a
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, সরকার লকডাউনকে কেন্দ্র করে ক্র্যাকডাউনে নেমেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ক্রাকডাউনে নেমে তারা আমাদের দলের ও অংগ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে যাচ্ছে।
সরকার লকডাউনের সুযোগ নিয়ে ভয়াবহ করোনা ও রমজানে গ্রাম-শহর, পাড়া-মহল্লায় বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের সর্বত্রে আতঙ্ক ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কেউ যাতে টু শব্দ করতে না পারে, সেজন্যই রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্বিচারে ধরে নিয়েছে যাচ্ছে। সরকার নির্যাতন-নিপীড়ন, গুম-খুন ইত্যাদি অপকর্মের মাধ্যমে দেশকে এক ভয়াবহ অরাজকতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ফাইল ছবি
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, ‘আমাদের আন্দোলন জনগণের মানবাধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার, ন্যায়বিচারের অধিকার এবং সর্বোপরি ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য। আমরা মানুষকে স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তি দিতে চেষ্টা করছি। দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য, দেশকে প্রকৃত অর্থে স্বৈরাচারমুক্ত করার জন্য অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছি।’
শুক্রবার বাদ জুমা এলডিপি কার্যালয়ে ২৮ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী নিহত ও আহত হয়েছেন এবং আন্দোলনরত যেসব গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত হয়েছেন তাদের জন্য দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, ‘বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার গণতন্ত্রকে পদদলিত করেছে। ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারকে নির্বাসিত করেছে। জনগণকে জানোয়ার হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দেশের অর্থনীতিকে ভয়ংকর পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে। বিরোধী দলের লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা, গায়েবি মামলা দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত দিচ্ছে’।
এলডিপির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহে আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি নূরুল আলম তালুকদার, ডক্টর নেয়ামূল বশির, ডক্টর আওরঙ্গজেব বেলাল, অ্যাডভোকেট এসএম মোরশেদ, অধ্যক্ষ সাকলায়েন, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন প্রমুখ।
ফাইল ছবি : সালমান রুশদি
যুক্তরাষ্ট্রে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত বিতর্কিত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক সালমান রুশদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন তিনি। খবর আলজাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭৫ বছর বয়সি ভারতীয় বংশোদ্ভুত বৃটিশ-অ্যামেরিকান লেখক সালমান রুশদির ওপর হামলার অভিযোগে আটক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে পুলিশ। ২৪ বছর বয়সী হাদি মাতার নিউ জার্সির বাসিন্দা। হামলাকারীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমান রুশদি ভেন্টিলেটরে আছেন। কথা বলতে পারছেন না এবং একটি চোখ হারাতে পারেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রুশদির এজেন্ট অ্যান্ড্রু ওয়াইলি বলেন, খবর ভালো নয়। সালমান বেঁচে গেলেও, ইতিমধ্যে এক চোখ হারিয়েছেন সালমান। মারাত্মক জখম হয়েছে তার লিভার। ক্ষতিগ্রস্ত হাতের শিরাগুলো।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার সাহিত্য বিষয়ক এক অনুষ্ঠানের মঞ্চে হামলার শিকার হন তিনি। গলা ও তলপেটে উপর্যপুরি ছুরি মারা হয়েছে তাকে।
উল্লেখ্য, ৮০’র দশকে বিতর্কিত উপন্যাস ‘স্যাটানিক ভার্সেস’র জন্য মুসলিম বিশ্বে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। এমনকি, তাকে হত্যার জন্য ফতোয়া ও ৩ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারও ঘোষণা করেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন