a সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে অনলাইন ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা সোমবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে অনলাইন ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২, ০৬:৪০
সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে অনলাইন ক্লাস হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমণের কারণে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছে না সরকার। তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে অনলাইন ক্লাস হতে পারে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি এমন হয় যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, ক্লাস চালু রাখা সম্ভব নয়, তখন অনলাইন ক্লাসে যেতে হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

করোনা মহামারির কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছর সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু হয়। তবে স্কুলগুলোতে আগের মতো নিয়মিত ক্লাস শুরু হয়নি। এখনো সীমিত পরিসরে ক্লাস চলছে। এর মধ্যে গত মাসের শেষ দিক থেকে দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। করোনার নতুন ধরন অমিক্রন বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়েছ। মাসখানেকের ব্যবধানে দেশে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ-ছয় গুণের বেশি হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৬৭৬ জন। সংক্রমণ বৃদ্ধির এই প্রবণতা অশুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

তবে এর মধ্যেই জনজীবনকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা থাকবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে চলতি সপ্তাহেই করোনা–সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ২৬ মার্চ, ২০২২, ১১:৪৭
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ফাইল ছবি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার (২৬ মার্চ) ভোর পাঁচটা ৫০ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানানোর পর সেখানে তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল সশস্ত্র সালাম জানায় ।

এরপর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আরও একবার শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা। প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, ৩ বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশী কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে একে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ৬টা ৮ মিনিটের দিকে তারা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। সাভার থেকে ফিরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রীয় আয়োজন শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হয় সব শ্রেণিপেশার মানুষের জন্য। ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিক, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের।

এদিকে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেছে সশস্ত্র বাহিনী। সূত্র: মানবকন্ঠ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

“বৈষম্য থেকে মুক্তি চাই, চাকরী জাতীয়করণ চাই”


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:৪০
বৈষম্য থেকে মুক্তি চাই চাকরী জাতীয়করণ চাই

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  চাকরী জাতীয়করণ এর দাবিতে 'সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন' আজ সকালে  ১৭/০৪/২০২৫ খ্রিঃ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক দফা এক দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন, সমাবেশ, অবস্থান কর্মসূচি এবং স্মারকলিপি প্রদান করে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমরা বাংলাদেশের সরকারি কলেজে কর্মরত বেসরকারি কর্মচারীদের দাবী আদায়ের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। দীর্ঘদিন যাবৎ অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের ব্যতিরেকে ২০১৩ সালে ১৯০০ এবং ২০২৩ সালে ৪০০০ জন কর্মচারীকে মাউশি কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে বঞ্চিত করে নতুন জনবল নিয়োগের মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত করেছে।
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা নিরুপায় হয়ে আমাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সহানুভূতির সহিত দৃষ্টি কামনায় গত ২১/০৮/২০২৪খ্রি. তারিখে একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনসহ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়কে স্মারকলিপি প্রদান করি । তিনি আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করবেন মর্মে তাঁর প্রেস সচিব দ্বারা মৌখিক আশ্বাস প্রদান করেন।

তারা আরো বলেন, আমরা সারা বাংলাদেশের স্বনামধন্য ৩৩০ টি (পূর্বের/পুরাতন) সরকারি কলেজে ০১ থেকে ৩৫ বছর যাবৎ সরকারি কলেজে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির বিভিন্ন পদে বেসরকারিভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের আলোকে স্ব-স্ব কলেজের অধ্যক্ষ মহোদয়ের নিয়োগের মাধ্যমে সুনামের সাথে চাকুরী করে আসছি। কিন্তু আমাদের চাকুরী রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হচ্ছে না। ১৯৯১ এর নিয়োগ বিধিতে স্ব-স্ব কলেজের শুন্য পদের ১০০% এর ভিতর ৬০% নিয়োগ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রদান করে মহাপরিচালক মহোদয়ের নিকট সুপারিশসহ প্রেরণ করতেন, তখন আমাদের মধ্যে থেকে যারা সিনিয়র হিসেবে কর্মরত থাকতো তাদের মধ্যে কয়েক জনের চাকুরী রাজস্ব খাতে নিতো যা ২০০৪ খ্রি. পর্যন্ত ছিল, অবশিষ্ট ৩০% মাউশির মহাপরিচালক নিয়োগ দিতেন। কিন্তু ২০১৩ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯১ এর নিয়োগ বিধি সংশোধন করে আমাদেরকে বঞ্চিত করে কেন্দ্রীয়ভাবে ১০০% নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় আমরা ২০০৪ ইং সালের পর থেকে রাজস্ব খাতের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হই।

আমাদের অনেকের বয়স ৩০ বছরের অধিক হয়ে গেছে। আমরা সামান্য মজুরীতে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমরা সরকারি কলেজের সকলেই যে দপ্তরে চাকুরী করছি সেখানে আমরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছি। বিভিন্ন কলেজ জাতীয়করণ/ সরকারিকরণ করা হলেও আমাদের বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করা হচ্ছে না। ২০১৩ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বাতিল ও আমাদের জাতীয়করণের জন্য মহামান্য হাইকোট ডিভিশনে রিট পিটিশন করা হয়। কিছু কিছু মামলা ইতোমধ্যে আমাদের পক্ষে রায় ঘোষনা দিয়েছে। ২০১৭ সালে মামলার প্রেক্ষিতে কিছু পদ শূন্য রেখে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর নিয়োগ সম্পূর্ণ করে। সমগ্র বাংলাদেশের কলেজসমূহের সূচনালগ্নে যে গন সৃষ্টি হয়েছিল তা দিয়ে বর্তমান কলেজের অনার্স মাস্টার্স বিভাগসমূহ পরিচালিত হচ্ছে ও তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে না পেরে আমাদের মাউশির পরিপত্র মোতাবেক কলেজ অধ্যক্ষগণ নিয়োগ প্রদান করেন। আমরা অত্যন্ত সুনামের সাথে সরকারি কলেজের সরকারি দায়িত্ব দীর্ঘবছর যাবৎ পালন করে আসছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং- ওএম-১৫১-জিএ/২০০৮/ ৫৫৪৩১/১২জিএ, ১৪/১১/২০০৮ তারিখে ১৯৯১ সালের নিয়োগ বিধি ৬(৩) (ক) ধারা মোতাবেক অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আচরণ ও কর্ম সন্তোষজনক হওয়ায় চাকুরী স্থায়ী করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্বারক নং- ওএম-৯৪-জি /২০১১ (অংশ-১)/২৮৮৩৩/১০, ০৯/০৫/২০১৭ খ্রি. মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ রীট পিটিশন নং-৩২৭৫/২০১৭ ও ৩১১৭/২০১৭ বিচারাধীন থাকায় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদ সংরক্ষণ করা হয় । মামলা নম্বর: ৭৫৩৪/২০১৭ বয়স শিথিল করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের আদেশ দেন মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোট ডিভিশন। এতে সরকার মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের আফিলিয়েট ডিভিশনে (২৯৩২/২০১৯) আপিল করেন। কিন্তু আমরা এখনও কোনো প্রকার আশার বাণী পাইনি।

মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার মৌখিক আশ্বাস পেয়ে আমরা আমাদের কর্মসূচী সমাপ্ত ঘোষণা করি। পরবর্তীতে আমাদের বিষয়ে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ না হওয়ায় গত ০৪/০৯/২০২৪খ্রি. পুনরায় প্রধান উপদেষ্টা, শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিবের কার্যালয়সহ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজি মহোদয়গণকে স্মারকলিপি প্রদান করি এবং ২৯ অক্টোবর ২০২৪খ্রি. বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকদের নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনায় একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন ও ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি মতবিনিময় সভার আলোজন করি কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০১৩ সাল থেকে অদ্যবধি মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচী, ১৮দিন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আমরণ অনশন, সাংবাদিক সম্মেলন, নিজ নিজ কর্মস্থলে ১ঘন্টা প্রতিকী কর্মবিরতিসহ একাধিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর মাধ্যমে আমাদের দাবী আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও আমাদের বিষয়ে কোন সরকারই এখনও পর্যন্ত কোন দৃশ্যমান কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর দ্বারা আমাদের নায্য দাবি আদায় না হলে ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচী গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের দাবি আদায়ের চেষ্টা অব্যহত রাখবো।

দাবীসমূহ:
* সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণ করতে হবে;
* কর্মরতদের ব্যতিরেকে নতুন নিয়োগ বন্ধ করতে হবে, অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের চাকুরীর নিরাপত্তা প্রদান করতে হবে; (শূন্য পদের বিপরীতে এবং নতুন পদ সৃজনের মাধ্যমে স্ব স্ব কলেজে        অস্থায়ীভাবে কর্মরতদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাজস্বখাতভূক্ত করতে হবে।)
* রাজস্বখাতভূক্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - জাতীয়