a ৭ জেলায় আবারও কঠোর লকডাউন
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

৭ জেলায় আবারও কঠোর লকডাউন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ০৫:৫৩
৭ জেলায় আবারও কঠোর লকডাউন

সংগৃহীত ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে আবারও ৬ জেলায় কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। 

জেলাগুলো হলো- নারায়ণঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ। 

এসব জেলায় আগামীকাল ভোর ৬টা থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। এছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পণ্যবাহী ও জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন চলাচল করতে পারবে। 

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, অন্য যে কোনো জেলা প্রশাসন চাইলে লকডাউন দিতে পারবে।   

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জাপান থেকে আরও ৭ লাখ ৮১ হাজার টিকা বাংলাদেশে আসলো


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২১ আগষ্ট, ২০২১, ০৪:২৩
জাপান থেকে আরও ৭ লাখ ৮১ হাজার টিকা বাংলাদেশে আসলো

ফাইল ছবি

জাপান থেকে কোভ্যাক্সের আওতায় ৭ লাখ ৮১ হাজার লাখ টিকার চতুর্থ চালান দেশে পৌঁছেছে।

আজ শনিবার বিকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাপানের এ অ্যাস্ট্রেজেনেকার টিকা পৌঁছে।

এর আগে গত ২ আগস্ট জাপান থেকে কোভ্যাক্সের আওতায় ৬ লাখ ১৬ হাজার ৭৮০ টিকার তৃতীয় চালান আসে। ৩১ জুলাই ৭ লাখ ৮১ হাজার ৩২০ টিকার দ্বিতীয় চালান আসে। 

আর গত ২৪ জুলাই জাপান থেকে ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টিকার প্রথম চালান ঢাকায় আসে। ইতিপূর্বে, জাপান বাংলাদেশকে ৩০ লাখ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জলদস্যুদের কবলে থাকা জিম্মি জাহাজে খাবারের মজুদ শেষের দিকে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৫:৩২
জলদস্যুদের কবলে থাকা জিম্মি জাহাজে খাবারের মজুদ শেষের দিকে

ছবি সংগৃহীত

সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে থাকা বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’য় থাকা পানি ও রসদ প্রায় শেষ হয়ে আসছে। জাহাজে থাকা চাল, ডাল, মাছ, মাংসসহ অন্যান্য খাবারে দস্যুরাও ভাগ বসানোয় দ্রুতই মুজদ শেষ হয়ে আসছে। তাই বিকল্প ব্যবস্থায় জাহাজে খাবার পাঠানোর চেষ্টা করছে জাহাজ মালিকপক্ষ। জাহাজ নিজেদের কব্জায় নেয়ার পর চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখনো দস্যুদের সাথে যোগাযোগ হয়নি মালিক কর্তৃপক্ষের।

কবির গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এখন দস্যুদের ফোনের অপেক্ষায় রয়েছি। তাদের সাথে যোগাযোগ হলেই প্রথম আমরা খাবার নিয়ে আলোচনা করবো। এছাড়া তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে জাহাজে খাবার ও পানি সরবারহের ব্যবস্থা নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করছি। দস্যুরা যত দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করবে, তত দ্রুত আলোচনা শুরু করতে পারবো।’

জানা যায়, জলদস্যুদের কবলে পড়ার সময়  ‘এমভি আবদুল্লাহ’য় খাবার ও পানি মুজদ ছিল ২৫ দিনের। মজুদ থাকা খাবারের মধ্যে ছিল হিয়ামিত মাছ, মাংস, সবজি, ফল, ডাল, চাল বিস্কুটসহ নানা ধরণের শুকনো খাবার। যা দিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ দিন চলার কথা ছিল। কিন্তু জাহাজ জিম্মি হওয়ার পর নাবিকদের পাশাপাশি দস্যুরাও জাহাজে অবস্থান করছে। ফলে জাহাজে খাবার ও পানির চাহিদা বেড়েছে। এতে করে দ্রুত শেষ হয়ে আসছে জাহাজে থাকা খাবারের মজুদ। এরআগে জিম্মি হওয়ার পর জাহাজের চিফ অফিসার আতিকুল্লাহ খান এক হোয়াটঅ্যাপের অডিও বার্তায় বলেন, আমাদের জাহাজে ২০ থেকে ২৫ দিনের খাবার ও পানি আছে। সবাইকে বলেছি, এগুলো একটু সাবধানে ব্যবহার করতে। মজুদ শেষ হয়ে গেলে বিপদে পড়ব আমরা।’

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বিগত সময়ে দেখা গেছে জাহাজের খাবার শেষ হয়ে যাওয়ার পর, দস্যুরাই নাবিকদের জন্য খাবার ব্যবস্থা করেছে। এমভি আবদুল্লাহ’র ক্ষেত্রে এটা হবে আশা করছি। তবে তারা খাবার সরবারহ করলেও পরিমাণ হবে তা কম।’ সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - জাতীয়