a
ছবি: সিফাত, এমএস প্রতিদিন
গতকাল বিকাল ৩ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণফোরামের নেতৃত্বে কারা হেফাজতে মারা যাওয়া লেখক ও সাংবাদিক মুশতাক আহমেদ এবং নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুরতর আহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন ওরফে মোজাক্কির হত্যার বিচার ও ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন বাতিলের দাবিতে যুব গণফোরামের ব্যানারে মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করা হয়।
যুব গণফোরামের ও ঐক্যবদ্ধ ছাত্র সমাজের ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, এডভোকেট হেলাল উদ্দিন, লতিফুল বারী হামিম, নাসির হোসেন, মুহা্ম্মদ উল্লাহ মধু প্রমুখ বক্তব্য দেন।
অপরদিকে, বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের হলরুমে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরামের অপর অংশ সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল আইনের কথা বলে আমাদের যেভাবে বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে তা থেকে মুক্তি দিতে হবে।
ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দলের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান। উপস্থিত ছিলেন আওম শফিকউল্লাহ, মোশতাক আহমেদ, জানে আলম, সুরাইয়া বেগম ও সেলিম আকবার।
উল্লেখ্য, গণফোরামের একটি অংশ ড. কামাল হোসেনকে কেন্দ্র করে এবং অপরটি দলের বৃহৎ অংশটি মন্টু-সুব্রত ও আবু সাইয়িদের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। ইতিপূর্বে দলের মধ্যে বহিষ্কার-পাল্টা বহিষ্কারের ঘটনা ঘটলেও পরবর্তীতে দু'পক্ষের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।
ফাইল ছবি: রবিনের পরিবার
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব) তানভীর আহমেদ রবিনের সন্ধান জানতে ডিবি পুলিশের প্রধান কার্যালয়ে গেছেন পরিবারের সদস্যরা।শনিবার রাত ৪টার দিকে তার পরিবারের সদস্যদের রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিবি পুলিশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে দেখা গেছে।
বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। যেখানে চারজন নারী ও দুজন পুরুষ সদস্য রয়েছেন। এদিকে শনিবার দিনগত রাত তিনটায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন রবিনকে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে।
রিজভী বলেন, তানভীর আহমেদ রবিন শনিবার রাত ১২টার দিকে নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হন। এরপর মোটরসাইকেলে করে নাইটিঙ্গেল মোড়ের দিকে রওয়ানা হন। তখন আগে থেকে কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে অবস্থান করা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে ধাওয়া করে। একপর্যায়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে ঘিরে ফেলে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে শুনেছি।
তিনি বলেন, সেখানে উপস্থিত অনেক লোক এ ঘটনা দেখেছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সেটি নিশ্চিত হয়েছি। কিন্তু ডিবি পুলিশ তা স্বীকার করছে না। তুলে নিয়ে স্বীকার না করার এই ব্যাপারটি মনুষ্যত্বহীন কাজ। অথচ এ কাজটি তারা ধারাবাহিকভাবে করছে।
এসময় রবিনকে অবিলম্বে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান রিজভী। অন্যথায় চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমসহ আরও কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যার পর নয়া পল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এবং আশপাশের এলাকা থেকে দলের ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের অভিযোগ করছে বিএনপি।
নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এই খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন।
এসময় মির্জা আব্বাস দাবি করেন, সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে যারা বের হয়েছে, তাদেরই গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: মুক্তা দাশ
মরণঘাতী সময়
মু্ক্তা দাশ
একটা সময় ছিল
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ ঠিকঠাক মতই হয়তো বুঝতাম ।
দিনে দিনে বয়স বেড়েছে , অনেকগুলো বছরের সীমানা পেরিয়ে এসেছি
এখন বেলা প্রায় শেষ !
সূর্য অস্ত যাবার প্রস্তুতি চলছে দেহের প্রতিটি কোষে কোষে ।
নীড়ের পাখি নীড়হারা হওয়ার ভয়ে মুখ থুবড়ে জবুথবু ,
তবুও কি আকাশে ডানা মেলে না !? মেলে তো ।
উড়ে যায়, উড়ে উড়ে যায় নীলিমায়!
দিনশেষে ঘরে ফিরতেই হয়,, ফিরে আসে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় ! ফিরতে তাকে হয় ই ।
পরিনত সময়ের নিয়মে এখন বুঝে উঠতে খুব কষ্ট হয়
কোনটা সুখ আর কোনটা অসুখ !?
ঝাপসা চোখে সুখে অসুখ খুঁজে পাই , আর
অসুখে কেবলি সুখ হাতড়ে বেড়াই ।
যোগ বিয়োগের নিয়মগুলো বেমালুম পাল্টে গেছে !
শরৎবাবু বেঁচে থাকলে , দেবদাস আর পার্বতীকে
সময়ের ছাঁচে নতুন ভার্চুয়াল রূপে সাজাতো।
নতুন আয়নায় আমি কেবলি সেকেলে আমাকে দেখি ,
লালন করি সময় অনুপযোগী অনুভব!
অনুভূতিগুলো কেমন ভোঁতা হয়ে গেছে ,
পোড় খেতে খেতে পুড়তেই ভালোবাসে, স্বেচ্ছায় ।
পোড়া মনে পুড়তেও যে সুখ আছে ..!
মরণঘাতী অসুখে ই চরম সুখ ।
ক'জন ই বা পায় এমন সুখ ।।