a
ফাইল ছবি
বিএনপির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুষ্ঠু নির্বাচন দাবির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্র হত্যাকারী বিএনপি আজ সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে, যা শুনে ঘোড়াও ডিম পাড়ে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রোববার তিনি এ কথা বলেন।
কাদের বলেন, দেশবাসী ভুলে যায়নি, ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই)-এর গবেষণা ও তদন্তে বিএনপির ১ কোটি ২০ লক্ষ ভুয়া ভোটার সৃষ্টির জালিয়াতি উন্মোচিত হয়।
বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে কলুষিত করেছে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা জনগণের আন্দোলনের মুখে ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করতে বাধ্য হয়। বিএনপি বরাবরই হত্যা-কু-ষড়যন্ত্র ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছে। তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির অন্তরালে বিএনপি পুনরায় হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
জনগণের রায় ছাড়া আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের রায় ছাড়া আওয়ামী লীগ কখনো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বদ্ধপরিকর।
বাংলাদেশের নির্বাচন, গণতন্ত্র ও রাজনীতির গতিপথ কোনো বিদেশি শক্তির ইচ্ছায় নির্ধারিত হবে না; একইভাবে দেশবিরোধী কোনো অপশক্তির সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির হুমকির মুখে বিচ্যুতি হবেনা। সূত্র: যুগান্তর
ছবি: সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের উত্তরাঞ্চলের ৯টি জেলা সফর করবেন। আগামী রোববার (১১ জানুয়ারি) এই সফর শুরু হবে এবং শেষ হবে ১৪ জানুয়ারি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চূড়ান্ত সময়সূচি অনুযায়ী, তারেক রহমান ১১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া সফর করবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করে পরের দিন রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন।
১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাটে যাবেন এবং রাত্রিযাপনের জন্য রংপুরে ফিরে আসবেন। ১৪ জানুয়ারি তিনি রংপুর থেকে বগুড়া হয়ে ঢাকায় ফিরে তার সফর শেষ করবেন।
এই সফরের মধ্যে রয়েছে- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ, তৈয়বা মজুমদারসহ নিহত জুলাই যোদ্ধা ও দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল। আহত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ।
সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারদের উদ্দেশে দেওয়া এক চিঠিতে বলা হয়, সফরটি মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।
এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জারি করা আচরণবিধি কোনোক্রমেই লঙ্ঘন করা হবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ সব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে চিঠিতে। সূত্র: ইত্তেফাক
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী অনুষ্ঠানের কিছু উল্লেখযোগ্য ছবি
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইবনে সিনা মডেল স্কুলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
করোনা বিবেচনায় শিক্ষার্থী শূণ্য স্কুলে শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করে স্ট্যান্ডার্ড ফোর-এর ছাত্র এ.এন.এম শাফকাত আলম ইশমাম। স্বাগত বক্তব্য পেশ করেন সম্মানিত ভাইস প্রিন্সিপাল জনাব ফেরদৌসী বেগম।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র শিক্ষক মিসেস মিলিয়া জাহান। কবিতা আবৃত্তি করেন মিসেস রাজিয়া সুলতানা এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন মিসেস সেলিনা ও মিসেস রাজিয়া সুলতানা।
এরপর শিক্ষকদের মাঝে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন জনাব মো: মোস্তাফিজুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন মিসেস হাসনা বেগম এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন মিসেস আফরোজা সুলতানা রুমি।
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে রচিত বই থেকে পাঠ করেন শোনান সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপাল মিসেস রওশন আকতার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিসেস তাজরীনা আক্তার জলি।
সমাপনী বক্তব্য পেশ করেন ইবনে সিনা মডেল স্কুলের প্রিন্সিপাল জনাব এ. কে. এম আনিসুজ্জামান রাসেল।