a পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন
ঢাকা সোমবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন



বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ১২:৩৭
পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন

পিরিয়ডে পেটে ব্যথা হলে যে ৫ খাবার এড়িয়ে চলবেন

বেশিরভাগ নারীর ক্ষেত্রেই পিরিয়ডে পেটে ব্যথা দেখা যায়। নানারকম ওষুধ খেয়েও এই ব্যথা কমানো সম্ভব হয় না। আবার ব্যথার ওষুধ নিয়মিত খাওয়াও কোনো কাজের কথা নয়। তাইপরিবর্তন আনতে হবে খাদ্যাভ্যাস। এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো এই সময়ে খেলে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। তাই সেসব খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেসব খাবারগুলো সম্পর্কে

চা ও কফি এড়িয়ে চলুন

চা ও কফি এমনিতে উপকারী। তবে অনেক নারীর ক্ষেত্রে পিরিয়ডের সময় চা কিংবা কফি খেলে পেটে ব্যথা আরও বেড়ে যায়। আপনিও যদি একই সমস্যায় ভোগেন তবে এই সময়টাতে চা ও কফি এড়িয়ে চলুন। তবে একেবারে বাদ না দিয়ে দিনে একবার খাওয়া যেতে পারে, এর বেশি নয়। এছাড়াও সব রকম কোমল পানীয় বাদ দিন এই সময়ে। এর ফলে পেটে ব্যথার সমস্যা কমবে অনেকটাই।

এড়িয়ে চলুন ফাস্টফুড

ফাস্টফুড জাতীয় খাবার সব সময়ই অপকারী। পিরিয়ডের সময় এই খাবার আরও বেশি এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের খাবার শরীরে নানা অস্বস্তি, পেটে ব্যথা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই পিজ্জা, বার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা এ জাতীয় যেকোনো খাবার যতই ভালোলাগুক না কেন, এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে পিরিয়ডের সময়েও সুস্থ থাকতে পারবেন।

লবণ থেকে দূরে থাকুন

খাবারের তালিকা থেকে লবণ একেবারেই বাদ দেবেন না। কারণ লবণ ছাড়া খাবার খাওয়া সম্ভব নয়। তবে পিরিয়ডের সময়ে চেষ্টা করুন লবণটা একটু কমিয়ে খেতে। খাবারের সঙ্গে বাড়তি লবণ নিয়ে খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও তা বাদ দিতে হবে। অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের জন্য মোটেই উপকারী নয়। এই সময়ে লবণ বেশি খেলে তা পেটের ব্যথা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।

দুধ পান থেকে বিরত থাকুন

দুধ পানের আছে অনেক উপকারিতা। কিন্তু পিরিয়ডের সময় দুধ পান করলে অনেকের পেটে ব্যথা হতে পারে। তাই অস্বস্তি এড়াতে এসময় দুধ পান করা থেকে বিরত থাকুন। দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার এই সময়ে পেটে ব্যথা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই এ ধরণের খাবার এই সময়ে এড়িয়ে চলুন।

চিনির অপকারিতা

চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য তেমন উপকারী নয় একথা সবারই জানা। এটি পিরিয়ডের সময় পেটে ব্যথার সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই পিরিয়ডের সময় চিনি খাওয়ার পরিমাণ একেবারেই কমিয়ে দিন। এই সময়ে মিষ্টি জাতীয় খাবার যত কম খাবেন ততই উত্তম।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

মোহনী মালাইকার ত্বকে ঘরোয়া স্ক্রাব - বার্তাজগৎ২৪


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ০১ ফেরুয়ারী, ২০২১, ০৯:৪১
মোহনী মালাইকা

ফাইল ফটো

অনন্য রূপের অধিকারিণী বলিউড এর আইটেম গার্ল মালাইকা অরোরা। তিনি রূপে ,গুনে ,প্রাচুর্যে অনন্য। হাজারো তরুণীর ঈর্ষার কারণ এই অপুরূপা। কয়েক কোটি রুপির মালিক এই নায়িকা রুপচর্চায় বেছে নিয়েছেন ঘরোয়া স্ক্রাব। নিজেই  বানিয়ে নেন তিনি এই স্ক্রাব। মা এর কাছ থেকে শেখা এই পদ্ধতি টি তিনি সেই টিন এইজ থেকে ব্যাবহার করা আসছেন। তার ত্বকের জন্য এটি ম্যাজিক এর মতো কাজ করে। 

