a স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রেড জোনে চিহ্নিত করেছে ঢাকা ও রাঙ্গামাটি জেলাকে
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২, ১২ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রেড জোনে চিহ্নিত করেছে ঢাকা ও রাঙ্গামাটি জেলাকে


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২, ১১:৫৪
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রেড জোনে চিহ্নিত করেছে ঢাকা ও রাঙ্গামাটি জেলাকে

ফাইল ছবি

ঢাকা ও রাঙামাটি জেলাকে করোনা সংক্রমণে রেড জোন হিসেবে চিহিৃত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে ৬টি জেলা। গ্রিন জোনে রয়েছে ৫৪টি জেলা। গত ১ সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরো বলেছে, রাজধানীতে সংক্রমণ হার ১২.৯০ শতাংশ, আর রাঙ্গামাটিতে ১০ শতাংশ।

এছাড়া ইয়োলো জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে আছে সীমান্তবর্তী জেলা যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নাটোর, রংপুর জেলা। আর পঞ্চগড় এবং বান্দরবান জেলায় নমুনা পরীক্ষার হার খুবই কম হয়েছে।

এছাড়া পূর্ববর্তী ৭ দিনের চেয়ে গেলো ৭ দিনে বেড়েছে ১৬৯.১২ শতাংশ বেশি তবে মৃত্যু হার কমেছে ২০ শতাংশ।

এদিকে করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ এবং গণপরিবহনে যাত্রী অর্ধেকসহ ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে গত সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

করোনায় আক্রান্ত খালেদা জিয়া, অজানা পরিবার ও দল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১, ০১:১১
করোনায় আক্রান্ত খালেদা জিয়া, অজানা পরিবার ও দল

বেগম খালেদা জিয়া

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আজ রবিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদফতরের একটি রিপোর্টে এমন তথ্য দাবি করা হয়েছে। খালেদার করোনা টেস্ট রিপোর্টের কপি বিভিন্ন গণমাধ্যমে পৌঁছায়।

রিপোর্টে দেখা গেছে, গতকাল শনিবার খালেদা জিয়ার করোনার নমুনা নেওয়া হয়। আজ রবিবার তার করোনা টেস্টে পজিটিভ আসে। 

তবে তার পরিবার ও দল দাবি করেছে, খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ আসার বিষয়টি তারা জানেন না। তারা বলছেন, খালেদা জিয়ার নমুনাই নেওয়া হয়নি। পজিটিভ আসবে কীভাবে? যে পরীক্ষা করা হয়েছিল সেটা রুটিন চেকআপ ছিল। 

এ বিষয়ে রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, আমরা কারও ব্যক্তিগত তথ্য দিতে পারবো না। যারা আপনাদের তথ্য দিচ্ছে তাদের কাছে থেকে নিশ্চিত হন। আমরা কোন মন্তব্য করতে চাইনা।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন মাহির স্বামী অপু


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২৪ মে, ২০২১, ০১:৪০
বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেগঘন স্ট্যাটাস দিলেন মাহির স্বামী অপু

ফাইল ছবি


 
ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি স্বামী মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে পাঁচ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন। এবার বিচ্ছেদ হওয়ার খবর মাহি নিজেই জানিয়েছেন। বিচ্ছেদ নিয়ে নিজের অনুভূতি ও অবস্থান ব্যক্ত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন পারভেজ মাহমুদ অপু। 

রোববার রাতে অপুর স্ট্যাটাস হুবহু তুলে ধরা হলা— একটি সম্পর্ক গড়তে গেলে যেসব গুণ থাকে, সেগুলো হলো— সততা, ওয়াদা, বিশ্বস্ততা, বন্ধুত্ব, দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা, বোঝার ক্ষমতা, স্বচ্ছতা ও ভালোবাসা এবং নিজস্ব বিশ্বাস ইত্যাদি। 

আর সম্পর্ক হওয়ার পর সেটি পরিবর্তিত হতেই পারে, আমরা বেঁচে আছি সম্পর্ক নিয়ে সম্পর্কের বন্ধনে বন্দি হয়ে। আবার সম্পর্ক কখনও শেষও হয় না, শুধু পরিবর্তিত হয়।

