a সোনালী–জনতা ব্যাংকে চাকরি পেলেন ১৫৭ জন - বার্তাজগৎ২৪
ঢাকা শনিবার, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সোনালী–জনতা ব্যাংকে চাকরি পেলেন ১৫৭ জন - বার্তাজগৎ২৪


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৩ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:৫২
সোনালী জনতা ব্যাংকে চাকরি

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয়ের তত্ত্বাবধানে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক লিমিটেডের ‘অফিসার-আইটি’ ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৫৭ জন মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকে ১২২ জন ও জনতা ব্যাংকে ৩৫ জন নিয়োগ পাবেন।

গেল বছরের ২০ অক্টোবর সোনালী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংক ‘অফিসার-আইটি’ পদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরে অনুষ্ঠিত হয় মৌখিক পরীক্ষা। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সমন্বয়ে প্রণীত প্যানেল হতে ২ ব্যাংকের জন্য ১৫৭ প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করেছে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি।

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে মনোনীত ১২২ জনের তালিকা—১০০৮, ১১২৫, ১১৯৩, ১২২০, ১২৮৩, ১৩১৭, ১৩৭৯, ১৪১৩, ১৪৪৪, ১৫৭৯, ১৫৯২, ১৮০৩, ১৮২৪, ১৯৩৫, ১৯৩৬, ২০৪২, ২০৯৩, ২১০৯, ২১৬১, ২২৯৩, ২৩০১, ২৩৪৪, ২৪৪৫, ২৫৬৬, ২৫৮৪, ২৬০১, ২৬০৪, ২৬১৮, ২৮২৯, ২৯৪৩, ২৯৪৫, ২৯৮৬, ২৯৯১, ৩২৪৪, ৩২৫৬, ৩৪২৩, ৩৪২৮, ৩৫৩০, ৩৫৭৭, ৩৫৯৯, ৩৬৬৬, ৩৮২৪, ৩৮৭৯, ৩৯৬০, ৪১০২, ৪২০২, ৪২১১, ৪৫৬২, ৪৫৮৯, ৪৬৪৫, ৪৬৭৬, ৪৬৮৩, ৪৭৭৮, ৪৮১৩, ৫০১৮, ৫০২৮, ৫০৯৮, ৫২১৬, ৫২৩৬, ৫২৬২, ৫২৭২, ৫২৯২, ৫৩০৫, ৫৩৩৬, ৫৪১৪, ৫৫০১, ৫৫৫১, ৫৬০৫, ৫৬২৭, ৫৭১৪, ৫৭১৯, ৫৭২৯, ৫৭৩৪, ৫৮১৯, ৫৮৯০, ৫৯৫৩, ৬০৬১, ৬০৮৪, ৬১৪২, ৬১৪৪, ৬১৫৬, ৬২১৯, ৬৩১১, ৬৩২২, ৬৩৯৫, ৬৪২৯, ৬৫০৯, ৬৬৩০, ৬৬৫৯, ৬৭০২, ৬৭২৯, ৬৯৫৩, ৬৯৬৮, ৭০০০, ৭১৮২, ৭২০৭, ৭৪১৮, ৭৫১০, ৭৫২৫, ৭৬৬৬, ৭৭১৬, ৭৭৪০, ৭৮৪৬, ৭৯২৫, ৭৯৪৬, ৭৯৬১, ৭৯৭৬, ৮০১৯, ৮০৬৬, ৮০৮৪, ৮০৯৭, ৮১৪৫, ৮২৪৯, ৮৩১৭, ৮৩৮৪, ৮৪০৯, ৮৪৫৩, ৮৪৬৮, ৮৪৭৬, ৮৫৫৭, ৮৬২৬ ও ৮৭৭১।

জনতা ব্যাংক লিমিটেডের মনোনীত ৩৫ জনের তালিকা—১১৪৪, ১৫৩১, ১৫৫৮, ২১৫২, ২২৬১, ২৩১৬, ২৫২০, ২৬১৫, ২৬৮৪, ২৮৮২, ২৯৫০, ৩০৮০, ৩৩১১, ৩৪৪৭, ৪৬৩১, ৪৭৪৭, ৪৯৯১, ৫১২৮, ৫৬৩১, ৫৮১৪, ৫৮১৬, ৫৮৯৩, ৬১৫৩, ৬৪৭৪, ৬৭৩৩, ৭১৬৭, ৭২২১, ৭৬৩৫, ৭৮২৮, ৮১৮৯, ৮২৪৭, ৮২৫৭, ৮৪৩৯, ৮৫৬২ ও ৮৬৮৬।

