a ইসলামপুরে যমুনার পানি বিপৎসীমার ২৮ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে
ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ইসলামপুরে যমুনার পানি বিপৎসীমার ২৮ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ১৯ জুন, ২০২২, ০৯:২১
ইসলামপুরে যমুনার পানি বিপৎসীমার ২৮ সেমি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

ফাইল ছবি

জামালপুর জেলা ইসলামপুর উপজেলায় যমুনার পানি বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা-ব্রহ্মপুত্রসহ সবকটি নদ-নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। প্রতি মুহূর্তে প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।

ইসলামপুরের অর্ধশতাধিক গ্রাম এরই মধ্যে প্লাবিত হয়েছে। পানিতে ডুবে গেছে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল।

পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। ফলে নদীতীর সংলগ্ন এলাকার মানুষের মধ্যে বন্যা-আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সূত্র জানিয়েছে, আগামী আরো দুই দিন যমুনা- ব্রহ্মপুত্রের পানিবৃদ্ধি পেতে পারে।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, যমুনা পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার পানি হু হু করে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।

ইসলামপুর উপজেলার শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ ফেরদৌস গনমাধ্যমকে বলেন, ২৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যায় ডুবে যাওয়ায় সরকারিভাবে পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার এস এল এম রেজিয়ান বলেন, নয় হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাট রয়েছে। এর মধ্যে ৩০০ হেক্টর নষ্ট হয়েছে। এছাড়া ১০ হেক্টর জমির আউষ ধান ও ২০ হেক্টর জমির শাক-সবজির খেত পানির নিচে ডুবে আছে। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে তিনি জানান। সূত্র: নয়া দিগন্ত

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সরকারি নির্দেশনা জারি মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক 


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ০৯:৪২
সরকারি নির্দেশনা জারি মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক 

সংগৃহীত ছবি

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দফতর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাইকে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নির্দেশনা জারি করে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সব অনুবিভাগ প্রধান এবং অধীন দফতর বা সংস্থার প্রধানকে তার আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সম্প্রতি সময়ে দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রণালয়ে এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, বিসিএস প্রশাসন একাডেমি, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বিয়াম ফাউন্ডেশন, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তর, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল প্রধানকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

কোটা আন্দোলনের ৩ সমন্বয়কের খোঁজ পাওয়া গেছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৪, ১২:০৩
কোটা আন্দোলনের ৩ সমন্বয়কের খোঁজ পাওয়া গেছে

ছবি সংগৃহীত: কোটা আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক

 

কোটা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার ও রিফাত রশীদের খোঁজ পাওয়া গেছে। নিখোঁজ থাকার ৫ দিন পর গতকাল বুধবার আসিফ ও বাকেরকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে যাওয়া হয়েছে বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে দুজনই নিশ্চিত করেন। আর রিফাত এখন অবধি আত্মগোপনে আছেন।

এই তিন ছাত্রই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। আসিফ মাহমুদকে রাজধানীর হাতিরঝিল ও আবু বাকেরকে ধানমন্ডি এলাকায় ফেলে যাওয়া হয় বলে তাঁরা নিজেরাই জানান। তাঁদের কে বা কারা তুলে নিয়ে গিয়েছিল, ফেসবুক পোস্টে তা স্পষ্ট করে বলেননি। আর রিফাত ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘গুম হতে হতে অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলাম।’

আসিফ মাহমুদ বিকেলে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘গত ১৯ জুলাই রাত ১১টায় আমাকে হাতিরঝিলের মহানগর আবাসিক এলাকা থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। চলমান আন্দোলন স্থগিত করার ঘোষণা দিতে চাপ দেওয়া হয়। না মানায় ইনজেকশন দিয়ে সেন্সলেস (অচেতন) করে রাখা হয়। এই চার-পাঁচ দিনে যতবার জ্ঞান ফিরেছে, ততবার ইনজেকশন দিয়ে সেন্সলেস করে রাখা হয়। আজ বুধবার বেলা ১১টায় আবার একই জায়গায় চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে দিয়ে যায়।’

আসিফ আরও লিখেছেন, ‘এখন আমি পরিবারের সঙ্গে হাসপাতালে চিকিৎসারত আছি। এই কয়েকদিনে যা ঘটেছে, তা জানার চেষ্টা করছি। কিছুটা সুস্থ হলেই সমন্বয়কদের সাথে কথা বলে আন্দোলনের বিষয়ে বিস্তারিত বলব।’

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ফেসবুক পোস্টে বাকের লিখেছেন, ‘আমাকে ১৯ জুলাই সন্ধ্যার পর ধানমন্ডি থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায় এবং আন্দোলন বন্ধে স্টেটমেন্ট (বিবৃতি) দিতে বলায় আমি অস্বীকৃতি জানালে একটা অন্ধকার কক্ষে আটকে রাখে। যে এলাকা থেকে তুলে নেয়, তার পাশের এলাকায় আমাকে চোখ বেঁধে ফেলে যায়। আমি এখন আমার পরিবারের সাথে নিরাপদে আছি। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আপনাদের সামনে সবিস্তারে সব বলব।’

সোয়া সাতটার দিকে রিফাত রশীদ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমি বেঁচে আছি, মরি নাই। আমি গুম হতে হতে অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছিলাম। সমন্বয়কদের সিদ্ধান্ত মেনেই আমি নিরাপদ আশ্রয়ে গিয়েছিলাম। তারপর এই সাপ-লুডুর জীবন। আজ এর বাড়ি তো কাল ওর বাড়ি। এর মধ্যে যতবার ফোন কানেক্ট করার চেষ্টা করেছি, ততবারই ফোন ট্র্যাকিংয়ের শিকার হয়েছি। জানি না, কতক্ষণ নিরাপদে থাকব।’

আসিফ ও বাকেরের খোঁজ পাওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। রিফাত রশীদের বাবা দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ছেলের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে আসিফ মাহমুদের বাবা মো. বিল্লাল হোসেন বলেছিলেন, ‘পত্রিকায় আসিফের গুমের খবর দেখে কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে তালাশ করেছি। তাকে পাই নাই। এখন আমার একটাই আবদার, আসিফের সন্ধান চাই।’ আন্দোলনের অন্য সমন্বয়কেরাও আসিফের সন্ধান দাবি করেন।

গতকাল সন্ধ্যায় আসিফের বাবার মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর খিলগাঁও নন্দীপাড়ার একটি বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে তুলে নেওয়া হয়। প্রায় ২৪ ঘণ্টা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পর তাঁকে পূর্বাচল এলাকায় ফেলে যাওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
আলটিমেটাম শেষ হবে আগামীকাল

আন্দোলনকারীদের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম আজ গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁরা চার দফা ‘জরুরি দাবি’ পূরণে সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার যে সময় বেঁধে দিয়েছিলেন (আলটিমেটাম), তার সময়সীমা আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় শেষ হবে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আগামীকাল যে কোনো সময়ে সংবাদ সম্মেলন বা অন্য কোনো উপায়ে তাঁরা গণমাধ্যমকে পরবর্তী বক্তব্য বা অবস্থান জানাবেন। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