a ট্রেনে-স্টেশনে-প্ল্যাটফর্মে ধূমপান করলে শাস্তি: রেলমন্ত্রী
ঢাকা সোমবার, ২২ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ট্রেনে-স্টেশনে-প্ল্যাটফর্মে ধূমপান করলে শাস্তি: রেলমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ০৯ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৯:১৩
ট্রেনে-স্টেশনে-প্ল্যাটফর্মে ধূমপান করলে শাস্তি: রেলমন্ত্রী

ফাইল ছবি

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, রেলওয়ে স্টেশন, প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের ভেতরসহ রেল স্থাপনায় ধূমপান ও তামাকমুক্ত এলাকা হিসেবে থাকবে। কেউ এসব আইন অমান্য করে ধূমপান বা তামাক গ্রহণ করলে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আজ বুধবার রেল ভবনে ‘ইনিশিয়েটিভ টু মেক বাংলাদেশ রেলওয়ে টোব্যাকো ফ্রি’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু আইন বা প্রচারণা বাড়িয়ে এটি বন্ধ করা সম্ভব নয়, যদি তামাকের উৎস বন্ধ করা না যায়। রেলওয়েতে প্রকাশ্যে ধূমপান করা নিষেধ। ট্রেনে যাত্রী যাতে তামাকজাতীয় দ্রব্য নিয়ে ভ্রমণ করতে না পারে সেজন্য উদ্যোগ নিতে হবে। মাঠ পর্যায়ে পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এটি কার্যকর করা হবে।’

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্য ইউনিয়নের অর্থায়নে রেলপথ মন্ত্রণালয় উল্লিখিত প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর উদ্দেশ্য হলো- শিশু, নারী, অসুস্থ ব্যক্তিসহ অধূমপায়ী যাত্রীদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা প্রদান। পানের পিকমুক্ত স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতে রেলস্টেশন ও ট্রেনের ভেতর পান-জর্দা বা সাদাপাতার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।

রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানষ) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক অরূপ রতন চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাদক অনুবিভাগ) ইসরাত চৌধুরী প্রমুখ।

প্রকল্পের কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রিসোর্সপারসন হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি প্রকল্প পরিচালক গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের


খোরশেদ আলম: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ১১:২৯
রাইদা পরিবহনের দুই বাসের অসম প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কাটলো এক চালকের

ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকার নর্দায় রাইদা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে প্রতিযোগিতায় আঙ্গুল কেটে ঝুলে পড়েছে এক চালকের। গতকাল রবিবার (২৬ জুন) রাত ১০ টার দিকে বাস দুটি একটি আরেকটিকে ওভারটেক করতে গেলে বামপাশে থাকা বাস চালকের আঙ্গুল কেটে যায়।

যাত্রীরা চালকের হাতে কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এবং চালকের আসনে হেলপার বসে গাড়ি য়াত্রীশুন্য করে গন্তব্যে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বাসযাত্রীরা ক্ষুব্ধ হলেও পরে যে যার মতো চলে যায়। কারণ তারা এসব নিত্যদিনের ঘটনা নিজেদের প্রায় মানিয়েই নিয়েছে।
 
উল্লেখ্য, রাজধানী ভেতর দিয়ে চলাচলকারী রাইদা বাস দিয়াবাড়ি টু পোস্তগোলা রোডে চলাচল করে। এই বাস সার্ভিস চালুর পর এই রাস্তায় চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে অনেক আনন্দ ছিল। কারণ এদের স্টাফগুলো অন্যান্য গাড়ির তুলনায় ভাল ও দক্ষ ছিল। কিন্তু দুই এক বছর পার হতো না হতে এদের পরিবহন সেবা অনেক বাজে হয়ে গেছে। একই রোডে চলাচলকারী তুরাগ বাসের চেয়েও এতের সার্ভিস খারাপ হয়ে গেছে।

রাইদা বাস সার্ভিস চালুর পর স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা এবং মহিলাশিক্ষক রিকসা না গিয়ে এই বাসে চলাচল করতেন। তারা খরচের পাশাপাশি এই বাসে চলাচলে নিজেদের নিরাপদ মনে  করতেন। কিন্তু এখন তারা আগের মতো ভরসা পাননা। কারণ অন্যান্য সমস্যাগুলো তো আছেই, তারপর এরা পেসেঞ্জার তোলার সময় অনেক সময় নিয়ে তুললেও বাসস্টপে নামার সময় নামতে না দিয়েই দ্রুত প্রস্থান করতে গিয়ে অনেকে পড়ে গিয়ে মারাত্বক দুর্ঘটনা ঘটে।

বিশেষ করে কোন একটা বাস স্টপে অনেক সময় ধরে বসে থাকলেও পেছন থেকে একই লাইনের গাড়ি ওভারটেক করতে গেলে নিজেদের মাঝে প্রায় যুদ্ধ লেগে যায়। সামনে-সাইডে কোন লোক বা রিকসা থাকলেও সেগুলো তোয়াক্কা না করে অনেক সময় ধাক্কা দিয়েই পার হতে গিয়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে।

এসব দূর্ঘটনায় যাত্রীদের সহযোগিতায় এদের পুলিশে সোপর্দ করলেও আইনের ফাঁক-ফোকরে এরা পার পেয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে। বেপরোয়া এসব চালকদের জন্য যাত্রীদের প্রায়ই ভোগান্তির শিকার হতে হয় এবং এমন ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও নেহায়েত কম নয়!

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ঢাকায় যে পরিমাণ টাকা আছে সারাদেশে তা নেই


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ০৫ মে, ২০১৯, ০২:২৮
ঢাকায় যে পরিমাণ টাকা আছে সারাদেশে তা নেই

ঢাকা জেলায় যে পরিমাণ টাকা আছে, সারা দেশ মিলিয়েও তা নেই। আবার ঋণ ও আমানতের পরিমাণের দিক দিয়ে সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল। রংপুরের মানুষেরা ব্যাংকে যতটুকু আমানত রেখেছে, তার চেয়ে তাদের ঋণ বেশি। এ হিসাব বাংলাদেশ ব্যাংকের।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ব্যাংকগুলোর ঋণ ও আমানতের অঞ্চলভিত্তিক একটি চিত্র তুলে ধরে। দেখা যায়, দারিদ্র্যপ্রবণ বিভাগ রংপুরে মানুষের মাথাপিছু আমানত সবচেয়ে কম। মাথাপিছু আমানত বেশি ঢাকায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে গত বছরের সেপ্টেম্বরে দেশের ব্যাংকগুলোতে আমানত ছিল প্রায় ১০ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। পাঁচ বছর আগে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আমানতের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকা। বাজারে ব্যাংকের দেওয়া ঋণের পরিমাণ ৮ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা, যা পাঁচ বছর আগের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।

কোন বিভাগে কত
বিভাগ হিসেবে আমানত ও ঋণ ঢাকায় বেশি। ঢাকা বিভাগের ব্যাংকের শাখাগুলোতে মোট আমানত এসেছে ৬ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬১ শতাংশ।

এর পরে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আমানতের প্রায় ২২ শতাংশ। আমানতের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে রয়েছে খুলনা। ওই বিভাগে আমানতের পরিমাণ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া সিলেটে ৪২ হাজার কোটি, রাজশাহীতে ৪০ হাজার কোটি, রংপুরে ২০ হাজার কোটি, বরিশালে সাড়ে ১৯ হাজার কোটি ও ময়মনসিংহে ১৫ হাজার কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

আরো পড়ুন: হার্ট অ্যাটাক করে হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ গাঙ্গুলি

ঋণ বিতরণের দিক দিয়েও ঢাকা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে। এই বিভাগে দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থার মোট ঋণের ৬৭ শতাংশ বিতরণ করা হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা ৫ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা।

চট্টগ্রামে ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ১৯ শতাংশ। ঋণ বিতরণে এর পরে রয়েছে খুলনা, পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া রাজশাহীতে প্রায় ৩৩ হাজার কোটি, রংপুরে ২০ হাজার কোটি, ময়মনসিংহে ১২ হাজার কোটি, সিলেটে ১০ হাজার কোটি ও বরিশালে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

মাথাপিছু আমানতে পিছিয়ে রংপুর

বিভাগের আকার ও জনসংখ্যার কারণে পরিমাণগত দিক বিবেচনায় সঠিক চিত্র না-ও পাওয়া যেতে পারে। মাথাপিছু হিসাবই আসল চিত্র দেয়। সেদিক দিয়েও এগিয়ে ঢাকা। এই বিভাগে মানুষের মাথাপিছু আমানতের পরিমাণ দেড় লাখ টাকার মতো।

চট্টগ্রামে এর পরিমাণ ৭০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিলেটে মাথাপিছু আমানত ৩৭ হাজার, খুলনায় ২৪ হাজার, বরিশালে ২১ হাজার, রাজশাহীতে ১৯ হাজার, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ও রংপুরে ১১ হাজার টাকার কিছু কম।

মাথাপিছু ঋণও ঢাকায় বেশি। এই বিভাগে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকার মতো। চট্টগ্রামে মাথাপিছু ঋণ ৪৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া খুলনায় ১৯ হাজার, রাজশাহীতে ১৫ হাজার, রংপুরে ১১ হাজার, ময়মনসিংহে ১০ হাজার, বরিশালে ৯ হাজার ৭০০ ও সিলেটে ৯ হাজার টাকার মাথাপিছু ঋণ রয়েছে।

ব্যবসা-বাণিজ্য ঢাকাকেন্দ্রিক

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলায় কলকারখানা ও ব্যবসা করলেও ঋণ নিয়েছেন রাজধানীর ব্যাংকের শাখাগুলো থেকেই। বেশির ভাগ চাকরিজীবী ঢাকায় অবস্থান করায় আমানতও এখানেই বেশি জমা পড়ছে।

এ জন্যই ঢাকায় বড় বড় করপোরেট শাখা খুলেছে ব্যাংকগুলো। আর এলাকার চেয়ে ঢাকার শাখাগুলোতে মিলছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা।

এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও আমানত ও ঋণ সেভাবে নেই। গত পাঁচ বছরে ঋণও সেভাবে বাড়েনি। চট্টগ্রাম বিভাগের ২ লাখ ২৭ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা আমানতের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার আমানতই ১ লাখ ৫১ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।

আর বিভাগের ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা ঋণের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ কোটি টাকা ঋণই চট্টগ্রাম জেলায়। ২০১৩ সালে শুধু চট্টগ্রাম জেলায় আমানত ও ঋণ ছিল যথাক্রমে ৭৭ হাজার ৯৫৩ কোটি ও ৭৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা।

চট্টগ্রামে কর্মরত ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, বড় ব্যবসায়ীদের বড় অংশই ঢাকার প্রধান শাখা বা করপোরেট শাখার সঙ্গে লেনদেন করে। তাই ঋণও ওই শাখায়।

আর চট্টগ্রামের সব শাখার ঋণ দেওয়ার সীমাও বেশি নয়। চট্টগ্রামে যা ঋণ রয়েছে, তার বড় অংশই আবার খাতুনগঞ্জ, আগ্রাবাদ শাখায়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - ভ্রমন

সর্বোচ্চ পঠিত - ভ্রমন

ভ্রমন এর সব খবর