a
ফাইল ছবি
রাজধানী ঢাকাসহ সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, জামালপুর, শেরপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ইউএসজিএস সূত্রে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের লক্ষ্মীপুর। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।
আজ বুধবার সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষনিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ছবি সংগৃহীত: রাবি ক্যাম্পাস
সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কারের এক দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডি ফ্লাইওভারের নিচে রেললাইনের ওপর অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় একটি বাইপাস সড়কেও যান চলাচল বন্ধ করে দেন তারা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘সংগ্রাম না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, এই বাংলায় হবে না, বৈষম্যের ঠিকানা’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’—এমন স্লোগানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যানার, পোস্টার প্রদর্শন করেন।
এর আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবিতে আন্দোলন করলেও সারা দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে আজ এক দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেন তাঁরা।
এ বিষয়ে কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আমানুল্লাহ খান বলেন, আমরা এর আগে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করেছি। কিন্তু আজ থেকে চার দফা বাদ দিয়ে সারা দেশের সঙ্গে সমন্বয় করে, এক দফা দাবিতে আমাদের সংগ্রাম চলবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দাবি একটাই, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি নয়, সকল ধরনের সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কার করতে হবে এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে, মেধাবীদের দ্বারা সেই পদ পূরণ করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন আঙ্গিকে আমাদের এই ধারাবাহিক আন্দোলন চলবে। সূত্র:ইত্তেফাক
ফাইল ছবি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিনিয়ত ভুয়া অ্যাকাউন্ট গ্রাহকের সংখ্যা বাড়ছে, অনেকেই নিজের পরিচয় গোপন করে অন্য নামে অন্য কারো ছবি ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খুলে অসাধু কাজকর্ম চালায়। তেমনি অনেকেই এই প্ল্যাটফর্মকে বেছে নিয়েছেন ভুয়া খবর ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবে।
ইতোমধ্যে ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ১৩০ কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে।
এই প্লাটফর্মে ভুল তথ্য ও খবর যাতে ছড়াতে না পারে কিংবা এসেও কোনোভাবে যাতে ভাইরাল না হয় তা আটকাতে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে করোনাভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এমন করোনা ও টিকাকরনের ১ কোটি ২০ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট তারা ইতোমধ্যেই সরিয়ে ফেলেছেন।
এই ধরনের অ্যাকাউন্টগুলি ভবিষ্যতে ভুল খবর না ছড়াতে পারে সেদিকেও কড়া দৃষ্টি রাখছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।