a সেনাবাহিনী সিলেটে বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে কাজ করছে
ঢাকা রবিবার, ২৫ মাঘ ১৪৩২, ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

সেনাবাহিনী সিলেটে বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে কাজ করছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০২২, ০৮:১৩
সেনাবাহিনী সিলেটে বন্যাদুর্গতদের উদ্ধারে কাজ করছে

ফাইল ছবি

সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনায় সেনা সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেলে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সিলেট জেলার মধ্যে সদর উপজেলা, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা, জামালগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, ছাতক ও দিরাইয়ে কাজ কাজ করে যাচ্ছে সেনা বাহিনী।

এছাড়াও, সুনামগঞ্জের খাদ্য গোডাউন রক্ষা এবং সিলেটের কুমারগাঁও পাওয়ার স্টেশনে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

সেনা সদস্যরা পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিতে কাজ করছেন। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন এবং উদ্ধারকৃতদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান ও সীমিত পরিসরে খাদ্য এবং সুপেয় পানি সরবরাহ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সূত্র: ইত্তেফাক

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ট্যাক্স হচ্ছে জনগণের হক: এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান


আরাফাত, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৫৩
ট্যাক্স হচ্ছে জনগণের হক: এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান বলেন, ট্যাক্স হচ্ছে জনগণের হক। কারণ এই ট্যাক্স জমা হয় সরকারের ট্রেজারিতে। আর সরকারের এই টাকার মালিক দেশের ১৮ কোটি জনগণ। ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া মানে ১৮ কোটি জনগণকে ফাঁকি দেওয়া।

একজন মানুষকে ঠকানোর পর যখন আপনার বোধহয় আপনি ঠকিয়েছেন তখন তার কাছে মাফ চাইতে পারেন। ওই ব্যক্তি যদি মারা যায় তাহলে ওই জেনারেশনের কাছে মাফ চাইতে পারবেন। কিন্তু আপনি যখন দেশের ১৮ কোটি মানুষকে ঠকাবেন তখন কতজনের কাছে আপনি মাফ চাইবেন। আপনি কিন্তু এই মাফ পাবেন না। তাই আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব আইন মেনে চলা।

গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিন নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন এর সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন এবং ২০২৫-২০২৬ এর অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, আমাদের রাষ্ট্র ১৮ কোটি মানুষের পরিবার। ১৮ কোটি মানুষই রোজগার করবে না। কেউ অনেক বেশি রোজগার করবে। সে অনেক বেশি ট্যাক্স দিবে। যে তার চেয়ে কম রোজগার করবে সে কম ট্যাক্স দিবে। যে কোনো রোজগারই করবে না সে কোনো ট্যাক্সই দিবে না। বরং সরকার তাকে দিবে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে এখনো সেই কালচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয় নি। 

নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মালিক সোহেল সারোয়ারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলী জিন্নাহ খানের সঞ্চালনায় এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য একেএম বদিউল আলম, ব্যারিস্টার মতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলের কর কমিশনার রওশন আখতার, নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্স ল ‘ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো.মাজম আলী খান, নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রুহুল আমীন, নারায়ণগঞ্জ ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এমএসএ মনির, বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহ-সভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সভাপতি এম সোলায়মান প্রমুখ।  সূত্র: যুগান্তর

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

ইডেন মহিলা কলেজকে বিলুপ্ত বা একীভূত করার উদ্যোগ অযৌক্তিক- হেলেন জেরিন খান


সাইফুল আলম, ঢাকা প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৪০
ইডেন মহিলা কলেজকে বিলুপ্ত বা একীভূত করার উদ্যোগ অযৌক্তিক- হেলেন জেরিন খান

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:   সম্প্রতি ঘোষিত 'ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাব ও নীতিগত সিদ্ধান্তের কারনে ইডেন কলেজের সক্ষমতা সংকোচন ও স্বাতন্ত্র্য বিনষ্ট হওয়ার আশংকা প্রবল হয়েছে। ইডেন মহিলা কলেজ প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষ থেকে হেলেন জেরিন খান, প্রফেসর নিশরাত বেগম, সুলতানা রাজিয়া, খন্দকার ফারহানা ইয়াসমীন আতিকা, ডক্টর নাহিদ মনসুর, প্রফেসর শামীমা, প্রফেসর রহিমা সুলতানাসহ অন্যান্যদের নেতৃত্বে আজ তাদের স্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। 

ইডেন মহিলা কলেজ প্রাক্তন ছাত্রীবৃন্দ আজ ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ইং দুপুরে রাজধানী ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন। এখানে লিখিত মূল বক্তব্য পাঠ করেন হেলেন জেরিন খান। তারা বলেন, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সাতটি সরকারী কলেজকে ঘিরে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠন ও প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও নাগরিক সমাজে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইডেন মহিলা কলেজ উপমাহাদেশের প্রথম নারী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রায় ২২,০০০ শিক্ষার্থী এ প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত। অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী দেশ-বিদেশে সুনাম ও কৃতিত্বের সাথে জাতির অগ্রযাত্রায় অবদান রাখছেন । 

আমাদের পর্যবেক্ষন
১। ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা কলেজ দীর্ঘকাল ধরে নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় অবিস্মরনীয় ভুমিকা পালন করে আসছে। বিশেষত ধর্মপ্রাণ ও নিম্ন-আয়ের পরিবারের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এগুলো নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও মর্যাদাপূর্ন শিক্ষাকেন্দ্র। কিন্তু খসড়া অধ্যাদেশের ৬(১)(খ) ধারা অনুযায়ী ইডেন ও বদরুন্নেসা কলেজে সহশিক্ষা চালুর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে যা নারীশিক্ষার নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার পরিপন্থী । এটি নারী শিক্ষার্থীদের পছন্দের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করবে এবং শতবর্ষব্যপী নারী শিক্ষার ঐতিহ্য নষ্ট করবে। প্রস্তাবিত সংকোচন কার্যকর হলে রাজধানীতে নারীদের উচ্চশিক্ষা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে, তাদের প্রবেশাধিকার সংকীর্ন হবে এবং সংবিধান প্রদত্ত সমান সুযোগের নিশ্চয়তা লঙ্ঘিত হবে। সংবিধানে ২৮(১) ও (২) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ২৮ (8) অনুচ্ছেদে নারীর জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানের অনুমোদন রয়েছে। একই সাথে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG ৪.৩ ও ৪.৪) নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জন্য সমানভাবে উচ্চশিক্ষা সম্প্রসারনের আহ্বান জানিয়েছেন । সুতারং প্রস্তাবিত সংকোচন কেবল সাংবিধানিক দায়িত্বের পরিপন্থী নয় বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

২। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ সেশনে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার সময় আসন সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস করা হয়েছে। ফলে দেশের বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা হতে বঞ্চিত হবে এবং তুলনামূলক সামর্থবান অনেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকবে, যা শিক্ষার বানিজ্যিকীকরণ বাড়াবে।
৩ । বিসিএস সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পেশায় ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সফলতার সাথে কর্মরত রয়েছেন । উল্লেখ্য ইডেন মহিলা কলেজের ৫১ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে নিজ কলেজেই কর্মরত আছেন, আর সারাদেশে এ সংখ্যা আরও বেশি। আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় হলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের পদ সেখানে সংকুচিত হয়ে যাবে।  ইতোপূর্বে জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরের ফলে সেখানকার ৪০০+ পদ বিলুপ্ত হয়েছিল। উল্লেখযোগ্য যে, গত ১০ বছরে এই ক্যাডারে কোনো নতুন পদ সৃষ্টি হয়নি। বর্তমানে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হলে সাত কলেজের ১৪০০+ পদ বিলুপ্ত হলে তা ভবিষ্যত বিসিএস সাধারন শিক্ষা ক্যাডার পদপ্রার্থীদের বিশাল সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবে।

৪। ইতোমধ্যেই শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রস্তাবিত কাঠামোর প্রতি অনাগ্রাহ প্রকাশ করে আন্দোলনে নেমেছে। ইডেন কলেজের শিক্ষার্থীরা মানব বন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাই সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ বিবেচনা না করলে ব্যাপক শিক্ষার্থী অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকি তৈরি হবে।

আমাদের সুপারিশ:
১। জাতীয় ইতিহাস ও সামাজিক বাস্তবতায় ইডেন মহিলা কলেজকে বিলুপ্ত বা একীভূত করার উদ্যোগ
অযৌক্তিক ও অবিবেচনাপ্রসূত হবে ।
২। কলেজগুলোর বিদ্যমান অবকাঠামো, সক্ষমতা ও ভৌগলিক অবস্থান বিবেচনা করে ৭ কলেজকে কলেজিয়েট বা অধিভুক্তিমূলক কাঠামোর আওতায় রাখা ।
৩ । শিক্ষকদের পদ সংখ্যা বৃদ্ধি, গবেষণা বাজেট, আধুনিক ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, আবাসন ও বৃত্তি সুবিধা সম্প্রসারনের মাধ্যমে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করা।
৪। শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত যৌক্তিকীকরণ করা। পাশাপাশি পাঠদানকৃত বিষয়সমূহ ও সিলেবাস পুনর্বিবেচনা করে যুগোপোযুগী করে তোলা ।
৫ । শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের স্বার্থ সুরক্ষা করে শিক্ষা পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ।
৬ । সকল অংশীজনের জানার অধিকার ও তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ৷
৭। প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে অন্য কোন পৃথক ক্যাম্পাসে স্থাপন করে ঢাকার সাতটি কলেজসহ বিভাগীয় অন্য আরও শতবর্ষী কলেজকে অন্তর্ভূক্ত করা।
আমরা শান্তি চাই, স্থিতি চাই। ইডেন কলেজসহ সাত কলেজের ঐতিহ্য ও স্বতন্ত্র মর্যাদা যেন বলি না হয়, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা মহিলা কলেজে যেন সহশিক্ষা চালু না হয়, শিক্ষার বানিজ্যিকীকরণ যেন না হয় - এটাই আমাদের কাম্য।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - সারাদেশ