a
সংগৃহীত ছবি
সিলেটে পর পর চারবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সর্বশেষ আজ শনিবার (২৯ মে) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে চতুর্থবারের মতো মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
এর আগে শনিবার (২৯ মে) সকাল ১০টা ৩৭ মিনিটে প্রথম, ১০টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় এবং ১১টা ২৯ মিনিটে তৃতীয় ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
এদিকে ভূমিকম্পের বিষয়ে ঢাকা থেকে সিলেট আবহাওয়া অফিসকে কিছু না জানানোর কারণে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলতে পারছেন না জানিয়েছেন সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. মাহমুদুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, টানা ৪ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে ঢাকা থেকে রিপোর্ট না এলে এর মাত্রা ও উৎপত্তিস্থলের ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে দ্রুত রিপোর্ট চলে আসবে বলে জানিয়েছে।
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
আনারুল হক নাজমুল, রিপোর্টার, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন: প্রতিপক্ষকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের ৩ জন অস্ত্রসহ র্যাবের হাতে আটক হয়েছে। বুধবার দিনগত মধ্য রাতে র্যবের -১২ সিপিসি ৩ মেহেরপুরের গাংনী ক্যাম্পের এক বিশেষ অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি ওয়ান শুটারগান।
আটককৃতরা হচ্ছে- গাংনী উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের তরিকুল ইসলাম (৩০), জেনারুল ইসলাম (২৫) ও সামিম আজাদ ওরফে বাবুল (৩৮)। র্যাবের ১২ গাংনী ক্যাম্প কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার এনামুল হক জানান, ছাতিয়ান গ্রামের রতন আলী নামের এক ব্যক্তির বসতবাড়ির মাটির নিচে অস্ত্র পুতে রেখে র্যাবকে গোপনে খবর দেয় আটক তিন জন। রতনকে ফাঁসাতে অস্ত্র রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত হয় র্যাব। রাতে অভিযান চালিয়ে রতনের বসতবাড়িতে পুতে রাখা একটি ওয়ান শুটারগানসহ তিন জনকে আটক করে র্যাব। এসময় তারা রতনকে ফাঁসাতে অস্ত্র রাখার বিষয়টি স্বীকার করে।
র্যাব জানায়, রতন আলীর সাথে আটককৃতদের বিরোধ রয়েছে। সে বিষয়ে একটি মামলা চলমান রয়েছে। এসব বিরোধদের জের ধরেই রতনকে ফাঁসাতে তারা অস্ত্র রাখার নাটক সাজায়।
আটক তরিকুল, জেনারুল ও বাবলুর বিরুদ্ধে গাংনী থানায় অস্ত্র আইনে মামলাসহ সোপর্দ করা হয়ে হয়েছে বলে জানায় র্যাব।
ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় ৪ শতাধিক দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যে ৪০-৫০ জনের অবস্থা গুরুতর। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সহকারী পরিচালক রাজীব পালিত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের শীতলপুর এলাকায় অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোতে (সাবেক কাশেম জুট মিল) লোডিং পয়ন্টের ভেতরে আগুন লাগে। প্রথমে কুমিরা ও সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পুলিশের সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও শ্রমিকসহ ৪ শতাধিক মানুষ দগ্ধ ও আহত হন।
রাত ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল হতে জানা যায়, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও শ্রমিকসহ ৪০-৫০ জনের বেশি মানুষকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চট্টগ্রাম, ফেনী ও কুমিল্লা থেকে ফায়ার সার্ভিসের মোট ২৪টি টিম এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। কিন্তু রবিবার সকাল পৌনে ১১টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। বিস্ফোরণে আশপাশের ঘরবাড়ি ও মসজিদের কাচের দরজা-জানালা ভেঙে যায়। এমনকি শিশুরাও বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁদে ওঠে।
সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিস্ফোরণে থানার কনস্টেবল তুহিনের এক পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এছাড়া থানার আরও অন্তত পাঁচ কনস্টেবল, ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোতাহার হোসেন ও শিল্প পুলিশের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন।’
চমেক মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম বলেন, ‘হতাহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন।’ সূত্র: ইত্তেফাক