a
ফাইল ছবি
গরমে লেবুর শরবত ক্লান্তি দূর করবে। এছাড়া নিয়মিত লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
গবেষণায় দেখা গেছে, লেবু শরবত লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে। ফলে লিভারের যে কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম। যা দেহের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।
ক্ষত সারাতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, হজমে সাহায্য করে, ত্বক পরিষ্কারক, ওজন কমাতে, লিভার পরিষ্কার, মূত্রনালীর সংক্রমণ দূর করে, ক্যানসার প্রতিরোধ, রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে, মুখের দুর্গন্ধ দূর করে, শ্বাস কষ্টসহ বিভিন্ন ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ লেবুর শরবত। সূত্র: যুগান্তর
ছবি সংগৃহীত
সময় ও বয়সের ভারে সব কিছু বদলায়। তারুণ্য ছেড়ে যৌবনে, অতঃপর বার্ধক্যে পা পড়ে সবারই। আর তার ছাপ পড়ে চেহারায়। কিন্তু প্রত্যেকের চেহারায় বয়সের ছাপ একইভাবে পড়ে না। কেউ কেউ আছেন, যাঁদের দেখে মনে হবে তারুণ্য এখনো তাঁকে ছেড়ে যায়নি। বয়স ৪০ পেরোলেও কেউ কেউ আটকে থাকে পঁচিশে। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা হয়ে যান অকালেই বুড়ো।
অনেকেই মনে করেন, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ার ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের ততটা হাত নেই। যে কারণে বয়স ধরে রাখতে অনেকেই ঝুঁকে পড়েন বিভিন্ন প্রসাধনীর দিকে। বয়স ধরে রাখতে নানা রকম পরীক্ষা–নিরীক্ষা করতে শুরু করেন ত্বকের ওপর। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই ত্বক থাকবে ভালো, বয়সের আগেই পড়বে না বয়সের ছাপ।
রোদে বেশি বেশি ঘোরাঘোরি না করা।
প্রখর রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করুন:
ত্বকের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর কিছু থাকলে সেটা অবশ্যই সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি। কাজের কারণে কমবেশি সবাইকে রোদে বেরোতে হয়। প্রখর রোদে বের হলে সেই রোদ থেকে বাঁচার ব্যবস্থা নিয়েই বের হওয়া উচিত। নইলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি প্রভাব ফেলে ত্বকের ওপর। যে কারণে বয়স হওয়ার আগেই বয়সের ছাপ পড়তে থাকে ত্বকে।
ভিটামিন ডি নেওয়া:
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে দূরে থাকবেন বলে যে একেবারেই বাইরে চলাচল বন্ধ করে দেবেন, তা কিন্তু নয়। সূর্যের আলো আমাদের দেয় মহামূল্যবান ভিটামিন ডি। যার ঘাটতি ত্বকের প্রদাহ থেকে শুরু করে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে। আর এই ভিটামিন ডির অভাবে ত্বক হয়ে পড়ে লাবণ্যহীন।
পরিমিত ঘুম:
সারা দিনের পরিশ্রম শেষে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম না নিলে আপনার ত্বক কিন্তু ‘বিগড়ে’ যাবে। সুস্থ ত্বকের জন্য ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঘুমের অভাব স্পষ্ট প্রভাব ফেলে শরীরের ভেতরে–বাইরে। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন:
সুস্থ থাকার আরেকটা নিয়ম হলো স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। নিয়মিত জাংক ফুড বা খাবারে অতিরিক্ত চর্বি—এসব ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারাতে বড় প্রভাব ফেলে। যে কারণে এসব খাবার যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো।
ধূমপান ত্যাগ:
ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার পেছনের অন্যতম অনুঘটক হিসেবে কাজ করে নিকোটিন। নিয়মিত ধূমপান মানেই নিয়মিত নিকোটিন গ্রহণ। এ কারণে ধূমপায়ীদের চেহারায় অকালে বয়সের ছাপ পড়ে।
পরিমিত পানি খাওয়া:
ত্বক ভালো রাখতে পানির বিকল্প নেই। আমাদের শরীরের প্রায় ৭০ ভাগ পানি, আর সেই পানির অভাব যদি দেখা যায় শরীরে, তাহলে কি আর শরীর আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করবে? ত্বক পরিষ্কার, উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখতে নিয়মিত পানি খাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সূত্র:প্রথম আলো
ছবি সংগৃহীত: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবন, সেগুন বাগিচা
নিউজ ডেস্ক: চার সিটি করপোরেশনে অবস্থিত আয়কর সার্কেলের অধিভুক্ত সরকারি কর্মচারী, ব্যাংকার, মোবাইল প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও ছয়টি বড় কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিশেষ আদেশে এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের ইলেকট্রনিক মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত এনবিআরের বিশেষ আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের আয়কর আইনের ক্ষমতাবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চার ধরনের ব্যক্তি করদাতাদের ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অনলাইনে আয়কর দাখিল বাধ্যতামূলক করল।
তালিকার প্রথমে রয়েছেন ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অবস্থিত আয়কর সার্কেলসমূহের অধিক্ষেত্রভুক্ত সব সরকারি কর্মচারী। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন সব তফসিলি ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারী। তৃতীয়ত, দেশের সব মোবাইল টেলিকম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরও অনলাইনে রিটার্ন প্রদান করতে হবে।
এ ছাড়া ছয়টি বড় বিদেশি কোম্পানিতে কর্মরত কর্মকর্তা- কর্মচারীদের বাধ্যতামূলকভাবে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এই কোম্পানিগুলো হলো ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড, ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, বাটা শু কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এবং নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি।
এর আগে গত সোমবার দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারি প্রশাসনের বিভিন্ন দাপ্তরিক লেনদেনে ডিজিটাল প্রযুক্তি চালুর বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঐ বৈঠকে বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলের সব সরকারি কর্মকর্তাদের ই-রিটার্ন পোর্টালের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়া বড় শিল্প গ্রুপগুলোকেও ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই সিদ্ধান্তের এক দিন পর এনবিআর বিশেষ আদেশ জারি করল।
২০২৪-২৫ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল ও কর পরিপালন সহজীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনলাইন রিটার্ন দাখিল সিস্টেম গত ৯ সেপ্টেম্বর করদাতাদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এরপর ২ অক্টোবর পর্যন্ত অনলাইনে আয়করের ই-রিটার্ন জমার সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। সরকার আশা করছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ১০ লাখ করদাতা অনলাইনে আয়কর নথি বা রিটার্ন জমা দেবেন।
অনলাইনে রিটার্ন তৈরি ও জমা দেওয়া যাচ্ছে। আবার এই সিস্টেম থেকে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করদাতারা কর পরিশোধ করতে পারছেন। এ ছাড়া দাখিল করা রিটার্নের কপি, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র, আয়কর সনদ, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ডাউনলোড ও প্রিন্ট করা যাচ্ছে। সূত্র: প্রথম আলো