a
ফাইল ছবি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রনয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এবং গণফোরাম এর মূখপাত্র সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন-সরকারের উদাসীনতা, অব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তহীনতায় পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতির দিকে যাচ্ছে। করোনাকালে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় এবং গণ পরিবহন ও মার্কেটগুলো একবার বন্ধ করে আবার খুলে দেওয়া, প্রণোদনার নামে জনগণের সাথে প্রতারণা ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়ায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণ এর বাইরে চলে যাচ্ছে।
একদিকে রমজানকে সামনে রেখে চাল, ডাল, তেল এবং শাক-সবজিসহ জীবন ধারণের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম বেড়েই চলছে। সরকারের কোন পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। টিসিবি'র মাধ্যমে কম দামে যে সকলখাদ্য দ্রব্য বিক্রয় করা হত, তার দামও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। করোনার বিস্তাররোধে সরকারের আমদানীকৃত টিকার এখনো দেখা মিলছেনা। সীমিত পরিসরে সমাজের সুবিধা ভোগীরা করোনার টিকা পাচ্ছে, কিন্তু ব্যাপক জনগোষ্ঠীকে টিকা দানের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছেনা।
এই মর্মে নেতৃবৃন্দ আরো উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় এখন আকাশচুম্বী। সংকটময় ও আতঙ্কময় পরিস্থিতে হাসপাতালগুলো কসাইখানায় পরিণত হয়েছে। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে সেখানে রোগীদের ও স্বজনদের সর্বশান্ত করা হচ্ছে। আইসিইউ তে রোগীকে নিতে পারলে কোন কথাই নেই। প্রতিদিন হাজার থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা ব্যয় চাপিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ওষুধের দাম নাগালের বাইরে।
১ বছর সময় কালের মধ্যে আইসিইউ এর সংখ্যা বাড়াতে সরকারের কোন কার্যকর উদ্দ্যোগ বা ম্যাথা ব্যথা নেই। বসুন্ধারা কনভেনশন সেন্টারে পার্শে সরকারী অর্থ ব্যয়ে গত বছর যে বিশাল আকারের অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছিল তা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় কোন কাজে আসে নাই। বরং জনগণের বিশাল অংকের অর্থের অপচয় হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মহাখালীস্থ এক স্থাপনাকে আবারো বিশাল অংকের টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল বানানো হচ্ছে। এইভাবে একটার পর একটা হাসপাতাল বানানো হচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা।
কোভিড ১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসার নামে এক শ্রেণীর সরকার ঘনিষ্ঠ অসাধু তাবেদাররা রাতারাতি শত কোটির টাকার মালিক বনে যাচ্ছে। সরকারের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনা দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দান এবং দক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে করোনা আক্রান্ত পরিস্থতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবাহ রূপ ধারণ করেছে ।
ফাইল ছবি
রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সড়কে সমাবেশ করেছে বিএনপি।এই সমাবেশের ওপরে একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। এতে অনেকের মাঝে সন্দেহ আর আতঙ্ক দেখা দেয়। ড্রোন উড়তে দেখে অনেকেই সমাবেশস্থল ছেড়ে চলে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমাবেশের ঠিক ওপরে পল্টন পলওয়েল ও চায়না টাউন মার্কেট বরাবর কয়েকটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়। এগুলো নির্দিষ্ট স্থানে স্থির হয়ে থাকে। তবে এসব ড্রোনে ক্যামেরা ছিল কি না- তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ উদ্যোগে ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, গণপরিবহণের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের গুলিতে নুরে আলম ও আব্দুর রহিমের হত্যার প্রতিবাদে’ এই সমাবেশ ডাকা হয়।
সমাবেশের জন্য দলীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়। সকাল থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে সমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
নাইটিংগেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত দুই পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে জাসাসের আয়োজনে গান, দলীয় সংগীত, কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করা হয়। দুপুর ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়।
এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সূত্র: যুগান্তর
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের বিপক্ষে গতকাল প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ২৩ রানের হারের পর রাতে ভাল ঘুম হয়নি অস্ট্রেলিয়ানদের। টাইগারদের স্বল্প পূজিঁর বিপক্ষে মাত্র ১০৮ রানে গুড়িয়ে গিয়েছিল। সিরিজে সমতা আনতে আজ দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিংই বেছে নেয় অস্ট্রেলিয়া। টাইগার বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১২১ রানে গুটিয়ে য়ায় অজিদের ইনিংস। আজকের ম্যাচে জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ১২২ রান।
বেশ দেখেশুনে শুরু করেন তাদের দুই ওপেনার অ্যালেক্স কারে আর গ্লেন ফিলিপে। আজ বুধবার মিরপুর শেরে বাংলায় এবারও স্পিন দিয়ে বোলিং শুরু করে বাংলাদেশ। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আক্রমণে নিয়ে আসেন মাহেদি হাসানকে। টাইগার অফস্পিনারের প্রথম ওভার থেকে মাত্র ১ রান তুলতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
দ্বিতীয় ওভারেই নাসুম আহমেদের ওপর চড়াও হন কারে, জোড়া বাউন্ডারি হাঁকান। তবে পরের ওভারে এসে এই ওপেনারকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন মাহেদি। ওভারের তৃতীয় বলে ঘূর্ণি বুঝতে না পেরে কারে (১১ বলে ১১) তুলে দেন মিড অফে। নাসুম নেন সহজ ক্যাচ। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মার্শ-হ্যানরিকস জুটি অস্বস্তিতে ফেলেছিল বাংলাদেশকে। ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে আসেন সাকিব আল হাসান। ৩০ রান করা হ্যানরিকসকে বোল্ড করে ফেরালেন সাজঘরে। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে স্লগ সুইপ খেলতে চেয়েছিলেন হ্যানরিকস, বল ব্যাট মিস করে তার শরীর স্পর্শ করে ভেঙে দেয় স্ট্যাম্প। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ২৫ বলে ৩০ রান করে হ্যানরিকস।
মোস্তাফিজের স্লোয়ারে বোল্ড হয়ে ফিরলেন জস ফিলিপে। বুঝতেই পারেননি ফিলিপে। খেলতে চেয়েছিলেন লেগ সাইডে কিন্তু ব্যাটে-বল এক করতে পারেননি। দ্য ফিজের স্লোয়ার ভেঙে দেয় ফিলিপের লেগ স্ট্যাম্প। ১৪ বলে ১০ রান করেন ফিলিপে। এর পর বিপদজনক হয়ে ওঠা মার্শকে সাজ ঘরে ফেরান শরিফুল ইসলাম। ৪২ বলে ৪৫ রান করে আউট হন মার্শ।
অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে বোল্ড করে ম্যাচে টাইগারদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। ম্যাথু ওয়েডকে আউটের পর অ্যাশটন আ্যাগারকে আউট করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলে ছিলেন মোস্তাফিজ। টাইগার বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজ ৩টি এবং শরিফুল ইসলাম ২ উইকেট লাভ করেন।