a
ফাইল ছবি
বাংলাদেশের উত্তর, পশ্চিম, দক্ষিণ, পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস থাকায় এসব অঞ্চলের নদীবন্দগুলোকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আজ (৯ মে) সন্ধ্যায় এক পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানায় আবহাওয়া অফিস।
এতে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে অস্থায়ীভাবে ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টিপাত হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বয়ে যেতে পারে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হাওয়া। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে সমুদ্রবন্দরে কোনো সতর্কতা দেখানো হয়নি।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী সোমবার (১০ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আগামী মঙ্গলবার (১১ মে) নাগাদ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
ফাইল ছবি
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে এ সতর্কতা দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ভারতের ছত্তীসগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে লঘুচাপ আকারে ভারতের মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। ফলে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের কাছাকাছি দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চলের নদ-নদীর পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২-৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি সংগৃহীত
সাইফুল আলম, ঢাকা: বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা আঁখি চৌধুরীর জন্মদিন পালিত হলো আনন্দ ও উৎসবের মধ্য দিয়ে। আজ লাবণ্য মিডিয়া হাউজের প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানে কেক কেটে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন লাবণ্য মিডিয়া হাউজের কর্ণধার, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মোঃ হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী, যিনি অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও নাট্যকার হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে সুপরিচিত।
চলচ্চিত্র ও নাটকে উজ্জ্বল উপস্থিতি:
আঁখি চৌধুরী মোহানা টেলিভিশন প্রযোজিত দেবাশীষ সরকার পরিচালিত - 'রুখে দাঁড়াও', সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন। এরপর তিনি রিয়াজুল রিজুর 'প্রেমের কবিতা', ডায়েল রহমানের 'শাহাজাদা' এবং আনোয়ার সিরাজীর 'ক্যামেরা' সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেন। তাঁর অভিনীত শতাধিক নাটকের মধ্যে 'বয়রা শশুর', 'প্রবাসীর বউ', 'গরীবের ভাই', 'ভাইয়ের ঋণ', 'শশুরবাড়ীর তালাক' এবং 'গার্লফ্রেন্ডের বাইক' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব নাটকে তাঁর স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত অভিনয় তাঁকে করে তোলে হৃদয়ের কাছাকাছি।
আগামী প্রজেক্ট নিয়ে উৎসাহ: লাবণ্য মিডিয়া হাউজ প্রযোজিত নতুন ধারাবাহিক নাটক 'ঘরের শত্রু বিবিজান'-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন আঁখি। ইতিমধ্যেই তিনি এই নাটকের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যা তাঁর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়ার আহ্বান: জন্মদিনের বিশেষ মুহূর্তে আঁখি চৌধুরী দেশবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, "আমার জন্মদিনে সবাইকে ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে এত ভালোবাসা দিয়েছেন। আপনারাই আমার শক্তি। দোয়া করবেন, যেন আমি আরও ভালো কাজ করতে পারি এবং আপনাদের ভালোবাসা পেয়ে যেতে থাকি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জন্মদিনের শুভেচ্ছা:
আঁখির জন্মদিন উপলক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভক্তরা ব্যাপক শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। #HappyBirthdayAakhi ট্রেন্ড করে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে তাঁর ভক্তরা প্রকাশ করছেন অকুণ্ঠ ভালোবাসা।
আঁখি চৌধুরী শুধু একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রীই নন, তিনি তাঁর মিষ্টি ব্যবহার ও বিনয়ী স্বভাবের জন্য সহকর্মী ও দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। জন্মদিনে তাঁর জন্য রইলো অফুরান শুভকামনা। আগামী দিনেও যেন তিনি এভাবেই দর্শকদের হৃদয়ে রাজত্ব করেন—সেই কামনা সবাইয়ের।
আঁখি চৌধুরীর মতো মেধাবী ও পরিশ্রমী শিল্পীরা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও নাটক জগতকে সমৃদ্ধ করছেন। তাঁর জন্মদিনে আমরা আবারও দেখলাম, কীভাবে একজন শিল্পী সত্যিকার অর্থে মানুষের ভালোবাসা পেতে পারেন।