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির বিজ্ঞপিতে বলা হয়েছে, নিয়োগ–সংক্রান্ত পরবর্তী সব কার্যক্রম সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক সম্পাদিত হবে। প্রকাশিত ফলাফলে কোনো সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দিলে কর্তৃপক্ষ তা সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

করোনার টিকা পেতে নিবন্ধন ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৪


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
সোমবার, ০১ মার্চ, ২০২১, ১১:৫৩
করোনার টিকা পেতে নিবন্ধন ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৪

ফাইল ফটো:

গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকা প্রদানের প্রচারাভিযান শুরু হওয়ার পর এপর্যন্ত মোট ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩ শ’ ২৪ জন নিবন্ধন করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় (ডিজিএইচএস) সূত্র জানায়, সোমবার (১ মার্চ) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত করোনা টিকা গ্রহণে ৪৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩২৪ জন নিবন্ধন করেছেন।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর গতকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ছিল ৩১ লাখ ১০ হাজার ৫২৫ জন। টিকা প্রাপকদের মধ্যে ২০ লাখ ১২ হাজার ১৮১ জন পুরুষ এবং ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৪ জন নারী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জনসাধারণের মাঝে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরা করোনার টিকা পাওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারেন।

ডিজিএইচএস জানায়, ঢাকা শহরের ৫০টি হাসপাতাল এবং রাজধানীর বাইরে ১০০৫টি হাসপাতালে সপ্তাহের শুক্রবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত টিকা প্রদান করা হয়।

তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান কিছু হাসপাতাল সারাদিন টিকা দান কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে। জনসাধারণকে করোনা টিকা পেতে সুরক্ষা ওয়েবসাইটে (www.surokkha.gov.bd) গিয়ে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে।

টিকা সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার জন্য জরুরি হটলাইন নম্বর হল ১৬২৬৩, ৩৩৩ এবং ১০৬৫৫।

সূত্র. বাসস

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম কে আলম

আরও পড়ুন

মামুনুল হক হেফাজতের একজন, তবে মামুনুল হক মানেই হেফাজত নয়


নিউজ ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:০০
মামুনুল হক হেফাজতের একজন, তবে মামুনুল হক মানেই হেফাজত নয়

মারুফ কামাল খান সোহেল

নেতৃত্ব নিয়ে কথা উঠেছে। বিশেষ করে মাওলানা মামুনুল হক এপিসোডের পর। আরও বিশেষ করে বলা যায়, কথা উঠেছে ইসলামি সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব নিয়ে। ইসলামি সংগঠনগুলোতে নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের আস্থা, বিশ্বাস ও আনুগত্য অকুণ্ঠ ও অগাধ। নতুন করে ফের তার প্রমাণ মিলেছে।

আমি হেফাজতের কেউ না হলেও হেফাজতের লাখ লাখ কর্মী-সমর্থক এবং তাদের সততা ও নিষ্ঠাকে সম্মান করি। তাদের অনুভূতিকে আহত করতে চাইনা। আমি মনে করি মামুনুল হক হেফাজতের একজন, তবে মামুনুল হক মানেই হেফাজত নয়। কিন্তু হেফাজতের কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা তাদের 'মামুনুল হুজুর' আর হেফাজতকে একাকার করেই দেখছেন। তার ইজ্জতকে হেফাজতের ইজ্জত হিসেবে দেখেই তারা লড়ে যাচ্ছেন অনলাইন ও অফলাইন, সবখানে। আমি সেই সঙ্গে হেফাজতের কর্মীদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করেছি গভীর কৌতুহল ও অভিনিবেশ সহকারে। আমার মনে হয়েছে, নেতার প্রতি হেফাজত কর্মীদের যে অচলা ভক্তি ও প্রশ্নাতীত আনুগত্য তা অনেকটাই রেজিমেন্টেড সংগঠনের মতন।

মামুনুল হকের রিসোর্ট সংশ্লিষ্ট অঘটন, এরপর ক্রমাগত উদঘাটিত হতে থাকা তথ্য এবং সরকার ও প্রশাসনের পদক্ষেপ আমি পর্যবেক্ষণ করছিলাম। একজন নাগরিক হিসেবে মামুনুল হকের প্রাইভেসি লঙ্ঘন করে তাকে হেনস্তার প্রতিবাদ আমিও লিখে জানিয়েছি।

