a রোজিনার সাথে যে আচরণ করা হয়েছে স্বাধীন সংবাদ প্রচারে প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ: ফখরুল
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

রোজিনার সাথে যে আচরণ করা হয়েছে স্বাধীন সংবাদ প্রচারে প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ: ফখরুল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১, ১০:৩৬
রোজিনার সাথে যে আচরণ করা হয়েছে স্বাধীন সংবাদ প্রচারে প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ: ফখরুল

ফাইল ছবি

 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল সোমবার (১৭ মে) রাতে এক বিবৃতিতে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে ৫ ঘন্টা আটক ও পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর এবং সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে জিডি করার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবী করেছেন।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ন্যাক্কার জনক ঘটনায় প্রমান হয়, বাংলাদেশে এখন স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং তথ্য পাবার কোনো সুযোগ নাই।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রোজিনা ইসলাম একজন সিনিয়র সাংবাদিক। তাঁর অনেক অনুসন্ধানী ও সাহসী রিপোর্টে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনেক বড় বড় দুর্নীতির খবর জনগণ জানতে পেরেছে। সেজন্য সরকার তাঁর ওপর নজরদারি করছিল বলেই মনে হয়।

পেশাগত কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে একা পেয়ে তাঁকে অন্যায়ভাবে দীর্ঘ ৫ ঘন্টা আটকে রেখে তার ওপর মানসিক নির্যাতন চালালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ডেকে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এ ঘটনা তুচ্ছ বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, কর্তৃত্ববাদী শাসনে সাংবাদিক দলন এবং সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির সংবাদ প্রচারে অব্যাহত প্রতিবন্ধকতার একটি উদাহরণ। রোজিনা ইসলামের মতো সাহসী এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা যাতে আর সরকারের দুর্ণীতি, লুটপাট, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতার সংবাদ প্রকাশ করতে না পারে, এ ঘটনার মাধ্যমে তাদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে বলে মনে হয়।

বিবৃতিতে মীর্জা ফখরুল রোজিনা ইসলামকে মুক্তি, তাঁর বিরুদ্ধে করা জিডি প্রত্যাহার ও তাঁকে আটকে রাখার সাথে জড়িতদের বিচার এবং সাংবাদিক দলন-নিপীড়ন বন্ধ করে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সঠিক তথ্য পাবার অধিকারে সরকারী হস্তক্ষেপ বন্ধের জোর দাবী জানান।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

জনগণকে বিভ্রান্ত করছে সরকার: মির্জা ফখরুল


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১২ মে, ২০২১, ০৫:০৩
জনগণকে বিভ্রান্ত করছে সরকার মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । ফাইল ছবি

 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো জটিল বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ অবস্থায় তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে না দেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, অমানবিক। এটা নিয়ে সরকার রাজনীতি করছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এবং তার বিদেশ যাওয়া নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে দলের অবস্থান ব্যাখা করতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের ঘোষিত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, সরকার বলছে- অনুমতি দিতে পারছে না। এজন্য যে যুক্তিগুলো দেয়া হয়েছে তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য, খোঁড়া যুক্তি। ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।

সাজাপ্রাপ্তদের বিদেশে চিকিৎসার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবকে এই আইনে মুক্তি দিয়ে চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিলো। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে সাজাপ্রাপ্ত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছিলো। অত্যন্ত উচ্চপদস্থ প্রভাবশালী সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই সহোদর ভাই ৪০১ ধারায় ক্ষমা করে বাইরে পাঠানো হয়েছিলো। সুতরাং কেনো এই সমস্ত খোঁড়া যুক্তি? সোজা বলেন যে, আমরা খালেদা জিয়াকে যেতে দেবো না।

উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের আবেদনের কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আবেদন করার পরপর সরকার এমনভাবে কথা বলল এবং জনগণসহ সকলেই মনে করেছিলো- অনুমতি দিয়ে দেবে। একজন অসুস্থ মানুষের সঙ্গে কেউ রাজনীতি করবে না বলেই সবাই বিশ্বাস করেছিলো জনগন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে হঠাৎ করে সরকারের সুর বদলে গেল। তারা বলে দিল যে, আমরা দিতে পারছি না।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনি মিসাইলে পাঁচ মিনিটেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে ইসরায়েল!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ০১:৫৭
ফিলিস্তিনি মিসাইলে পাঁচ মিনিটেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে ইসরায়েল!

ফাইল ছবি

ফিলিস্তিনের মিসাইল হামলায় মাত্র পাঁচ মিনিটে ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যদি প্রতিরোধ আন্দোলনের নতুন করে সংঘাত শুরু হয় তাহলে ফিলিস্তিনিদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কয়েক মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যাবে।

রবিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তৃতায় ইসমাইল হানিয়া এসব কথা বলেন। এসময় ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েকটি আরব দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের কঠোর নিন্দা করেন।

হামাস নেতা বলেন, “৭৪ বছর আগে থেকেই লেবানন সম্পূর্ণভাবে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। এখন আমরা আল-আকসা মসজিদের মুক্তি আসন্ন মনে করি কারণ আমরা এখন বিজয় এবং উন্নয়নের যুগে অবস্থান করছি। এই উন্নয়ন এবং বিজয়ের বিষয়টি আমাদের জনগণ নির্ধারণ করবে।”

তিনি বলেন, গাজা উপত্যকা ইসরায়েলের জল, স্থল এবং আকাশ পথের অবরোধের আওতায় রয়েছে। কিন্তু তারপরও অপারেশন আল-কুদস সোর্ড নামে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে গাজাবাসী। যার অর্থ হচ্ছে, ইসরাইয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাজা। অপারেশন আল-কুদস সোর্ডে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

হামাস নেতা বলেন, ভবিষ্যতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ফিলিস্তিনের ১৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলকে পাঁচ মিনিটেই ধ্বংস করে ফেলবে।

তিনি আরও বলেন, দখলদার ইসরায়েল সরকার এবং অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের আল-আকসা ও আল-কুদসে কোথাও ঠাঁই নেই। সূত্র: প্রেসটিভি/বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - রাজনীতি