a
ফাইল ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিলেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
এ সময় ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকাকে আবার মহান এবং গৌরবময় করার জন্য, আজ রাতে আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জন্য আমার প্রার্থিতা ঘোষণা করছি।”
এ সময় তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “যখন ঘরে এমন ভালবাসা থাকে, তখন জনতার সাথে কথা বলা সত্যিই সহজ।”
“সুতরাং এখন থেকে ২০২৪ সালের নির্বাচনের দিন পর্যন্ত... আমি এমনভাবে লড়াই করব যা আগে কেউ করেনি। আমরা উগ্র বাম গণতন্ত্রীদের পরাজিত করব, যারা আমাদের দেশকে ভেতর থেকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে,” যুক্ত করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্পের এই ঘোষণাকালে সাবেক ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প তার পাশেই ছিলেন। সূত্র: বিবিসি, সিএনএন
ফাইল ছবি
কাবুল বিমানবন্দরে জঙ্গি হামলায় ১৩ মার্কিন সেনাসহ ১০০ জনের ওপর মৃত্যুর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পদত্যাগের দাবি জোরাল হল।
জাতিসংঘে আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত নিক্কি হ্যালি টুইট করে বলেন, "বাইডেন কি এবার পদত্যাগ করবেন, নাকি তাকে সরানো হবে? তবে বাইডেন সরে গেলে যদি কমলা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট হন, তাহলে তা দশগুণ খারাপ হবে। স্রষ্টা আমাদের রক্ষা করুন।"
নিক্কির এই টুইটের পরে রিপাবলিকান পার্টির একাধিক কংগ্রেস ম্যান টুইট করে বাইডেনের পদত্যাগ দাবি করতে থাকেন। বাইডেনের সঙ্গে সঙ্গে তারা কমলা হ্যারিস ও বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনেরও পদত্যাগ দাবি করেন। রিপাবলিকান সাংসদরা বলতে থাকেন, যদি একটা ফোনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমপিচ করা হয়ে থাকে, তাহলে কেন বাইডেনের ইমপিচমেন্ট হবে না।
আফগানিস্তান থেকে যেভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা বাইডেনের চরম গাফিলতি বলে রিপাবলিকান দলের নেতারা জানাতে থাকেন। বস্তুত, আফগানিস্তান ইস্যুতে বাইডেনের ব্যর্থতার জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পদত্যাগ চেয়েছিলেন। রিপাবলিকান কংগ্রেস ম্যানরা অবিলম্বে মার্কিন কংগ্রেসের অধিবেশন দাবি করলেও স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তা উড়িয়ে দিয়েছেন।
আফগানিস্তানে মার্কিন সেনার মৃত্যু শেষবার হয়েছিল ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। তার কয়েক সপ্তাহ বাদেই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালেবানের সঙ্গে চুক্তি করেন, যাতে মার্কিন বাহিনীর উপর তারা কোনও হামলা না করে। ফলে গত বৃহস্পতিবার কাবুলের বিস্ফোরণে ১৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু বাইডেনকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে।
তালেবান যেভাবে আফগানিস্তান নিজেদের দখলে নিয়েছে, তাতে গোটা বিশ্বের সঙ্গে মার্কিন জনতারও একটি বড় অংশ বাইডেনের উপর ক্ষুব্ধ। কাবুলের বিস্ফোরণ সেই ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্র- ফক্স নিউজ, দ্যা নিউজ এন্ড অবজারভার।
ফাইল ছবি
শেষ মুহূর্তে এসে প্রতিনিধি পরিষদ এবং সিনেট উভয়ই স্বল্পমেয়াদি তহবিল চুক্তিতে সম্মত হওয়ায় সরকার অচল (শাটডাউন) হওয়া থেকে রক্ষা পেল যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীকে বিনাবেতনে ছুটিতে পাঠাতে হতো এবং বন্ধ হয়ে যেতো সরকারের গুরত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেবা।
বিবিসি জানায়, মার্কিন সরকারকে আগামী নভেম্বরের মধ্যভাগ পর্যন্ত অর্থায়ন সংক্রান্ত একটি বিল সিনেটে ৮৮-৯ ভোটে পাস হয়েছে। তবে এখানে ইউক্রেনের জন্য নতুন কোনো সহায়তার পরিকল্পনা রাখা হয়নি।
৪৫ দিনের এই পরিকল্পনা উত্থাপন করেন মার্কিন হাউজ স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি। এটি পাস হওয়ায় আপাতত স্বস্তি পেলো ডেমোক্র্যাট সরকার।
এর আগে, নতুন অর্থায়ন বিল নিয়ে কট্টর রিপাবলিকান সদস্যদের ঘোর আপত্তি থাকায় আংশিক অচল হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল বাইডেন প্রশাসন। সূত্র: বিডি প্রতিদিন