চল্লিশোর্ধ্ব মালাইকা তার সৌন্দর্য এবং ফিটনেসে মোহিত করেছে হাজারো তরুণ তরুণী কে। সৌন্দর্যের উষ্ণতা ছড়ানো এই অপরূপা শুরু থেকেই সচেতন তার সৌন্দর্য্যের বিষয়ে। তার মায়ের শেখানো পদ্ধতিতে তিনি বাড়িতেই তৈরী করে প্রতিদিন গোসলের আগে  ব্যবহার করেন এই সস্তা কিন্তু কার্যকর এই স্ক্র্যাব। 
লুফা আর প্যুমিস স্টোনের সাহায্যে মালাইকা ত্বক পরিষ্কার করতেন। কারণ, এর সাহায্যে ত্বকের মৃত কোষগুলো ঝরে যায়, আর ত্বক প্রাণভরে শ্বাস নিতে পারে। 

রূপসচেতন এই রমণী এক সময়  বাজার থেকে নামীদামি ব্র্যান্ডের স্ক্র্যাব কিনতেন। কিন্তু  এখন তিনি এ ব্যাপারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে বিশ্বাসী। আর বাসায় তিনি নিজের ক্র্যাবার নিজেই বানিয়ে নেন। এই বলিউড অভিনেত্রীর মতে, এই ঘরোয়া স্ক্র্যাব ত্বককে মাখনের মতো মোলায়েম রাখে। আর ত্বকের মৃত কোষকে সাফ করে উজ্জ্বলতা  বাড়িয়ে দেয়। অত্যন্ত কম খরচে মালাইকার এই ঘরোয়া স্ক্র্যাব বাসায় বানিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আপনিও। আর এটা বানানোর উপাদানও অত্যন্ত সহজ পাওয়া যায় । এবার এটা বানানোর রেসিপি জেনে নিন।

মালাইকার ম্যাজিক্যাল বডি স্ক্র্যাব বানাতে প্রয়োজন তিনটি উপকরণ । কফি পাউডার, ব্রাউন সুগার আর আমন্ড তেলের সাহায্যে সহজে এই স্ক্র্যাব বানানো যায়। তবে বাসায় ব্রাউন সুগার না থাকলে তার পরিবর্তে সাধারণ চিনি ব্যবহার করা যায়। আর আমন্ড তেলের জায়গায় নারকেল তেল অনায়াসে নেওয়া যেতে পারে।

ম্যাজিক্যাল এই স্ক্র্যাব কীভাবে ব্যবহার করবেন, তার পরামর্শও মালাইকা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে হাতের আঙুলের ডগায় স্ক্র্যাব নিয়ে তা হালকাভাবে গোল করে ম্যাসাজ করতে হবে। এর ফলে ত্বকের মৃত কোষ সাফ হয়ে যাবে। ত্বক ঝকঝকে লাগবে। আর তেল ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে ত্বককে আর্দ্র রাখবে।

কফি ত্বকের জন্য এক অত্যন্ত ভালো স্ক্র্যাব হিসেবে কাজ করে। বিশুদ্ধ কফি পাউডারে বেশি মাত্রায় পটাশিয়াম থাকে। কফির দানা দানা উপাদান ত্বকের মৃত কোষ পরিষ্কার করে দেয়। আর এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা পটাশিয়াম ত্বককে পুষ্টি জোগায়। আর ত্বকের রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।

কফি পাউডারের সঙ্গে তেল ও চিনি মেশালে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। চিনিও ত্বকেতে পুষ্টির জোগান দেয়। আর পাশাপাশি কোষের ম্যাসাজও করে। তেল ত্বকের ছিদ্রের মাধ্যমে ভেতরে প্রবেশ করে। আর ত্বককে নমনীয়তা দেয়।

কফি, চিনি আর তেলের মিশ্রণ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ত্বককে সতেজ আর ঝকঝকে রাখে। সকালে গোসলের সময় এই স্ক্র্যাব ব্যবহার করলে সারা দিন আপনার ত্বক উজ্জ্বল আর নরম থাকবে। তাই আর দেরি না করে বাসায় চটপট বানিয়ে নিন মালাইকার এই ম্যাজিক্যাল স্ক্র্যাব।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / এম এ

আরও পড়ুন

ক্ষতিকর প্রভাবে শীর্ষে ঢাকা বায়ুদূষণে বাড়ছে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি


স্বাস্থ্য ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৫ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ০৯:৩৪
ক্ষতিকর প্রভাবে শীর্ষে ঢাকা বায়ুদূষণে বাড়ছে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শ্যামলী থেকে প্রতিদিন সাভারে অফিস করেন সোহানা। প্রতিদিন সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হয়ে অফিসে পৌঁছান ৯টায়। আবার অফিস থেকে বিকাল ৫টায় বের হয়ে বাসায় পৌঁছান সন্ধ্যা ৭টায়। বাসায় ফেরার পর তার আর কোনো কিছুই করতে ইচ্ছে করে না। বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন। বাসায় কেউ কোনো কথা বললেই চেঁচামেচি করেন। সোহানা বলেন, তার দিন দিন মেজাজ খিটখিটে হচ্ছিল। অফিসের কাজে মনোযোগ দিতে পারছিলেন না। বুঝতে পারছিলেন এই যাতায়াতটা তার জন্য ভীষণ চাপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু চাকরিটা তার প্রয়োজন বলেই কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে মাথাব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের রোগী হয়ে যান। আর এখন তো বাইরে বের হতেই পারেন না বলে জানান সোহানা। একই ধরনের কথা শোনা যায় বিষণ্ণতায় আক্রান্ত রাফিয়া ও ফাহমিদার কণ্ঠে। রাফিয়া দেশের বাইরে থাকেন। তিনি তিন মাস বা ছয় মাস পরপরই দেশে আসেন। কিন্তু দেশের মাটিতে পা রেখেই হাঁচি, কাশি শুরু হয় তার। চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হলে তিনি সুস্থ হন না। তিনি বলেন, তিনি বুঝতে পারেন, প্রচণ্ড ধুলাবালির কারণে তার নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। অস্থির লাগে, বিষণ্ণ লাগে। দেশে এসে কোনো আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে বা অন্য কোনো কাজ করতে ভালো লাগে না। কেমন যেন অস্থির লাগে।

বায়ুদূষণের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ায়। সায়েন্টিফিক জার্নালের ‘জেএএমএ’ নেটওয়ার্কে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, বায়ুদূষণের উচ্চমাত্রার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে প্রবীণদের মধ্যে বিষণ্ণতার ঝুঁকি বাড়ায়। ‘জেএএমএ’ সাইকিয়াট্রিতে প্রকাশিত অন্য গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিম্নস্তরের বায়ুদূষণকারীর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও বিষণ্ণতা এবং উদ্বেগ বাড়ানোর জন্য দায়ী। মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল বলেন, বায়ুদূষণে কারণে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মানুষ যে প্রকৃতি ও পরিবেশে বসবাস করছে তার ভারসাম্য না থাকলে মানসিক চাপ তৈরি হয়, যা মানুষের ভালো থাকাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বায়ুদূষণের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। যার শিরোনাম—‘ব্রেদিং হেভি: নিউ এভিডেন্স অন এয়ার পলিউশন অ্যান্ড হেলথ ইন বাংলাদেশ’। এতে ঢাকা ও সিলেটের চার অঞ্চল থেকে ১২ হাজার ২৫০ জনের তথ্য ব্যবহার করে বায়ুদূষণের কারণে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর স্বল্পমেয়াদি প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ঢাকায় সারা দিনে এক জন যে পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, তা প্রায় দুটি সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণ হচ্ছে ঢাকায়। ঢাকায় যানজট ও নির্মাণাধীন প্রকল্পের কারণে যে পরিমাণ বায়ুদূষণ হয়, তা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বায়ুমানের চেয়ে ১৫০ শতাংশ বেশি এবং ইটভাটার কারণে যে দূষণ হয় তা ১৩৬ শতাংশ বেশি। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মাত্রা থেকে ১ শতাংশ দূষণ বাড়লে বিষণ্নতায় ভোগা মানুষের সংখ্যা ২০ গুণ বেড়ে যেতে পারে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মেঘলা সরকার বলেন, শুধু বায়ুদূষণই যে বড় ধরনের মানসিক রোগ তৈরি করছে, বিষয়টা এমন নয়। তিনি বলেন, যারা অল্পতে উদ্বিগ্ন হন তাদের মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতা বায়ুদূষণের ফলে তীব্র হয়ে ওঠে। যার কারণে মনোযোগে সমস্যা হতে পারে, মেজাজ খিটখিটে হতে পারে। উৎপাদনশীলতা কমে যেতে পারে বলে তিনি জানান।

বায়ুদূষণের মূল কারণ:গবেষণায় বায়ুদূষণের প্রধান তিনটি উৎসের কথা বলা হয়েছে সেগুলো হলো যানবাহনের ধোঁয়া, বিশেষ করে মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনের ধোঁয়া, যা বেশ মারাত্মক। এরপরই রয়েছে শুষ্ক মৌসুমে নির্মাণকাজের কারণে সৃষ্ট ধুলা। তৃতীয় স্থানে আছে ইটভাটার ধোঁয়া। গত তিন বছর ধরে বায়ুর মান সূচকে ঢাকা সবচেয়ে দূষিত না হলেও দ্বিতীয় দুষিত শহর হিসেবে স্থান পাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বায়ুদূষণের কারণে সবচেয়ে বেশি বিষণ্ণতায় ভুগছেন ৬৫ বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি বয়সীরা। বায়ুদূষণের কারণে প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর। গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের দূষণপ্রবণ এলাকাগুলোর প্রায় ১৪ শতাংশ বাসিন্দা বিষণ্ণতায় ভুগছেন, বলে যা কম দূষণ আক্রান্ত এলাকার চাইতে বেশি। গবেষণায় বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিমাপ করা হয়। সূত্র: ইত্তেফাক

কলাম লেখক: মোরশেদা ইয়াসমিন পিউ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook