a সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে অনলাইন ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা রবিবার, ২ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে অনলাইন ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৪০
সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে অনলাইন ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমণের কারণে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছে না সরকার। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে অনলাইন ক্লাস হতে পারে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি এমন হয় যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, ক্লাস চালু রাখা সম্ভব নয়, তখন অনলাইন ক্লাসে যেতে হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

করোনা মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হয়। তবে স্কুলগুলোতে আগের মতো নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়নি। এখনো সীমিত পরিসরে ক্লাস চলছে। এর মধ্যে গত মাসের শেষ দিক থেকে দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। করোনার নতুন ধরন অমিক্রন বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছ। মাসখানেকের ব্যবধানে দেশে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ-ছয় গুণের বেশি হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৬ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির এই প্রবণতা অশুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

তবে এর মধ্যেই জনজীবনকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা থাকবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই করোনা–সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ০৭ জানুয়ারী, ২০২২, ১০:৪৭
আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন

ফাইল ছবি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ৩ বছর পূর্তি ও চতুর্থ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ভাষণের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলাদেশ বেতার, টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও একযোগে সম্প্রচার করবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ঐ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওয়ামী লীগ। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি শপথ নেওয়ার মাধ্যমে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করার রেকর্ড গড়ে দলটি।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে গত ৩ বছরে সরকারের নানা অর্জন তুলে ধরে ভবিষ্যতে সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের বিষয়ে দিক-নির্দেশনা আসতে পারে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন মোকাবিলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা থাকতে পারে প্রধানমন্ত্রীর আজকের ভাষণে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি


আরাফাত আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ০৬ মে, ২০২৫, ০৬:১৫
অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি

ছবি সংগৃহীত

অনেক ভালো ফলাফলের পরও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কেন শিক্ষকতা করিনি যেখান থেকে আমি অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারতাম, এই ধরনের মন্তব্য অনেকেরই। কেন আমি কানাডায় চলে এসেছি তার অনেক কারণ রয়েছে। একটি উন্নত দেশে আসার জন্য সবারই স্বপ্ন থাকে। প্রায় প্রত্যেকটি বাবা-মা ই চান সন্তানকে বিদেশে পাঠাতে সেটা উচ্চশিক্ষার জন্যেই হোক বা চাকরি র কারণেই হোক অথবা সুন্দর এবং নিরাপদ একটি দেশে বসবাস করার জন্যে ই হোক। আর কানাডার মত একটি সশৃংখল নিরাপদ দেশে আসা তো প্রায় সবারই স্বপ্ন থাকে। আমিও সেই স্বপ্নের বহির্ভূত নই। তারপরও শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থেকে বাংলাদেশকে আরো অনেক কিছুই দেওয়ার ইচ্ছে ছিল। তবে আমার ১২ বছরের শিক্ষকতার জীবনে অনেক ছাত্র গড়েছি। আলহামদুলিল্লাহ। আমার সর্বশেষ পোস্টটিতে অনেকের মতোই খন্দকার মোস্তফা কামাল আমাকে একটি কমেন্ট করেছিলেন তার রিপ্লাই দিতে গিয়ে রিপ্লাই টা এত বড় হয় যে রিপ্লাই হিসেবে সেটিকে পোস্ট করতে পারছিলাম না। ৮০০ অক্ষরের বেশি হলে রিপ্লাই ফেইল্ড হয় তাই এখানে পোস্ট করলাম যাতে অন্যান্যরাও যারা ভাবেন আমি  শিক্ষকতা করে বাংলাদেশে আরো অবদান রাখতে পারতাম, কেন আমি কানাডায় চলে এসেছি? তাদের কৌতুহল মেটাতে আমার রিপ্লাই থেকে জেনে নিতে পারেন।

