a
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আগামী ১৫ ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে গতকাল ৩০ জুলাই ২০২১ ইং রোজ শুক্রবার বিকাল ৩ ঘটিকায় সংগঠনের অস্থায়ী কার্য্যালয়, দিগন্ত আবাসিক এলাকা, হবিগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা মন্জুরুল হক এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য সচিব গোলাম এহিয়া তরফদারের সঞ্চালনায়, বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাংবাদিক শাহেনা আক্তার, সাবেক সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি সাংবাদিক সোহরাব হোসেন কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, সিলেট বিভাগের মুক্ত সংবাদ প্রতিদিন এর সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব হবিগঞ্জ জেলা উদ্যোক্তা ও আহ্বায়ক সাংবাদিক শেখ মোঃ আব্দুল কাদির কাজল।
অন্যান্যোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম, ডা. সৈয়দ রুবায়েল আহমেদ জুয়েল প্রমুখ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে যথাযথ মর্যাদায় ১৫ আগষ্ট ২০২১ পালনে সকলের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সংগৃহীত ছবি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ৯ অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে এধরণের ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন।
আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সবাইকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
হাসপাতালের ডাক্তার আবু নাছের জানান, ছররা গুলিতে আহত ৮ জনকে জরুরি বিভাগ থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়।
আহতরা হলেন- পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), সামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ (৪০), আবদুল লতিফ দুলালের ছেলে রুহুল আমিন সানি (৩০), মোস্তফা মেস্তরীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের এনামুল হকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭), চরকাঁকড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে দিদার (৩৫), মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২), এমদাদুল হকের ছেলে সওশাদ (৩৫)। আহতরা সবাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বকুল জানান, ৯নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়া, আদর্শপাড়া ও শান্তিপাড়া থেকে কাদের মির্জার অনুসারীরা একত্রিত হয়ে পৌরসভায় যাওয়ার জন্য জড়ো হচ্ছিল। এসময় প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর সমর্থকরা বেপরোয়াভাবে গুলি চালালে কাদের মির্জার লোকজন আহত হয়।
অপরদিকে সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কোনো লোক বাসা থেকে বের হয়নি। কাদের মির্জার লোকজন মিছিল করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে শুনেছি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে কাদের মির্জার অনুসারীরা মিছিল করতে চাইলে প্রতিপক্ষরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় আবদুল কাদের মির্জা রাত ৯টায় পৌরসভার নিজ কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভে এসে এএসপি শামীম, ইউএনও জিয়া, ওসি রনি ও অ্যাসিল্যান্ড সুভাতকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আলটিমেটাম দিয়েছেন।
ফাইল ছবি
সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে রাজধানীতে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রীতিমতো এক নারী চিকিৎসক তুলকালাম কাণ্ড করেছেন। পুলিশ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বার বার অনুরোধ করেও মুভমেন্ট পাস বা কোন মেডিকেলের চিকিৎসক পরিচয়পত্র বের করতে পারেননি তার কাছ থেকে।
রবিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইবা শওকত জিমি এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের চেকে পড়েন। ঢাকা জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার শেখ মো. মামুনুর রশিদ সেখানে আদালত পরিচালনা করছিলেন। নিউ মার্কেট থানার একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন একাধিক পুলিশ সদস্য।
চেক পোস্টে চিকিৎসকের কাছে তার আইডি কার্ড দেখতে চান পুলিশ সদস্যরা। চিকিৎসক জিমি সঙ্গে আইডি কার্ড আনেননি বলে জানান। এরপর মুভমেন্ট পাস দেখতে চাওয়া হয় তার কাছে। এ সময় জিমি কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস লাগে? এ কথা জিজ্ঞাসা করেন তিনি।
এলিফ্যান্ড রোডে পুলিশ চেকপোস্টে পরিচয়পত্র দেখতে চায় পুলিশ ওই নারীর কাছে । এতে তিনি উত্তেজিত হয়ে উঠেন। পুলিশের কাছে তিনি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি বীর বিক্রমের মেয়ে। তোমরা পুলিশ হয়েছ আমার বাবা যুদ্ধ করেছিল বলেই।’ পাল্টা জবাব, ‘আমরাও ভেসে আসিনি। আমিও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আপনার বাবা একা যুদ্ধ করে নাই।’
এক পর্যায়ে তিনি গালিগালাজ করতে থাকেন পুলিশ সদস্যদের। চাকরি হারানোর হুমকি দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। বার বার নমনীয়ভাবে কথা বলতে দেখা যায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটকে। কিন্তু তাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে থাকেন ওই নারী ।
৫ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী পুলিশকে বলেছেন, ‘করোনায় কয়জন ডাক্তারের জীবন গেছে, আর কতজন মরছেন আপনারা। আমার কাছে চান মুভমেন্ট পাস আবার।’
এরপরই পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ওই নারীকে পুলিশের এক সদস্য বলেন, ‘আপনি ধমক দিচ্ছেন কেনো আমাদের?’ জবাবে নারী বলেন, ‘আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর মেয়ে।’ পুলিশও বলে, ‘আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। মুক্তিযোদ্ধার কথা শোনাচ্ছেন আপনি আমাকে।’
এসময় নিজেকে চিকিৎসক দাবি করা ওই নারী পুলিশকে বলেন, ‘ বন্ধ করতে হবে ডাক্তার হয়রানি। আমি বিএসএমএমইউ প্রফেসর, বীর বিক্রমের মেয়ে। আপনারা আমাকে হয়রানি করতে পারেন না।’ পরে পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, ‘আপা আপনাকে তো হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে।’
এর পরে ওই নারী চিকিৎসক নিজ গাড়িতে ওঠে যান। তখন পুলিশের এক সদস্য বারবার ওই নারীকে বলেন, ‘আমাকে আপনি তুই তুই করে কেন বলছেন?’ এক পর্যায়ে হয়রানি করলে তিনি পুলিশকে আন্দোলনের হুমকি দেন। পুলিশ জবাবে বলছে, ‘আমাদের আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন।’
‘আর আমি কে, এখন সেটা তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা।’ এই কথা বলে তিনি এক ‘মন্ত্রীকে’ ফোন করেন । ফোনে তাকে হয়রানি করার কথা বলেই তার ফোন তুলে দেন পুলিশ সদস্যের হাতে কথা বলার জন্য। তারপরও তিনি পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাননি ।