a আর্চারির ফাইনাল মঞ্চে বাংলাদেশ
ঢাকা রবিবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আর্চারির ফাইনাল মঞ্চে বাংলাদেশ


ক্রীড়া ডেস্ক:
শুক্রবার, ২১ মে, ২০২১, ১১:১৭
আর্চারির ফাইনাল মঞ্চে বাংলাদেশ

ফাইল ছবি

 

২০২১ আর্চারি বিশ্বকাপ স্টেজ-২’ এর রিকার্ভ মিশ্র ইভেন্টে ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার (২০ মে) সুইজারল্যান্ডের লুজানে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কানাডাকে ৫-৩ সেটে পরাজিত করেন বাংলাদেশের এই দুই খ্যাতিমান আর্চারি খেলোয়াড়।

আগামী রবিবার (২৩ মে) স্বর্ণ জয় করতে হলে সানা-সিদ্দিক জুটিকে নেদারল্যান্ডসের বাধা টপকাতে হবে।

রিকার্ভ মিশ্র ইভেন্টের প্রথম রাউন্ডে ৫-৩ সেটে ইরানকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় রাউন্ডে শক্তিশালী জার্মানি পাত্তাই দেয়নি লাল-সবুজের টিমটি। ৫-১ সেটে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।

কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনকে ৫-৪ সেটে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে কানাডার বিপক্ষে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে ফাইনালের মঞ্চ আলোকিত করার অপেক্ষায় রোমান-দিয়া আর্চারি জুটি। তাদের এমন অর্জনে ক্রীড়াঙ্গনে প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ আর্চারি টিম।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ব্রাজিল মাঠে নামছে রাতে এবং আর্জেন্টিনা ভোরে


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১২ জুলাই, ২০২২, ০৯:২৩
ব্রাজিল মাঠে নামছে রাতে এবং আর্জেন্টিনা ভোরে

ফাইল ছবি

মেয়েদের কোপা আমেরিকায় রাতে উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামছে ব্রাজিল। একই প্রতিযোগিতায় ভোরে পেরুর সঙ্গে খেলবে আর্জেন্টিনা। কলম্বিয়ার এস্তাদিও সেন্তেনারিওতে স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টায় মাঠে নামবে ব্রাজিলের মেয়েরা।

একই স্টেডিয়ামে ভোর ৬টায় পেরুর মোকাবেলায় মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের কাছেই হেরেছিল আলবিসেলেস্তেরা।

কনমেবল অঞ্চলের ১০ দেশ দুটি গ্রুপে সমান ভাগে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় নেমেছে। 'বি' গ্রুপে এক ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই আছে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে উরুগুয়েকে হারিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থান দখলে নিয়েছে ভেনেজুয়েলা।

মেয়েদের কোপায় আটটি আসরের মধ্যে সাতটি শিরোপা নিয়েছিল ব্রাজিল। এরমধ্যে ২০০৬ সালে নিজেদের করে নেয় আর্জেন্টিনা। সূত্র: সমকাল

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ক্ষুদ্র-মাঝারিদের টিকে থাকাই দায়, সংবাদপত্র শিল্প উপেক্ষিত


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১, ১১:২০
ক্ষুদ্র-মাঝারিদের টিকে থাকাই দায়, সংবাদপত্র শিল্প উপেক্ষিত

ফাইল ফটো

করোনার প্রভাব যতই বাড়ছে, ততই উদ্বেগ বাড়ছে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা আবারও নতুন করে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার বিস্তার অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র ও মাঝারিদের টিকে থাকা কষ্টকর হবে।

ইতিমধ্যে প্রণোদনার নামে ঋণসুবিধা দেওয়া হলেও তা সবাই পায়নি। এমনকি সংবাদপত্রকে শিল্প বলা হলেও এই শিল্পের জন্য কোনো সুবিধাই ঘোষণা করা হয়নি। করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাবের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংবাদপত্রশিল্পে। করোনায় ঝুঁকি নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজ করলেও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছিল উপেক্ষিত।

এখানকার কর্মীদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ডও আইনগত কারণে বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলেন, সংবাদপত্রশিল্পের বিনিয়োগও কম নয়। করোনায় অন্যান্য খাতের মতো সংবাদপত্রশিল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব খাতের সমস্যা সংবাদপত্রগুলো সামনে নিয়ে এলেও সংবাদপত্রের সমস্যা সমস্যাই রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদপত্রের কাঁচামালের দামও বেড়েছে। 

একইভাবে অসংগঠিত খাত, ক্ষুদ্র কুটিরশিল্পসহ মাঝারি শিল্পগুলোও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত মাঝে পড়েছে। চাকরি হারিয়ে বেকার জনগোষ্ঠীও অসহায় হয়ে পড়েছে। তাদের হাতে টাকা নেই। বিশ্বের অপরাপর দেশ ব্যক্তি পর্যায়েও টাকা দিয়েছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানকেও নগদ অর্থ দিয়েছে এবং দিচ্ছে। 

বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, করোনার কষাঘাতে স্থবির অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে হলে সমাজের সবার হাতেই টাকার সরবরাহ থাকতে হবে। যেমনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশেও করা হচ্ছে। কারণ, শুধু উত্পাদকদের হাতে টাকা গেলে হবে না। উত্পাদিত পণ্য কিনবেন যিনি, তার হাতেও টাকা থাকতে হবে। নইলে পণ্য কিনবেন কে? উত্পাদক-ভোক্তা কাউকে এখানে খাটো করে দেখার কোন রকম সুযোগ নেই।

একইভাবে একজন চা-দোকানি থেকে শুরু করে মাঝারি উদ্যোক্তা পর্যন্ত—সবার প্রতি যত্নশীল হতে হবে। সবাইকে আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা খাত শ্রমঘন। প্রচুর কর্মী এসব খাতে কাজ করেন। ফলে শুধু বড় উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তা দিলেই অর্থনীতি ঠিক থাকবে এমন ধারণা ভুল। সব খাতকেই প্রণোদনার আওতায় এনে আর্থিক সহায়তা দিলে সব খাত যখন চাঙ্গা হবে, তখনই বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। 

তদুপরি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ভোগব্যয়ের ওপর অধিকতর নির্ভরশীল। ভোগব্যয় বাড়াতে হলে ক্রেতাশ্রেণির হাতে অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে বিশাল এক কর্মীবাহিনী। ইতিমধ্যে অনেকেই আয়ের সংস্থান না থাকায় শহর থেকে গ্রামমুখী হয়েছেন। সব দিক বিবেচনা করেই সরকারকে সুবিধা প্রদান করতে হবে।

এদিকে, অনেকেই ব্যাবসায়িক মন্দায় ব্যাংকের কিস্তি দিতে পারছেন না। অনেকে একটু নাড়াচাড়া দিলেও করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় ঝুঁকিতে পড়ে গেছেন। এ অবস্থায় ঋণ পরিশোধে সময় বর্ধিতকরণের দাবি জানিয়ে উদ্যোক্তারা বলেছেন, অতীতেও ক্ষেত্রেবিশেষে ঋণ পরিশোধে লম্বা সময় দেওয়া হয়েছিল। অনেক উদ্যোক্তাই এই সুবিধা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে কিস্তি পরিশোধ করেছেন। ঋণ পরিশোধে সময়সীমা বাড়িয়ে দিলে উদ্যোক্তা যেমন বাঁচবেন, ব্যাংকও আটকা পড়বে না। ব্যাংকের বিনিয়োগের টাকা ফেরতে এটিই হতে পারে কার্যকর পদক্ষেপ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি প্রদানে শিথিলতা ছিল। পরে মার্চ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে বাড়ানো হলেও সবাই এই সুবিধা নিতে পারেননি। তাই আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধের সময় বৃদ্ধি করার জোর দাবি উঠেছে।

এই দাবিকে যৌক্তিক বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এই সময়ে ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ে নমনীয় হতে হবে। ব্যবসায়ীদের সুযোগ দিতে হবে, যাতে কলকারখানা চালু রাখা যায়। কর্মসংস্থান ঠিক রাখা যায়। সবকিছু কঠিন করে ফেললে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাতে করে প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণ হবে না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়