.), সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের সর্বস্তরের নেতা কর্মীরা।
ট্রাফিক সাইন, ট্রাফিক আইন, লেন পরিবর্তন, হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার ও সড়ক দূর্ঘটনা রোধে পেশাগত গাড়ী চালকদের নিয়ে প্রাথমিক কর্মশালা" য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জননেতা জনাব আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক প্রথমে এই ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, ড্রাইভারদেরকে সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে। মালিকদের জীবনের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ড্রাইভার শ্রেণীর কাছেই রয়েছে। তাই তাদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং রিফ্রেশমেন্ট এর প্রয়োজন। আমি চাই আপনারা আরো দক্ষ হন এবং দেশের সেবায় নিয়োজিত হন। এছাড়া BRTA এর পরিচালক ও কর্মকর্তার যেকোনো সহযোগিতার জন্য তিনি সবসময় সাথে থাকবেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে আমি এই বিষয়টি জানাবো। আশা করি আমাদের দল আপনাদের সাথেই থাকবো।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্ণেল এস এম ফয়সাল (অব.) বলেন, তিনটি বিষয়ই (ট্রাফিক আইন, ট্রাফিক সাইন, লেন পরিবর্তন) গাড়ি চালনার সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না৷ গতি সীমা (Speed Limit) মেনে চলতে হবে। সিগন্যাল (লাল, হলুদ, সবুজ) মেনে চলা বাধ্যতামূলক। সকল গাড়ি চালকদের তিনি আহ্বান করেন সুস্থ এবং স্বাভাবিক মস্তিষ্কে গাড়ি চালানোর জন্য। তাহলে অনেক জীবন বেঁচে যাবে।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সেলিম রেজা বাবুর তার বক্তব্যে বলেন, এমন একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারে আমরা সত্যি আনন্দিত। ঐক্য এবং সততা নিয়ে আপনাদের সাথে নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ট্রাফিক আইন হলো এমন কিছু নিয়ম ও বিধি যা রাস্তায় নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে। যার মূল উদ্দেশ্য দুর্ঘটনা রোধ করা এবং সুষ্ঠু যান চলাচল বজায় রাখা। চালকদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মাতাল অবস্থায় বা ফোনে কথা বলে গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। আপনারা সবসময় এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। গাড়ি চালানোর সময় পথচারী এবং সিট বেল্ট বেঁধে গাড়ি চালাবেন। আশা করছি আপনারা সবাই আমাদের সংগঠনের সাথেই থাকবেন।
মাস্টার ট্রেইনার BRTC SEIP প্রকল্প ও ইনস্ট্রাক্টর BRTA কর্মশালায় যে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো আসে সেগুলো হল, তিনটি বিষয় (ট্রাফিক আইন, ট্রাফিক সাইন, লেন পরিবর্তন) গাড়ি চালনার সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সড়ক দূর্ঘটনা হ্রাসকল্পে গাড়িচালক (ড্রাইভারদের) বর্জনীয় ঃ ** বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাবেন না। * একটি হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাবেন না-কারণ অপরদিক থেকে আগত গাড়ি আপনার মোটর সাইকেল মনে করতে পারে এতে মারাত্মক দূর্ঘটনার সম্ভবনা থাকে। * ত্রুটিপূর্ণ হেড লাইট, ব্যাক লাইট, ব্রেক লাইট? ইন্ডিকেটর লাইট ইত্যাদি জ্বালিয়ে গাড়ি চালাবেন না। * রাত্রিকালে সামনের দিক হতে গাড়ি আসলে হাই বীম বাতি জ্বালিয়ে গাড়ি চালাবেন না। * নৈশ-কোচের চালকগণ মাঝপথে যাত্রী * নির্ধারিত গতি সীমার বাইরে গাড়ি চালাবেন না। * ওভারটেকিং নিষিদ্ধ রাস্তার বাঁকে, সরু ব্রীজ ওভারটেক করবেন না। * গাদিতে অতিরিক্ত যাত্রী * মদকদ্রব্য সেবন করে গাড়ি চালাবেন না। * পথচারী ও ক্ষুদ্র যানবাহনের প্রতি তুলবেন না ।
মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook