a পরিমনির জামিন শুনানি আজ
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ মাঘ ১৪৩২, ০৫ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

পরিমনির জামিন শুনানি আজ


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক
বুধবার, ১৮ আগষ্ট, ২০২১, ০৯:৫৪
পরিমনির জামিন শুনানি আজ।

ফাইল ছবি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পরিমনির বিরুদ্ধে করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় কারাবন্দি আছেন। তার জামিন শুনানির জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এদিন পরীমনি জামিন পাবেন বলে আশা করছেন তার আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান।

পরীমনির আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পরীমনির মাদক মামলার জামিন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ মামলায় পরীমনি জামিন পাওয়ার হকদার। আশা করছি, পরীমনি জামিন পাবেন।’ সোমবার (১৬ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম (সিএমএম) রেজাউল করীম চৌধুরীর আদালতে আইনজীবী মজিবুর রহমান পরীমনির জামিন আবেদন করেন। পরে শুনানির জন্য আদালত বুধবার দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ১৩ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় ছয়দিনের রিমান্ড শেষে পরীমনি ও তার সহযোগী দিপুকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা। এসময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবী মজিবুর রহমান জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৪ আগস্ট সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটক করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। অভিযানে নতুন মাদক এলএসডি, মদ ও আইস উদ্ধার করা হয়। পরীমনির ড্রয়িংরুমের কাভার্ড, শোকেস, ডাইনিংরুম, বেডরুমের সাইড টেবিল ও টয়লেট থেকে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়।

পরীমনি ২০১৪ সালে সিনেমা জগতে আসেন। এ পর্যন্ত ৩০টি সিনেমা ও পাঁচ-সাতটি টিভিসিতে অভিনয় করেছেন। প্রযোজক রাজের হাত ধরেই  পিরোজপুর থেকে ঢাকায় এসে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন তিনি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শোডাউন


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৬:০৮
বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শোডাউন

ফাইল ছবি

ঢাকা থেকে বিএনপির আইনজীবী প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকালে ফরিদপুরের সালথায় তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে যাবার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত হয়ে উঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা। এসময় তারা লাঠিসোটা হাতে নিয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সালথা-ফরিদপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় এবং বিক্ষোভ মিছিল করে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ৫ এপ্রিল সালথার সরকারি বিভিন্ন দফতর ও থানায় হামলা চালিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতীরা। তারা সেদিন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে আজ কিভাবে আবার সেই ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে আসেন। আমরা বেঁচে থাকতে সালথার মাটিতে তাদের ঢুকতে দেয়া হবেনা।

জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঢাকা থেকে বিএনপির একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল সালথার ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শনে আসার কথা ছিল। কারণবশত প্রোগ্রামটি স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে জেলা বিএনপির একটি সূত্র জানান, বিএনপির ওই আইনজীবী প্রতিনিধি দল ঢাকা থেকে রওনা হয়ে আরিচা ঘাটে আসার পর সালথায় আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ ও শোডাউনের খবর পেয়ে তারা অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে ফিরে আসেন।

সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াদুদ মাতুব্বর বলেন, বিএনপি-জামায়াত ও হেফাজতের নেতাদের ইন্ধনে তাদের সমর্থকরা সালথার সরকারি দফতরে সেদিন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এখন আবার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শন করে মানুষকে বোকা বানাতে চায়। কিন্তু সালথার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তা হতে দেয়নি। তাদের আশার খবরে সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

জিয়া মুক্তিযোদ্ধা না, এটা আমি মানতে পারিনা: কাদের সিদ্দিকী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১১:৩১
জিয়া মুক্তিযোদ্ধা না, এটা আমি মানতে পারিনা: কাদের সিদ্দিকী

ফাইল ছবি: কাদের সিদ্দিকী

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, জিয়া মুক্তিযোদ্ধা না, এটা আমি মানতে পারিনা। উনাকে অনেকেই বলে বঙ্গবন্ধুকে খুন করেছে। খুনের সঙ্গে জড়িত আছে অথবা তিনি জানতেন। এগুলো মুখে না বলার চাইতে মামলা দিয়ে সাক্ষী-প্রমাণ দিয়ে উনাকে মরণোত্তর ফাঁসি দেন; আমার কোনো আপত্তি নাই; কিন্তু তিনি মুক্তিযোদ্ধাই না, পাকিস্তানের এজেন্ট- এ কথা বলে মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা ঠিক না।

গত মঙ্গলবার বিকালে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার সালগ্রামপুর বাজারে (সিলিমপুর) দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের তৃতীয় বার্ষিকী সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, জীবনের শ্রেষ্ঠ ভুল কামাল হোসেনকে বড় নেতা হিসেবে মেনে তার পাশে গিয়েছিলাম। তিনি বিএনপির সঙ্গে জোট করেছিলেন; কিন্তু তিনি আসলে নেতা না। যে ভোটার নির্বিঘ্নে এসে ভোট দিতে পারবে, ঈদের দিনের মতো উৎসবমুখরভাবে ভোট দিবে, সেই ভোটে যদি আপনি জিতেন আপনি নেতা হবেন। ভোট চুরি করা যাবে না। সবার পরে যখন বিএনপির জোটে গেছিলাম তেমনি এক মাসের মধ্যে জোট ছেড়ে দিছিলাম। জোট ছাড়ছিলাম এজন্য যে ভোটটা হয় নাই। মেয়ে এই আসনে (টাঙ্গাইল-৮) দাঁড়িয়েছিল। মানুষ ঘণ্টা দুই ভোট দিয়েছেন। গণফোরামের একজনের মতো যদি আমার মেয়েটা সংসদে যেত তাহলে কি আমার মানসম্মানটা থাকত? সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