বিচ্ছেদ যে কোনো সম্পর্কে যে কোনো সময় আসতে পারে। যে কোনো বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো করে বাঁচার স্বাধীনতা রয়েছে। আর এতে করে তিনি/তারা নিজের মতো করে ভালো থাকতেই পারেন।  

সম্পর্কগুলো স্থায়ী হোক এমনটিই সবাই চায়, কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। দেখা যায়, সারাজীবন দুজন পাশাপাশি থাকার পরও মৃত্যু এসে একজনকে নিয়ে যায়। বা দুজনের মতের মিল ও বিশ্বাস আলাদা হলে তখন একসঙ্গে থাকার চেয়ে আলাদা থাকতে চাই, এতে দোষের কিছু তো নয়ই; বরং এটা উভয়ের জন্য ভালো।

আমাদের বাঙালি সমাজ এখনও সেভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। তাই তো ডিভোর্স কথাটা শুনলেই অনেকেরই কান ভোঁ-ভোঁ করে ওঠে। এ কারণেই ডিভোর্সির দিকে কপাল কুঁচকে তাকানোটাই এই সমাজের একটা অভ্যেস হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

সম্পর্ক তৈরি করার মতন, সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসাও খুব স্বাভাবিক। মানুষের জীবনে অনুভূতির সংকোচন, সম্প্রসারণ হতেই পারে। একসঙ্গে থাকতে না চাওয়ার কারণ জন্মাতে পারে। ভালো না লাগতে পারে। বিশেষ কোনো কারণে আলাদা হওয়ার ইচ্ছা হতে পারে। আবার কেউ কেউ মানিয়ে নিয়েও বেঁচে থাকে।  

দুজন মানুষের ভেতর অভ্যন্তরীণ বনিবনা না হলে, একসঙ্গে থেকে তিক্ততা বাড়ানোর কোনো মানেই হয় না। তার চেয়ে দুজন মানুষ আলাদা হয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটুকু বাঁচিয়ে রাখার দৃশ্যই সুন্দর। যে কোনো বিচ্ছেদই কষ্টদায়ক। কিন্তু কোনো সম্পর্কই হয়তো পুরোপুরি শেষ হয় না, সময়ের সঙ্গে বদল আসে দুজনের বোঝাপড়ায়।

আসলে ডিভোর্সের পর সম্পর্কের নাম বদলে যায় শুধু। একে অপরের কথা শেষ হয়ে যায় না, কেউ কারও শত্রু হয়ে যায় না, বন্ধুত্বও শেষ হয়ে যায় না। অনেক চাওয়া-পাওয়া অনেক ভালোবাসা, আকাঙ্ক্ষা ফসলে বৈবাহিক সমন্ধ গড়ে ওঠে। তার ভাঙনকালে যন্ত্রণা হওয়া অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনার জীবন সেখানেই শেষ হয়ে গেল। এমনও নয় প্রাক্তনের প্রতি থাকবেই তীব্র বিদ্বেষ! 

ডিভোর্স সত্ত্বেও প্রাক্তনের প্রতি সম্মান ধরে রাখা সম্ভব। আর এই সম্মানটা মনের মধ্যে পোষণ করেই নিজেদের মর্যাদা অটুট রেখে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। 

আর আশা করছি, আমাদের পরিচিত পরিজন-শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমাদের এই সিদ্ধান্তকে পজিটিভভাবে গ্রহণ করে আমাদের সঙ্গে থাকবেন।  

আর একটা অনুরোধ করতে চাই— আদর্শিক পার্থক্য বা নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কারণে গালাগাল তথা নেতিবাচক মানসিকতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন। এখনও কিছু মানুষ আছে, যারা মূল্যবোধ, দায়বদ্ধতা, শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস এই শব্দগুলোর মানে বোঝে। 

তাই সবার প্রতি অনুরোধ-নিজের আপত্তি বা ক্ষোভ যৌক্তিক ও শোভনীয় ভাষায় তুলে ধরুন।’
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়