a
ফাইল ছবি
জামালপুর জেলা ইসলামপুর উপজেলায় যমুনার পানি বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা-ব্রহ্মপুত্রসহ সবকটি নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। প্রতি মুহূর্তে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।
ইসলামপুরের অর্ধশতাধিক গ্রাম এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল।
পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ফলে নদীতীর সংলগ্ন এলাকার মানুষের মধ্যে বন্যা-আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের সূত্র জানিয়েছে, আগামী আরো দুই দিন যমুনা- ব্রহ্মপুত্রের পানিবৃদ্ধি পেতে পারে।
জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, যমুনা পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পানি হু হু করে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।
ইসলামপুর উপজেলার শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ফেরদৌস গনমাধ্যমকে বলেন, ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যায় ডুবে যাওয়ায় সরকারিভাবে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার এস এল এম রেজিয়ান বলেন, নয় হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাট রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ হেক্টর নষ্ট হয়েছে। এছাড়া ১০ হেক্টর জমির আউষ ধান ও ২০ হেক্টর জমির শাক-সবজির খেত পানির নিচে ডুবে আছে। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে তিনি জানান। সূত্র: নয়া দিগন্ত
ফাইল ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমকে রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের এক মাসের মাথায় ওসি রহিমকে বদলি করা হয়।পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক আদেশে সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে তাকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রইছ উদ্দিন ওসি রহিমের বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কি কারণে তাকে বদলি করা হয়েছে তা তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায়।
এরই প্রেক্ষাপটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মানুষের মাঝে। তাণ্ডবের ঘটনায় মোট ৫৬ মামলা দায়ের হয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত ৩৬৯ জনকে গ্রেফতার করলেও বড় ধরনের সাফল্য দেখাতে পারেনি সদর থানা পুলিশ।
ফাইল ছবি
সেপ্টেম্বর মাসে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত স্কুল-কলেজ খুলছে না। তবে সেপ্টেম্বরেই স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে।’
আজ বুধবার (১১ আগস্ট) মন্ত্রীর মিন্টো রোডের বাসভবনে একটি গণমাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে গেল শুক্রবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা বিষয়ক সাংবাদিকদের একটি সংগঠন আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ‘সরকারি পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রায় সবাই করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩ লাখ ৬৩ হাজার ২২২ শিক্ষক ও কর্মচারীর মধ্যে দুই লাখ ৭৮ হাজার ৪২৬ জনই ইতোমধ্যে টিকার আওতায় এসেছে।এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩৪ হাজার শিক্ষকের মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক।’
করোনা সংক্রমণে টানা ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর সেপ্টেম্বরেই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে সরকার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিষয় সামনে রেখেই শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার তাগিদ রয়েছে। সরকারের ঘোষণা অনুসারে, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সূত্র: ইত্তেফাক