a ইইউ’র বক্তব্য বিএনপির আরেকটি ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা শনিবার, ১৯ পৌষ ১৪৩২, ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইইউ’র বক্তব্য বিএনপির আরেকটি ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪, ০৯:২৬
ইইউ’র বক্তব্য বিএনপির আরেকটি ষড়যন্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিশেষজ্ঞ দলের এক প্রতিবেদনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জানিয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সীমাবদ্ধ ছিল। গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কণ্ঠরোধ করা হয়েছে।

ইইউ’র এমন দাবিকে বিএনপির আরেকটি ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, কোনো হামলা-মামলা আমাদের পুলিশ বাহিনী, পলিটিক্যাল বাহিনী করেনি। তারাই (বিএনপি) করেছে। তারা করে তারাই যদি অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা তরে তাহলে আমরা এ ধরনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা মনে করি এগুলো সত্যের অপলাপ। উদ্দেশ্যমূলকভাবে আরেকটি ষড়যন্ত্রের একটা নতুন ক্ষেত্র তৈরির প্রচেষ্টা নিচ্ছেন।

শনিবার (৯ মার্চ) দুপুরে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২৪ উপলক্ষে পুলিশ স্টাফ কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে নিরাপত্তা বাহিনী নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করেছে। গত নির্বাচনে অনেক মন্ত্রী, বড় বড় নেতা এই নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছেন। কাজেই আমরা সুনিশ্চিত করে বলতে পারি এই নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি হয়নি বা কোনো ধরনের সাপোর্ট কেউ পেয়েছে বলে আমরা মনে করি না, দেখিনি।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালেও তারা (বিএনপি) একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছিল। তবে ক্রমান্বয়ে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তারা যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। তবে তারা নির্বাচনের পরে মনগড়া তথ্য প্রচার করে বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে। অথচ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা বিদেশি সাংবাদিকরা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বলেছেন যে, বাংলাদেশের নির্বাচনের সুষ্ঠু হয়েছে। আমেরিকারও দুই একটি সংগঠন বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি, অপরাজনীতিরই নামান্তর!


কর্নেল (অব.) আকরাম, কলাম লেখক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৬:০৭
রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি অপরাজনীতিরই নামান্তর

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: একটি জাতির জন্য রাজনীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ভুল রাজনীতি একটি জাতিকে নিঃসন্দেহে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যায়। ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে এবং পাকিস্তান আমাদের সামনে একটি স্পষ্ট দৃষ্টান্ত। শুধুমাত্র ভুল রাজনীতির কারণে পাকিস্তান তার জন্মের মাত্র চব্বিশ বছরের মাথায় দেশভাগের সবচেয়ে দুঃখজনক অধ্যায় প্রত্যক্ষ করে। এটি পাকিস্তানের জনগণের প্রত্যাশার বাইরের একটি ঘটনা ছিল। কিন্তু অপবিত্র রাজনীতিই এটি ঘটিয়েছিল।  

সম্প্রতি আমরা মিয়ানমারে অপবিত্র রাজনীতির উদাহরণ দেখেছি, যেখানে দেশটি এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে সাধারণ মানুষ।  

অন্যদিকে, সঠিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ভারত জন্মের পর থেকেই একটি স্থিতিশীল দেশ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। ভারতীয় নেতারা তাদের দেশকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিজেপি এবং কংগ্রেস একত্রিতভাবে একক সুরে কাজ করেছে, যা একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সংস্কৃতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে এবং ভারতকে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে ধরে রেখেছে।  

এবার আমরা বাংলাদেশের গত পঁঞ্চাশ বছরের রাজনৈতিক সংস্কৃতির দিকে ফিরে তাকাই। স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান গণতন্ত্র চর্চার পরিবর্তে সেই গণতন্ত্রকে হত্যা করেন এবং রাজনীতি শূন্য করার চেষ্টা করেন। তিনি তার শাসন স্থায়ী করতে "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" এর সূচনা করেন। তার জনপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা ঘোষণা করে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বীজ বপন করেন। তিনি তার সমস্ত রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্মূল করেন। এটি একটি সফল প্রকল্প হিসেবে গণ্য হলেও, এই "মুজিববাদ" সমাজে একটি অপসংস্কৃতির জন্ম দেয়। এর ফলস্বরূপ, তার নিকট বন্ধু মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, একটি ষড়যন্ত্রমূলক "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" এর বিকাশ ঘটে। এর পরিণতিতে শেখ মুজিবের মর্মান্তিক পতন ঘটে।  

