a
সংগৃহীত ছবি
সৌদি আরবে ঈদুল আজহা ২০ জুলাই পালিত হবে। শুক্রবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ঈদুল আজহা পালনের এই তারিখ ঘোষণা করেছে। খবর গালফ নিউজের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসেবে আগামী রবিবার শুরু হবে জিলহজ মাস। আর দেশটিতে ঈদুল আজহা পালিত হবে আগামী ২০ জুলাই অর্থাৎ জিলহজ মাসের দশম দিন। আগের দিন ১৯ জুলাই হবে আরাফাতের দিন।
উল্লেখ্য, মুসলমানরা প্রতি বছর জিলহজ মাসে হজ পালন করে থাকেন। এর অংশ হিসেবে এই মাসের দশম দিন ঈদুল আজহা পালিত হয়ে থাকে।
ফাইল ছবি: ঈদুল আজহার নামাজে প্রস্তুতি নিচ্ছেন মুসুল্লিরা
যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সোমবার (১৭ জুন) সারাদেশে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদের জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ অনুয়ায়ী পশু কোরবানি করেছেন।
নামাজ শেষে মুসল্লিদের অনেকেই কবরস্থানে ছুটে যান। স্বজনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে অশ্রুসজল চোখে এই আনন্দের দিনে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।
ঈদুল-আজহা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এবার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭টায়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান ঈদ জামাতে অংশ নেন। এই জামাতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ভোর থেকেই প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করার জন্য মুসল্লিদের ঢল নামে। সকাল সাড়ে ৭টার আগেই জাতীয় ঈদগা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাসহ দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমানদের জন্য এই জামাতে মুসল্লীরা দোয়া করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি সকলের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের দখলদারিত্বের শাসনব্যবস্থা ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃ*ত্যু অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের শীর্ষ এক জেনারেল।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শত্রুরা আর কোনও ভুল করলে তাদের সব স্বার্থ ও ঘাঁটি আরও বড় বিপদের মুখে পড়বে।
তেহরানে শহীদ ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ হোসেইন বাকেরির স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি বলেন, সাম্প্রতিক ইরানের বিরুদ্ধে ইসরা*য়েল ও যুক্ত*রাষ্ট্রের আগ্রাসন তাদের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা জেনারেল সাফাভি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ ‘ইহু*দিবাদীদের মৃ*ত্যুর চক্রকে’ ত্বরান্বিত করেছে।
তিনি বলেন, “ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থা এবং নেতানিয়াহুর পত*ন এখন সময়ের ব্যাপার।”
তিনি আরও জানান, শত্রুর অনুরোধে সাময়িক যুদ্ধবিরতি যুদ্ধ থামালেও ইরান শত্রুদের স্বার্থ, কাঠামো, ঘাঁটি এবং তাদের অঞ্চলের বাহিনী সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখে।
জেনারেল সাফাভি বলেন, ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর ক্ষমতা মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে গেছে এবং শত্রুদের সব ঘাঁটি ইরানের হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্রের টার্গেট ডাটাব্যাংকে রয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শত্রুরা আর কোনও ভুল করলে তাদের সব স্বার্থ ও ঘাঁটি আরও বড় হুমকির মধ্যে পড়বে এবং ইরান আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে। সূত্র: মেহের নিউজ