একথা সত্য যে, বর্তমানে বাংলাদেশে সরকার, প্রশাসন, আইন-শৃঙখলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার প্রতি সাধারণ মানুষের অনাস্থা ও অবিশ্বাস সীমাহীন। হেফাজতের প্রতিবাদ-বিক্ষোভের আবহের মধ্যেই ঘটে মামুনুল হকের রিসোর্ট কাণ্ড। এ ঘটনা চাউর হলে হেফাজত কর্মীরা দ্রুত বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা পুরো বিষয়টিকেই মামুনুল হককে হেয় করে হেফাজতের আন্দোলন দমাতে সরকারের একটি সাজানো-পাতানো চক্রান্ত বলেই ধরে নেন। কিন্তু পরে যখন আরো অনেক কিছু উদঘাটিত হলো এবং মামুনুল হকের নিজের স্বীকারোক্তিতেই তার নৈতিক মান অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়লো, তখনও তার প্রতি হেফাজত কর্মীদের অন্ধ সমর্থন থেকেই আমাদের অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠলো যে, এই আনুগত্য পুরোপুরি ইসলামসম্মত কিনা? সেক্যুলার, বুর্জোয়া ও গণতান্ত্রিক ধারার নেতৃত্বে নৈতিক  প্রসঙ্গটিকে ততোটা গুরুত্ব দেয়া না হলেও ইসলামে নেতৃত্বের নৈতিকতার দিকটিকে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

ইসলাম সম্পর্কে আমার জ্ঞান সীমিত। সেই সীমিত জ্ঞান থেকেই আমি জানি ইসলামে নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য নিঃশর্ত নয়। বিদায় হজের অভিভাষণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করেন, যদি একজন হাবসি ক্রীতদাসও তোমাদের নেতা হন, তবে তাকেও তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মেনে চলবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে সব কিছু আল্লাহ্'র হুকুম ও রাসুলের সুন্নাহ্ অনুযায়ী পরিচালনা করবে।

ইসলামের প্রথম খলিফা আমিরুল মুমেনীন হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রা.) তাঁর অভিষেক উপলক্ষে দেয়া ভাষণে বলেছিলেন- "হে লোকসকল, আমাকে তোমাদের উপর নেতা করে দেওয়া হলেও আমি কিন্তু তোমাদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি নই। সুতরাং যদি আমি সঠিক কাজ করি তবে তোমরা আমাকে সাহায্য করবে, আর যদি ভুল করি তবে আমাকে শুধরে দিবে। সততা একটি পবিত্র আমানত এবং মিথ্যা হচ্ছে বিশ্বাসঘাতকতা। .... যদি কোনো জাতির মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আল্লাহ্ অবশ্যই তাদেরকে পরীক্ষায় ফেলবেন। তোমরা আমাকে ততক্ষণ মেনে চলবে যতক্ষণ আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মেনে চলি। যদি আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে মেনে না চলি, তাহলে আমার প্রতি তোমাদের আনুগত্যের কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না।"

এই দিক-নির্দেশনা থেকে বুঝা যাচ্ছে- ১. নেতার আনুগত্য করতে হবে, তবে দেখতে হবে তিনি আল্লাহ্'র হুকুম ও রাসুলের সুন্নাহ্ অনুযায়ী নিজে চলছেন কিনা এবং সব কিছু পরিচালনা করছেন কিনা। ২. নেতার মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের অহঙ্কার থাকবেনা, তাঁকে বিনয়ী হতে হবে। ৩. নেতাকে সঠিক কাজে সাহায্য করতে হবে। ৪. নেতা ভুল করলে সমালোচনার মাধ্যমে সেই ভুল অনুসারীদেরকেই শোধরাতে হবে। ৫. নেতাকে সততা বজায় রাখতে হবে এবং কখনো মিথ্যার আশ্রয় নেয়া চলবে না। ৬. অশ্লীলতা আল্লাহ্'র পরীক্ষা বা বিপর্যয় নিয়ে আসে। তাই, নেতাকে অশ্লীলতা পরিহার করতে হবে। এবং ৭. নেতা যদি আল্লাহ্ ও রাসুলের (সা.) পথ থেকে বিচ্যুত হন৷ তখন আর তার প্রতি অনুগত থাকার প্রয়োজন নেই। 

প্রতিটি নেতা এবং তার অনুসারীদের এইসব বিষয় ও শর্ত খুবই গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন ও মেনে চলা দরকার। হযরত আবু জর গিফারীর মতন প্রাজ্ঞ, জ্ঞানী ও ত্যাগী সাহাবীরা কিন্তু রাসুল(সা.)-এর কাছ থেকে 'জিন্নুরাইন' বা দু'চোখের মণি খেতাবপ্রাপ্ত আমিরুল মুমেনীন হযরত ওসমান(রা.)-এর পরিচালনা পদ্ধতি ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

লেখক:মারুফ কামাল খান সোহেল
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)/সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - ফটো গ্যালারি

সর্বোচ্চ পঠিত - ফটো গ্যালারি

ফটো গ্যালারি এর সব খবর