শেখ মুজিবের পতনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও দেশ আবারও "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" এর শিকার হয় এবং মোশতাকও পতিত হন। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ যখন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং ভারতীয় হস্তক্ষেপ প্রকাশ্যে আসে, তখন ৭ই নভেম্বর ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন।  

একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয় এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন আলোর আবির্ভাব ঘটে। ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত হয়ে জাতি এবং দেশ স্বাধীন রাজনীতির স্বাদ পেতে শুরু করে। জিয়াউর রহমান সৎ প্রচেষ্টায় সঠিক রাজনীতির সূচনা করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" তাকে ছাড়েনি, এবং শেষ পর্যন্ত দেশপ্রেমের জন্য তাকে নিজের জীবন উৎসর্গ করতে হয়।  

এরপর বাংলাদেশে সৎ রাজনীতির সমাপ্তি ঘটে, এবং আমরা বহুবার "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" প্রত্যক্ষ করেছি। এটি চলতে থাকে ফ্যাসিবাদী হাসিনা শাসনের ঐতিহাসিক পতন পর্যন্ত।  

তবে, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর বিপ্লবের পর মানুষ নতুন করে সৎ রাজনীতির আশা দেখতে শুরু করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রবণতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে এই আশা পুরোপুরি দৃঢ় মনে হয় না। দেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় দল বিএনপিকে উপেক্ষা করার চেষ্টা স্পষ্ট, যা জাতির জন্য একটি ভালো বার্তা দেয় না। আমরা ভুলে যেতে পারি না, গত পনেরো বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী যে ত্যাগ ও ভোগান্তির শিকার হয়েছে। তাদের ত্যাগের ফলেই সাম্প্রতিক বিপ্লবের মাটি প্রস্তুত হয়েছে।  

বিপ্লবের পরবর্তী পরিস্থিতি সৎ রাজনীতির সুযোগ সৃষ্টি করেছে। যদি আমরা এই সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই, জাতি ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। রাজনীতিতে কোনো ষড়যন্ত্র মানুষ মেনে নেবে না এবং "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" কে কোনোভাবেই উৎসাহ দেওয়া উচিত নয়। এধরণের ষড়যন্ত্র সাধারণ জনগন কঠোরভাবে দমন করবে, তাতে সন্দেহ নেই। তবে অনেক রক্ষপাত ঘটার সম্ভাবনা তো থেকেই যায়।  

জাতীয়তাবাদী এবং ইসলামী শক্তির ঐক্য একটি নতুন বাংলাদেশের সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। তাই যেকোনো বিচ্যুতি আবারও "রাজনীতির মধ্যে রাজনীতি" জন্ম দেবে এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত শক্তিগুলি তাদের স্বার্থে এটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে। আমাদের নিজেদের ভুলের মাধ্যমে শত্রুদের এমন সুযোগ দেওয়া যাবে না।  

লেখক: সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল এবং আইন ও ইতিহাসের অধ্যাপক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সৌদি আরবে ২০ হাজারের বেশি অবৈধ বাসিন্দাদের গ্রেফতার করা হয়েছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০১:০৩
সৌদি আরবে ২০ হাজারের বেশি অবৈধ বাসিন্দাদের গ্রেফতার করা হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

 

সৌদি আরবে ২০ হাজারের বেশি অবৈধ বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের বাসস্থান, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে সৌদিব্যাপী এক অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর আরব নিউজের।

জানা গেছে, গত ১২-১৮ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সহযোগিতায় নিরাপত্তা বাহিনী পরিচালিত যৌথ অভিযানের সময় ২০ হাজার ১৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ হাজার ৩০২ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘনের জন্য, পাঁচ হাজার ৬৫২ জনকে সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের জন্য এবং তিন হাজার ২০৫ জনকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য গ্রেফতার করা হয়।

এছাড়া সৌদির সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টাকালে এক হাজার ৮৬১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ ইয়েমেনি নাগরিক, ৬৫ শতাংশ ইথিওপিয়ান নাগরিক এবং দুই শতাংশ অন্যান্য জাতীয়তার অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি অবৈধভাবে রাজ্য ত্যাগের চেষ্টা করার সময় মোট ১১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় এবং নিয়োগের সাথে জড়িত ১৭ জনকেও গ্রেফতার করেছে দেশটি। এছাড়া সৌদি আরবে বর্তমানে ২৬ হাজার ৪১১ জন পুরুষ এবং দুই হাজার ৬১৯ জন নারীসহ মোট ২৯ হাজার ৫৪০ জন প্রবাসীকে বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপের মধ্যে রয়েছেন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - মতামত