a
ফাইল ছবি
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭১তম জন্মদিন উপলক্ষে ৭১টি লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গোলাপ ফুলের তোড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠায় নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। ঢাকায় প্রাপ্ত খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করে।
জন্মদিনে মোদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দসহ বিজেপি নেতারা। এছাড়া তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধীও।
১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদি ভারতের গুজরাট রাজ্যের ভাডনগর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২২ মে পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ২৬ মে থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ছবি সংগৃহীত: উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ
নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমি এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ ২০ ডিসেম্বর, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান। তাঁর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনুস। আজ বাদ এশা ধানমন্ডিতে প্রথম ও আগামীকাল হাইকোর্টে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এ এফ হাসান আরিফের এসোসিয়েটস আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান গণমাধ্যমকে জানান, হাসান আরিফ স্যার অসুস্থতাবোধ করলে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি ইন্তেকাল করেছেন।
এছাড়াও উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছেলে মুয়াজ আরিফ বলেন, বিকেল ৩টার দিকে বাবা বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মেঝেতে পড়ে গেলে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি মারা গেছেন বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।
গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন এ এফ হাসান আরিফ। একই দিনে ৯টা ২০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস শপথ গ্রহণ করেন।
এ এফ হাসান আরিফ ২০০১ থেকে ২০০৫ সালের ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এ এফ হাসান আরিফ ১৯৪১ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর স্নাতক এবং এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা হাইকোর্টে ১৯৬৭ সালে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশে হাইকোর্টে কাজ শুরু করেন।
ফাইল ছবি
ভারতের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের তীব্র সংকট চলছে। অক্সিজেন না পেয়ে অনেকে হাসপাতালে কোভিড রোগী মারা যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় #wecan’tbreathe আন্দোলনে ছড়িয়ে পড়ছে। এসব আন্দোলনে সামিল হয়েছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূলের সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান।
বৃহস্পতিবার টুইটারে এক একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে অক্সিজেনের অভাবে করোনা রোগী ও তাদের আত্মীয় স্বজনদের কষ্ট ও দুর্দশার কথা বলেছেন। ভিডিওটি দেখে নুসরাত নিজেও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি বলে জানান।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অক্সিজেনের অভাবে ছুটে বেড়াচ্ছেন করোনা রোগীর আত্মীয়-স্বজন। কারো বাবা হাসপাতালের বিছানা থেকে লড়ছেন, আবার কারো মা, ভাই-বোন। সবাই নিঃশ্বাস নিতে চাইছেন। কিন্তু অক্সিজেন না থাকার কারণে পারছেন না।
এসব পরিস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই দায়ী করেছেন অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।
তিনি লেখেন, আজ আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণে নিঃশাস নিতে পারছি না। তার দেশের মানুষ যখন নিঃশ্বাস নেয়ার জন্য কাতরাচ্ছেন, তখন তিনি দেশের বাইরে অক্সিজেন রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মোদিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বড় বড় অক্ষরে তিনি লিখেছেন, ‘এটা অপরাধ’।
অন্য আরেক টুইট বার্তায় নুসরাত আরও লিখেছেন, অক্সিজেনের এই তীব্র ঘাটতির জন্য দায়ী কে? দেশের জন্য সঠিক মজুত না রেখে ৬৫ শতাংশ টিকা কেন রফতানি করা হলো? পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ মোতাবেক দেশের মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকা দেয়াও সম্ভব বলে তিনি জানান।