a
ফাইল ছবি
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ভিপিএন ব্যবহার হয় ভারতে। এরফলে ভিপিএন নিষিদ্ধ করতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। তারা বলছেন, ভিপিএন অ্যাপ ব্যবহার করে অপরাধীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে অনলাইনে থাকছেন। তাই এটা বন্ধ করা অতীব জরুরী।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, অ্যাটলাস ভিপিএন-এর মতে বিশ্বে সবচেয়ে ভিপিএন ব্যবহার হয় ভারতে। দেশটিতে পাবজি গেম নিষিদ্ধের পরে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে উঠে ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ‘ভিপিএন’। এই অ্যাপ ও টুলের সহায়তা নিয়ে অনেকেই চলে যাচ্ছেন নিষিদ্ধ হওয়া ওয়েবসাইটে। জনপ্রিয় ভিপিএন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম নর্ড ভিপিএন, এক্সপ্রেস ভিপিএন ও আইপি ভ্যানিশ।
রাজ্যসভায় জমা দেওয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিপিএন ব্যবহার করে দেশের সাইবার নিরাপত্তার সমস্ত বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাচ্ছেন অপরাধীরা। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে এর মাধ্যমে বড় ধরনের অপরাধ হতে পারে।
ভিপিএন পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে দেশটির বিশেষজ্ঞরা জানান, অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য ভিপিএন নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ কিংবা হ্যাকারদের কাছ থেকে কি তা নিরাপদ হবে? সেটাই এখন ভাবনার বিষয়।
ফাইল ছবি
২০২১ আর্চারি বিশ্বকাপ স্টেজ-২’ এর রিকার্ভ মিশ্র ইভেন্টে ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের রোমান সানা ও দিয়া সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার (২০ মে) সুইজারল্যান্ডের লুজানে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কানাডাকে ৫-৩ সেটে পরাজিত করেন বাংলাদেশের এই দুই খ্যাতিমান আর্চারি খেলোয়াড়।
আগামী রবিবার (২৩ মে) স্বর্ণ জয় করতে হলে সানা-সিদ্দিক জুটিকে নেদারল্যান্ডসের বাধা টপকাতে হবে।
রিকার্ভ মিশ্র ইভেন্টের প্রথম রাউন্ডে ৫-৩ সেটে ইরানকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় রাউন্ডে শক্তিশালী জার্মানি পাত্তাই দেয়নি লাল-সবুজের টিমটি। ৫-১ সেটে হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।
কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনকে ৫-৪ সেটে হারিয়ে দেয় বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে কানাডার বিপক্ষে দাপটের সঙ্গে জয় তুলে ফাইনালের মঞ্চ আলোকিত করার অপেক্ষায় রোমান-দিয়া আর্চারি জুটি। তাদের এমন অর্জনে ক্রীড়াঙ্গনে প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ আর্চারি টিম।
ফাইল ছবি
সিরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় পালমিরা শহরের কাছে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের ঘাঁটিতে রাশিয়ার জঙ্গিবিমান বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ২০০ সন্ত্রাসী নিহত এবং ঘাঁটির উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সিরিয়ায় রাশিয়ান সেন্টার ফর রিকনসিলিয়েশনের উপপ্রধান আলেকজান্ডার কারপভ সোমবার এই খবর জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে উগ্র সন্ত্রাসীদের অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত হয়ে রাশিয়ার বিমান বাহিনীর কয়েকটি জঙ্গিবিমান এই হামলা করে।
তিনি জানান, অভিযানের সময় দুটি গোপন আস্তানা, হেভি মেশিনগান বসানো ২৪টি পিকআপ এবং প্রায় ৫০০ কেজি গোলাবারুদ ধ্বংস করা হয়েছে।
কারপভ বলেন, সিরিয়ার আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর অস্থিতিশীল করার জন্য সন্ত্রাসীরা হামলার গোপন মহড়া দিয়ে আসছিল। আগামী ২৬ মে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গোলযোগপূর্ণ দেশটি স্থিতিশীলতার দিকে আসতে এই নির্বাচন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন এই নির্বাচন ঘিরে।