a
ফাইল ছবি
বেতন বোনাসের দাবিতে গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে কয়েক দফা বিক্ষোভ করেছে পোশাক শ্রমিকরা। আজ ১০মে সোমবার সকাল থেকে গাজীপুর সদরের হোতাপাড়া এলাকায় বিক্ষোভ করেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জয়দেবপুর থানার ওসি মামুন আল রশিদ বলেন, সোমবার ফুয়াং ফুড লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের চলতি মে মাসের বেতন পরিশোধের কথা ছিল। বেতন ছাড়াও তাদেরকে আগামীকাল মঙ্গলবার ঈদ বোনাস দেওয়ার কথাও ছিল মালিকপক্ষের। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ নানা আজুহাত দেখাতে শুরু করলে বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস এবং চলতি মাসের বেতন চাইলে তারা বেতন ও বোনাস দিবে কি দিবে না সে বিষয়ে শ্রমিকরা মালিক পক্ষ থেকে আশ্বাস না পেয়ে এই বিক্ষোভ করেন।
শ্রমিকরা জানান, এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের আশ্বাস না পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রথমে তারা কর্মবিরতি পালন করেন, পরে তাদের কথা তেমন গুরুত্ব না দেওয়ায় তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিকরা কারখানা থেকে বের হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নেন।
মহাসড়ক অবরোধের ফলে সেখানে উভয় দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। ওসি মামুন আল রশিদ জানান, শ্রমিকদের অবরোধ চলাকালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বেতন ও ঈদ বোনাসের আশ্বাস দিয়ে তাদের সড়ক থেকে সরে যেতে বলা হয়। পরে শ্রমিকরা কাজে যোগদেন।
কারখানার ম্যানেজার শুক্কুর মাহবুব বলেন, শ্রমিকদের কোনো বেতন বকেয়া রাখা হবে না। নির্ধারিত সময়েই তাদের বেতন, বোনাস পরিশোধ করবে মালিকপক্ষ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের দাবির মুখে কারখানা কর্তৃপক্ষ ঈদ বোনাস দিতেও একমত হয়েছেন।
ফাইল ছবি
করোনার কারনে সরকারের বেধে দেয়া বিধিনিষেধ অমান্য করার অভিযোগে গাজীপুরে দূরপাল্লার ৯৭টি বাসের চালক-মালিকের বিরুদ্ধে মামলা ও ১০টি গাড়ি ডাম্পিং করেছে পুলিশ।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের সহকারী কমিশনার (উত্তর) মো. মেহেদী হাসান জানান, ঈদ শেষে বিভিন্ন পরিবহনে যাত্রীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরছেন। এ সকল যাত্রী নিয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দূরপাল্লার কিছু বাস ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচল করছিল।
গতকাল রবিবার বিকেল থেকে আজ সোমবার দুপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর মহানগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দূরপাল্লায় চলাচলকারী ৪৫টি বাসের চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ এবং রাস্তায় বিনা কারনে জ্যাম সৃষ্টি করার অভিযোগে আরো ১০টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে।
গাজীপুরের কোনাবাড়ির সালনা হাইওয়ে থানার ওসি মীর গোলাম ফারুক জানান, একই অভিযোগে চন্দ্রা ও কোনাবাড়ি এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দূরপাল্লার ৪৬টি বাসের চালক-মালিকের বিরুদ্ধে মামলা ও দরকারি কাগজ-পত্র না থাকায় চারটি গাড়িকে আটক করেছে পুলিশ।
মাওনা হাইওয়ে থানার ওসি মো. কামাল হোসেন জানান, শ্রীপুর উপজেলার মাওনা-চৌরাস্তা এলাকায় ১৬ মে রবিবার সন্ধ্যায় দূরপাল্লার যাত্রী নিয়ে চলাচলের চেষ্টা করলে ৬ বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এদিকে ময়মনসিংহের দিক থেকে যেসব দূরপাল্লার বাস ঢাকার দিকে আসছিল তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ফাইল ছবি
রাজধানীর উত্তর বাড্ডা থেকে গুম করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। রবিবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে তিনি এই অভিযোগ জানান। নুর বলেন, আমি ভাড়ায় একটি গাড়িতে করে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ খেয়াল হলো চালক কার সঙ্গে কথা বলছে, তার লোকেশন কথা বলছে। হঠাৎ সে থেমে গাড়ি থেকে নেমে যাই। কিছু লোকের সঙ্গে সে কথা বলে এবং তারা গাড়িচালককে বলে আপনি চলে যান আমরা গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাব। এরপরই দ্রুত আমরা গাড়ি থেকে নেমে আশেপাশের মানুষকে বিষয়টি জানাই এবং পরে একটি শো-রুমের মধ্যে ঢুকে পড়ি।
ভিপি নুর বলেন, আমি গুলশান-১ নম্বর থেকে আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে ফিরছিলাম। আমাদের মামলাগুলো কীভাবে আইনিভাবে লড়া যায় সেই পরামর্শের জন্য তার চেম্বারে যাই। ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। ড্রাইভারকে তারা বলেছে, তারা নাকি ডিবির লোক। কিন্তু তাদের গায়ে কোনো পোশাক ছিল না। আমরা যখন বুঝতে পারলাম তখন গাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি নেমে গেছি। তারা মূলত আমাকে গুম করার জন্য আটক করতে চেয়েছিল।
নুর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দলের নেতা, শুভাকাঙ্ক্ষী একাধিক ব্যক্তি এভাবে গুম হয়েছেন। আমিও যে কোনো সময় বাসা থেকে গুম কিংবা খুনও হতে পারি। আমি আগেই দেশবাসীর কাছে বিচার দিয়ে রাখলাম। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন