a
ফাইল ছবি
আজ থেকে যাত্রীদের ট্রেনের টিকেট কাটতে লাগবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ। রেলের কর্মকর্তারা পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিনের মাধ্যমে টিকিট যাচাই করবেন।কেউ অন্যের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ দিয়ে টিকিট কেটে ভ্রমণ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানানো হয়। এ ব্যবস্থায় বিদেশি নাগরিকদের ট্রেনে ভ্রমণে পাসপোর্ট দেখিয়ে টিকিট নিতে হবে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ যাচাইয়ের মাধ্যমে আন্তনগর ট্রেনের টিকিট কাটতে হবে এবং এই ব্যবস্থাকে ‘টিকিট যার ভ্রমণ তার’ বলছে রেলওয়ে। টিকিট কালোবাজারি বন্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সরকারি উদ্যোগের অংশ এটি। আজ সকাল সাড়ে আটটায় কমলাপুর রেলস্টেশনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম।
তবে এর মাধ্যমে অনেক যাত্রীই ট্রেনে চড়তে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। কিছু রেলের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ব্যবস্থায় যাত্রীদের হয়রানি ও কষ্ট বাড়বে। কারণ, এই ব্যবস্থায় টিকিট কাটতে হলে ১২ বছরের বেশি বয়সী দেশের জনসংখ্যার সবাইকে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটতে হলে অন্তত একটি ই-মেইল আইডি লাগবে। কারণ, ই-মেইল আইডি দিয়ে সাইন আপ ছাড়া নিবন্ধন কিংবা টিকিট কাটা যাবে না। আর যাঁরা কাউন্টার থেকে টিকিট কাটবেন, তাঁদেরও আগে থেকে নিবন্ধন থাকতে হবে। এই বিবেচনায় দেশের একটা বড় জনগোষ্ঠী টিকিট কাটার সুযোগই পাবে না।
এই পদ্ধতি চালু হলে অনেক যাত্রীই ট্রেনে চড়তে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন।
এদিকে নতুন পদ্ধতি চালু হওয়ার খবরে অনলাইন ও কাউন্টারে রেলের অগ্রিম টিকিট নেওয়ার হিড়িক পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার আগামী কয়েক দিনের কোনো টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া আগামী শনিবার পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট গতকাল বিক্রি হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত যেসব যাত্রী টিকিট নিয়েছেন, তাঁদের ওপর আগামী চার দিনের ক্ষেত্রে নতুন পদ্ধতি কার্যকর করা সম্ভব নয়। নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হতে শনিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই পদ্ধতি কার্যকর করা কঠিন হবে। কারণ, আন্তজেলা পর্যায়ে অনেক যাত্রী টিকিটই কাটেন না। আর ট্রেনে পরীক্ষা করার মতো লোকবল নেই। আগের মতো টিটিইদের বাড়তি আয়ের পথ তৈরি হবে।
যাত্রীরা এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্টের মাধ্যমে নতুন ব্যবস্থায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। দেশের বিভাগীয় শহরের রেলস্টেশন ও আন্তনগর ট্রেনের প্রারম্ভিক স্টেশনগুলোতে সর্বসাধারণের নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য একটি করে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।সূত্র: প্রথম আলো
সংগৃহীত ছবি
করোনার সংক্রমণ রোধে ৭ জেলায় লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে আগামী ৩০ জুন (বুধবার) রাত ১২টা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। এ সময় লকডাউন ঘোষিত সাতটি জেলায় ট্রেন থামবে না। ফলে কোনো যাত্রী উঠা-নামা করতে পারবেন না।
সোমবার সন্ধ্যায় রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন এ কথা জানান।
তিনি বলেন, এ সব জেলার কোনো যাত্রী ট্রেনে উঠতে পারবেন না এবং কোনো যাত্রী ট্রেন থেকে নামতেও পারবেন না।
নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ি, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ।
এদিকে এক ঘোষণায় বিআইডব্লিউটিএ জানায়, এ সাত জেলায় যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলও বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও মাওয়া-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকবে। ফেরিতে শুধু মালবাহী গাড়ি পারাপার হতে পারবে। এই সাত জেলায় সরকারি-বেসরকারি-আধা সরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে তৈরি পোশাক কারখানা খোলা থাকবে।
মার্জিনা চৌধুরী
নিভৃতে দায়ভার
দু'দিনে একটা কুকুরের প্রতি
যেটুকু মায়া জন্মায়,
যুগের তৃতীয় মাত্রাতেও
সেটুকু সম্মান দাওনি আমায়!
সারাদিন যাতনার মালা গাঁথি
কি রেখেছ বলো অধিকারের গহিনে,
প্রহারে উদ্যত তুমি
উজার করেই মেরেছ লৌহ কঠিনে।
জখমের শরীর বিছানায় ঢলে
জহুরি চোখে অশ্রু মমতায় ঝরে,
ঘরের এক কোণে পরে থাকি
আলোর কিনারা খুঁজি নিরেট অন্ধকারে!
সব আদর ছাড়ি এসেছিলাম
ভালোবাসায় ভরসার হাত ধরে,
কি দিয়েছ বলো
এই বউ নামের আমারে ?
সমাজ সংস্কৃতি বিনোদন ডেস্ক
মিনতির মতন ক্ষয়ে ক্ষয়ে বয়ে যায়,
খর রোদ্দুর জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি
অধিকার বৈচিত্রে আমারে হারায়!
সুখের লাগি পরাণ কাঁন্দে
অবান্তর আমি প্রশ্ন রাখি বায়ে,
সেলাই করি হৃৎপিণ্ড
চারিপাশের অন্ধকার কুড়ায়ে!
দিয়েই গেছি নিতে শিখিনি
আমি অর্বাচীন নিভৃতেই দায়ভার,
আমার আমি বিচ্ছিন্ন পৃথিবীতে
কোথাও কেউ নেই এই পৃথিবীতে আমার!