a
ফাইল ছবি
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করার পর বাধা দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র্যাব পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এদিকে, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে স্থানীয় জনগন।
সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী বিহারী কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে পুলিশ বাড়ি বাড়ি অভিযান চালিয়ে ৩০ জনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে সকাল থেকে আদমজী বিহারী কলোনির সড়ক ও মূল সড়ক অবরোধ করে রাখে আন্দোলনকারীরা। পরে পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা রাস্তা ছাড়বেন না বলে জানায়ন। এক পর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া দিলে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। এ সময় পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আদমজী শাহী মসজিদে ভারতে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তির কথার প্রতিবাদে ইমামের বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। ইমামের বক্তব্য চলাকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আজিজুল হক তাকে থামিয়ে বলেন, ‘ভারতের ঘটনা ভারতে থাকুক, এখানে আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা যেন না করি। ’
এ সময় তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মসজিদের ভেতরে মারধর করে মুসল্লীরা। এক পর্যায়ে স্থানীয় কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান তাকে উদ্ধার করে সদর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় শনিবার (১১ জুন) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মির্জা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে ১২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলার আসামি ধরতেই নাকি রবিবার দিবাগত রাতে অভিযানে চালায় পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি, বিস্তারিত পরে জানানো হবে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
চোখের জলই যেন এখন আছমা বেগমের একমাত্র সম্বল। এবারের কঠোর লকডাউনে অভাবের তাড়নায় আছমা বেগম রাজধানীর রাস্তায় মাস্ক বিক্রি করা শুরু করেছেন, এর আগে তিনি গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
কিন্ত আছমা আগে যে বাড়িতে কাজ করতেন, সেই বাড়ির মালিকের চাকরি চলে যাওয়ায় তারাও এখন গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। আর তাই আছমা বেগম কঠোর লকডাউনের মধ্যে কর্মহীন হয়ে পড়ে।
তিন সন্তানের জননী। স্ট্রোক করার পর থেকে স্বামী এখন পর্যন্ত কোন কাজ করতে পারে না। আছমার কাজের টাকা দিয়েই তাদের সংসার চলতো। তাই তিনি মানিকনগর তার বাসা থেকে একটি কাজের সন্ধানে বের হয়েছিল। কিন্ত এ কঠোর লকডাউনে কোন কাজের ব্যবস্থা করতে না পেরে মাস্ক বিক্রির কথা ভাবেন। দোকানে গিয়ে তিনি দেখেন এক বক্স মাস্ক কিনতে লাগে ১১০ টাকা অর্থাৎ এক প্যাকেট মাস্কের দাম ১১০ টাকা। কিন্তু আছমার কাছে ছিল মাত্র ৯০ টাকা। এক প্রকার আকুতি-মিনতি করেই তিনি এক প্যাকেট মাস্ক কিনে বিক্রি শুরু করেন সন্তানদের মুখে দু'মুঠো খাবারের ব্যবস্থা করতে।
ফাইল ছবি
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে চলতি বছরের ৯ জুলাই সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ৩১ মে। এবার হজ করতে যেতে আগ্রহীদের পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
সম্প্রতি হজযাত্রীদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত নিয়মে এমন পরিবর্তন এনে জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এ নির্দেশনায় যেসব হজযাত্রীর পাসপোর্ট নেই বা মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জরুরিভিত্তিতে পাসপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চলতি বছরের হজ মৌসুমে হজযাত্রীদের নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ইচ্ছুকদের পাসপোর্টের মেয়াদ যাচাই করে কমপক্ষে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদযুক্ত পাসপোর্ট প্রস্তুত রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিতরা যারা এ বছর হজে যাবার সুযোগ পাবেন তাদের জন্ম হতে হবে ১ জুলাই ১৯৫৭ এবং এর পরে।
পাশাপাশি সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্বারা অনুমোদিত কোভিড টিকার দুই ডোজ এবং ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ গ্রহণের সনদ হজের পুরো সফরে ব্যবহারের লক্ষ্যে একাধিক কপি বা আইডি কার্ড আকারে লেমিনেট কপি হজযাত্রীকে প্রস্তুত রাখতে হবে।
নিবন্ধন ব্যতিত কোডিড টিকা নিয়ে থাকলে অথবা সুরক্ষা অ্যাপে টিকা নেওয়ার তথ্য আপডেট নেই এমন হজযাত্রীকে টিকা গ্রহণের তথ্য সুরক্ষা অ্যাপে অন্তর্ভুক্তি করে টিকার সনদ গ্রহণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন হজে যেতে পারবেন বলে এরই মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। সূত্র: ইত্তেফাক