a
ছবি: সংগৃহীত
নবান্ন মানে নতুন ধানের উৎসব। নতুন চালের রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসবই নবান্ন উৎসব। সাধারণত অগ্রাহায়ন মাসে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব শুরু হয়। অগ্রহায়ন মাস আসতে আর মাত্র পাঁচ দিন বাকি। ইতোমধ্যে দিনাজপুরের কাহারোলের গ্রামসহ অন্যান্য স্থানে নবান্ন উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে দেখা গেছে, নবান্নকে সামনে রেখে গৃহীনিরা নতুন ধানের চালের আটা তৈরিতে ব্যস্ত । গৃহবধূরা ঢেঁকিতে চাল কুটছে। আর এই চালের গুড়ো দিয়ে নানা রকমের পিঠা তৈরি করেন তারা।
এদিকে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে কৃষকের ঘরে ঘরে চলছে ঘর-দোয়ার পরিস্কার পরিছন্নের কাজ। গ্রামের বধূরা সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত বাড়ির উঠানসহ বিভিন্ন কাজকর্ম ব্যস্ত রয়েছেন, যেন তাদের দম ফেলারও সময় নেই।
এছাড়া কৃষকের ঘরে ঘরে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরির প্রস্তুতি চলছে। নতুন ধানের চাল তৈরি হবে পায়েস, খিরসহ নানা জাতের পিঠা-পুলি। আসন্ন নবান্নকে কেন্দ্র করে হাটবাজারগুলোতে নারকেল, গুড়সহ নানা উপকরণের বিক্রিও বেড়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক
ফাইল ছবি: মুফতি ওয়াক্কাস
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি ও সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। বুধবার (৩১ মার্চ) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মুফতি ওয়াক্কাস বেশ কিছুদিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭৩ বছর।
তিনি যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসন থেকে ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী (মটরগাড়ী প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে নির্বাচিত হন। পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
বিভিন্ন কারণে মন্ত্রিত্বের পদে বেশি দিন থাকা হয়নি। এরপর তিনি এরশাদ সরকারের শেষদিন পর্যন্ত জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এরশাদ সরকারের পতনের পর মুফতি ওয়াক্কাস আবার সক্রিয় হন জমিয়তের রাজনীতিতে। পরে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি এমপি নির্বাচিত হন। এছাড়াও ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বচনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও পরাজিত হন।
তিনি ২০২০ সালের শেষ দিকে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ও ঢাকা মহানগরের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নিজের নির্বাচনী এলাকায় বেশ সুনাম অর্জন করেছিলেন।
সংগৃহীত ছবি
উচ্চ রক্তচাপ বা রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বা যাদের স্থুলতার সমস্যা রয়েছে, তাদের এমনিতেই হৃদরোগের (হার্ট অ্যাটাক) আশঙ্কা বেশি। হার্ট অ্যাটাক যেকোনও বয়সে, যেকোনও সময় হতে পারে। অনেকে মনে করেন ছেলেদের হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বেশি। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি থাকে। তবে হৃদযন্ত্রে কোনও রকম জটিলতা তৈরি হলে, তা আগাম জানা যাবে যেভাবে। লক্ষণগুলো হলো:
১. শ্বাস-প্রশ্বাসে যদি কষ্ট হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে। শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, দম আটকে আসলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। হৃদযন্ত্রের কোনও রকম সমস্যা হলে ফুসফুস অক্সিজেন কম পায়। তাই এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
২. কোনও কারণ ছাড়াই ঘাম হচ্ছে? একটুতেই হাঁপিয়ে যাচ্ছেন? তাহলেও দুশ্চিন্তার কারণ রয়েছে। শরীরে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক না হলে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিক করে অক্সিজেন পায় না। তাই এ অবস্থা হতে পারে।
৩। যদি মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখেন দরদর করে ঘামছেন, তা হলে উপেক্ষা করবেন না।
৪। বুকে ব্যথা বা চাপ লাগার মতো অনুভূতি হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাবেন।
৫। মেয়েদের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ আলাদা। বুকে ব্যথা, ঘাম হওয়া ছাড়াও পেটে অস্বস্তি, পিঠে ব্যথার মতো কিছু অন্যান্য লক্ষণও দেখা দিতে পারে।