Khondker Mostafa Kamal আপনি বেশি বলে ফেলেননি তবে অনেক কিছু না জেনে আপনার মত করে আপনি বলে গেছেন, আপনার না জানারই কথা কারণ এগুলো আমার না বলা কিছু কথা, যার কারণে আপনার পক্ষে সবকিছু জানা সম্ভবও নয়। আসলে আমি সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে কর্মরত অবস্থায় যখন এমফিল করছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মনোবিজ্ঞান বিভাগে তখন পরপর দুবার বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির জন্য এপ্লাই করেছি। (সঙ্গত কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের পদে আবেদনের জন্য যে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন তা আমার ছিল। আমি এসএসসিতে স্টার মার্কস প্রাপ্ত এবং উচ্চমাধ্যমিকে মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থান এবং সম্মিলিত মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করেছিলাম। অনার্স, মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাসসহ প্রথম স্থান অধিকার করেছি এবং এমফিল করেছি। আমার কিছু পাবলিকেশনও ছিল। ঐ সময়ে আমার চেয়েও কম যোগ্যতার মানুষকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল, যেহেতু তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং রাজনৈতিক দলের বড় বড় ব্যক্তিত্বদের সাহায্য নিয়েছিল। আমার শ্বশুর এবং শাশুড়ি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। আমার শাশুড়ি ডক্টর সুলতানা বানু আমারই বিভাগের চেয়ারম্যান পদে নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু নীতিগত কারণে আমরা কোন রাজনৈতিক দলের সাহায্য নেইনি। আমাদের সময়ে দলীয় সাহায্য ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা সম্ভব ছিল না। এরপর আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করি এবং একইভাবে বঞ্চিত হই। এর দু বছর পর একটি সুনামধন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এ এপ্লাই করি, সেখানেও একই অবস্থা। ওই সময়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের (আমি সঙ্গত কারণেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ভাইয়ের ছেলে আমার সঙ্গে একজন ক্যান্ডিডেট ছিলেন। আমার  ইন্টারভিউতে সিলেকশনের পর ডেমোনস্ট্রেশনও হয়ে গিয়েছিল। ডেমোনস্ট্রেশনের পর সিদ্ধান্ত হলো আমি এক সপ্তাহের ভেতরেই জয়েন করছি। আমার বেতন কত হবে, আমার ক'টা থেকে ক'টা পর্যন্ত সপ্তাহে কতদিন ক্লাস নিতে হবে, চিটাগংয়ের ব্রাঞ্চে জয়েন করলে দ্বিগুণ বেতন পাবো, আরো অনেক সুবিধা পাবো ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনাও হয়েছিল। তারপর এক সপ্তাহ, দু' সপ্তাহ হয়ে গেল জয়েনিং লেটার আসছিল না। খোঁজ নিয়ে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেল সিলেকশনের পুরো প্রক্রিয়াটাই বাতিল করে দেয়া হয়েছে। কারণ ওই চেয়ারম্যান দেশের বাইরে ছিলেন এবং তিনি দেশে ফিরে জানলেন তার ভাইয়ের ছেলেকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সে কারণে তিনি এই কাজটি করেছিলেন। 

এখানে আরেকটি কথা বলি, প্রথমবার যে বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করেছিলাম সেখানে  আমার বদলে যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল তাদের ব্রেক অফ স্টাডি ছিল এবং শিক্ষক হিসেবে তারা অনেক দুর্নাম কুড়িয়েছে। যে ছেলেটিকে নেওয়া হয়েছিল (আমি এখানে নাম উল্লেখ করছি না) তার বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির কেস হয়েছিল কোন এক ছাত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জন্য। আর যে মেয়েটিকে নেয়া হয়েছিল সে আমারই সহপাঠী ছিল তার বিরুদ্ধেও ছাত্রী নির্যাতনের অনেক দুর্নাম রয়েছে। প্রশাসনিকভাবে তাকে চার্জশিট করা হয়েছিল কারণ সে একজন ছাত্রীকে সময় মত এসাইনমেন্ট জমা দেয়নি বলে মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণাগারে তালা বন্দী করে রেখেছিল। এই ধরনের শিক্ষককে  নিয়োগ দেয়া হয়েছিল অথচ আমি মেধার দিক থেকেও তাদের চেয়ে যথেষ্ট যোগ্য ছিলাম এবং সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ থেকে আমি শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সম্মান অর্জন করেছিলাম। এখনো ছাত্রীরা আমাকে ভালোবাসে এবং আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

এবার বলুন যে দেশ মেধার মর্যাদা দেয় না, সম্মানী দেয় না সে দেশের কাছে কি আশা করতে পারি? কানাডায় বিদেশি কোম্পানি গুলোকে আমার মেধা এবং শ্রম দিয়েছি এবং তারা আমাকে সম্মানিত করেছে। হয়তো এখানকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হইনি। এর পেছনেও কারণ ছিল আমার হাজবেন্ডের ব্রেইন স্ট্রোক এবং আমার সন্তান অনেক ছোট ছিল যার জন্য আমি পড়াশোনা শুরু করেও ছয় মাস পর অনেক ভালো রেজাল্ট করা সত্ত্বেও স্থগিত করতে হয়েছিল এবং সংসারের পুরো দায়িত্বটা আমাকেই নিতে তে হয়েছিল। যার কারনে আমি ছোট ছোট কিছু কোর্স করে নিয়েছিলাম এবং সেই অনুযায়ী চাকরি করেছি, শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা হলো না। কিন্তু আমি যে চাকরিগুলো করেছি সেগুলো অনেক সম্মানের সাথেই করেছি এবং আর্থিকভাবে ও সফল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এই দেশ যে কোনো শ্রমের মূল্য দেয়, সম্মান করে। আর শিক্ষকতার সঙ্গে একদমই যে নেই তা কিন্তু না। কানাডাতে আমি ডে কেআর এ শিক্ষকতা করেছি, এবং বর্তমানে এখানকার new Immigrants এর মধ্যে যারা ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না এবং কমিউনিকেশন করতে পারেনা তাদের ইংলিশ  ও লিশকমিউনিকেশন স্কিল টিচার হিসেবে কাজ করছি।
 এবার নিশ্চয়ই আপনাদের কাছে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়েছে। 


ধন্যবাদ

আপনাদের জন্যে শুভকামনা

....ফেসবুক পাতা থেকে 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়