a আবারও দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত
ঢাকা সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৬ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

আবারও দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত


আবহাওয়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ০৭ জুলাই, ২০২১, ১০:৩১
আবারও দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

ফাইল ছবি

রাজধানী ঢাকাসহ সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, জামালপুর, শেরপুরসহ বেশ কয়েকটি জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। 

ইউএসজিএস সূত্রে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের লক্ষ্মীপুর। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। 

আজ বুধবার সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষনিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

নিজ ঘরে মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার


হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
বৃহস্পতিবার, ১৮ মার্চ, ২০২১, ১১:১৯
More collected

ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় নিজ ঘরে মা ও মেয়ের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় সম্পৃক্ত অপর আরেকজন আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার দ্বিগম্বরবাজার থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার এবং আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহতরা হলেন— উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের লামাপুটিজুরী গ্রামের সন্দ্বীপ দাসের স্ত্রী অঞ্জলী দাস (৩৫) ও তার মেয়ে পূজা দাস (৮)। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আহত আমির আলীকে বাহুবল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র মতে, লামাপুটিজুরী গ্রামের সন্দ্বীপ দাস কাঁচামালের ব্যবসা করেন। তিনি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে দ্বিগম্বরবাজারে তিন তলা একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। বুধবার রাতে তিনি ব্যবসার কাজে সুনামগঞ্জে ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ বাসায় এসে দেখেন তার স্ত্রী ও মেয়ের গলা কাটা অবস্থায় মেঝেতে পরে আছে।

ঘটনা বর্ননা করতে গিয়ে সন্দ্বীপ দাস বলেন, রাত ৩টার দিকে দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া বাহুবল এলাকার আহত আমির আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, তার ঘর চুরি হয়েছে এবং ঘরে থাকা সেলাইমেশিনসহ সব চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

তবে এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান অন্যকথা, তারা এ ঘটনার সাথে আমির আলীর সম্পৃক্ততা থাকার ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জেলার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহের কাজ করছে পুলিশ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশে রাজনৈতিক খেলা


কর্ণেল আকরাম, লেখক ও কলামিস্ট: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪, ১২:৪৬
বাংলাদেশে রাজনৈতিক খেলা

ফাইল ছবি

 

নিউজ ডেস্কঃ রাজনৈতিক খেলা দেশের জাতীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি শেষ পর্যন্ত সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। রাজনৈতিক খেলা সংবিধানে অনুমোদিত এবং দেশের সব প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয় নির্বাচনে চূড়ান্ত খেলার অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত খেলা দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় এবং যারা সংসদে অধিক সিট পায় তারা সরকার গঠন করে। এটি বিশ্বের প্রায় সব গণতান্ত্রিক দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি সাধারণ প্রথা, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতও রয়েছে।  

রাজনৈতিক খেলার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস রয়েছে এবং এটি প্রথম শুরু হয় ইংল্যান্ডে ১৬৮৯ সালের বিল অব রাইটসের পর। সেখানে উইগ পার্টি এবং টোরি পার্টি রাজনৈতিক খেলা শুরু করেছিল, এবং পরবর্তীতে তারা যথাক্রমে কনজারভেটিভ পার্টি এবং লেবার পার্টি নামে পরিচিত হয়। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক খেলা দীর্ঘদিন ধরে দ্বিদলীয় রাজনীতি হিসেবে চলে আসছে, যা এখন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির রূপে পরিণত হয়েছে।  

ভারতে ব্রিটিশ শাসনের শেষ পর্যায়ে ১৯৩৫ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে দ্বিদলীয় রাজনৈতিক খেলা শুরু হয় এবং এর চূড়ান্ত ফলস্বরূপ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দেশভাগ ঘটে। পাকিস্তানের সূচনা থেকে রাজনৈতিক খেলা সুষ্ঠু ও ন্যায্যভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এর চূড়ান্ত পরিণতি ছিল পাকিস্তানের ভাঙন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্ম। পাকিস্তানে রাজনৈতিক খেলা পুরো বিশ বছর ধরে ন্যায্যতার অভাবে চলে এবং ভারত বাংলাদেশ দলের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের জন্য খেলা জিততে সাহায্য করে।  

বাংলাদেশের শুরু পাকিস্তানের মতোই ছিল এবং খুব শীঘ্রই ১৯৭৫ সালের শুরুতে বাকশাল ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক খেলায় সুষ্ঠুতা শেষ হয়ে যায়। আমাদের জন্য এটি খুব দুঃখজনক যে আমাদের দেশে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তিত হয়।  

এটি শুধুমাত্র জিয়াউর রহমানই ছিলেন যিনি দেশে বহু দলীয় রাজনীতি চালু করেছিলেন যাতে সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলা হতে পারে, তবে এটি দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং এরশাদ শাসনামলে সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলা বন্ধ হয়ে যায়।  

১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের সাথে পরিবর্তন আসে এবং সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলার সুযোগ আসে, এবং বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দ্বি-দলীয় রাজনীতি শুরু হয়। এটি ভালভাবে চলছিল এবং দেশে একটি সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল। তবে এরশাদ পতনের পর পরই যে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মঈন-ফকর সরকার দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এবং একটি মনগড়া নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে পেরেছিল, যার ফলে সুষ্ঠু রাজনীতি ধ্বংস হয় এবং একদলীয় রাজনৈতিক খেলা আবার ফিরে আসে, যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে একদলীয় রাজনীতি পতন পর্যন্ত চলে।  

দেশের পুরো জাতি সুষ্ঠু রাজনৈতিক খেলার প্রত্যাশায় ছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের ভাল সংকেত দিচ্ছে না। এটি মনে হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জগুলি আমাদের সামনে রয়েছে যা শুধু সাম্প্রতিক বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত ঐক্যকেই নয়, দেশের রাজনীতিকে স্থিতিশীলতা থেকেও বিপথে চালিত করতে পারে।  

এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে, কিছু বিদেশী শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় তথাকথিত "কিং পার্টি" উঠতে পারে এবং ছাত্রদের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের সহযোগিতায়।  

এটি দেশের জন্য এবং জাতির জন্য ভালো সংকেত নয়, এবং দেশ আবার এক কঠিন সংকটে পড়বে, যা খুব শীঘ্রই সমাধান হবে না।  

এখন জাতীয় ঐক্য অত্যন্ত প্রয়োজন এবং বিএনপি যে জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে তা আমাদের এই সংকট থেকে উত্তরণে সাহায্য করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।  

 

লেখকঃ সম্পাদক, মিলিটারি হিস্ট্রি জার্নাল  

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