a
ফাইল ছবি
সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উদ্ধারকাজ পরিচালনায় সেনা সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেলে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, সিলেট জেলার মধ্যে সদর উপজেলা, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা, জামালগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, ছাতক ও দিরাইয়ে কাজ কাজ করে যাচ্ছে সেনা বাহিনী।
এছাড়াও, সুনামগঞ্জের খাদ্য গোডাউন রক্ষা এবং সিলেটের কুমারগাঁও পাওয়ার স্টেশনে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
সেনা সদস্যরা পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিতে কাজ করছেন। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন এবং উদ্ধারকৃতদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা প্রদান ও সীমিত পরিসরে খাদ্য এবং সুপেয় পানি সরবরাহ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সূত্র: ইত্তেফাক
সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ১ সপ্তাহের লকডাউন। সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে স্থানীয় ও দুরপাল্লার সকল প্রকার গণপরিবহন। বন্ধ রাখা হয়েছে ঔষধ, খাদ্যের দোকান ব্যতিত সকল দোকান-পাট।
সোমবার সকাল থেকে লকডাউন কার্যকরে মাঠে রয়েছে পুলিশ।
জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ জেলা শহরের পোস্ট অফিস মোড়, আরাপপুর, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনা কার্যকর ও সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন করতে সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল ইসলাম নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আবুল বাশার, ডিবি ওসি আনোয়ার হোসেন, সদর থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমানসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়।
এ সময় লকডাউনে অযথা শহরে ঘোরাঘুরি না করতে ও জরুরী প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া মানুষকে স্বাস্থ্য বিধি মানতে নানা পরামর্শ দেন।
ফাইল ছবি
আগামীকাল বুধবার ১ সেপ্টেম্বর পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রত্যাশিত সাফল্য পেতে হলে পরিকল্পিত ক্রিকেটের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন টাইগার দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পাশাপাশি হোম গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ শক্ত প্রতিপক্ষ বলেই সতর্ক কিউই অধিনায়ক টম লাথাম।
বাংলাদেশের জন্য সুখবর অস্ট্রেলিয়া সিরিজে না থাকলে দলে আছেন ব্যাটিং স্তম্ভ মুশফিক। লিটন আসায় গভীরতা বেড়েছে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে। নাঈমের সাথে ওপেনিং লিটন, সাকিব তিনে, মুশফিকের প্রিয় পজিশন চার নম্বরে। ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ, আফিফ, সোহানদের ব্যাটিংয়ে হবে রদ বদল।
সাকিব থাকলেও, উইকেট বিবেচনায় বিশেষজ্ঞ স্পিনার নাসুম আহমেদ, আর কাটার মাস্টারের সাথে শরিফুল অনেকটাই নিশ্চিত বলা যায়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অধরা জয়ই শুধু নয়। দৃঢ় সংকল্প সিরিজ জেতার।
সবশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারের প্রতিশোধের জ্বালাও মেটাতে চায় বাংলার বাঘেরা। এ প্রসঙ্গে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, 'নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জেতার দারুণ একটা সুযোগ আমাদের সামনে। কোনো ভুল করা যাবে না। সাফল্য পেতে হলে স্বাভাবিকভাবে ভালো খেলার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে।
'মূল দল না আসলেও, লাথাম, নিকোলস, গ্র্যান্ডহোম, হ্যানরিদের মতো অভিজ্ঞদের সাথে তারুণ্যের মিশেলে দারুণ দল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এবার কি হবে নিউজিল্যান্ডের? একে তো ফর্মের তুঙ্গে টাইগাররা। তারওপর ঘরের মাঠ। সাকিব নাসুমের স্পিন ভেলকি আর মুস্তাফিজের কাটার ধাঁধা।
তাই বাড়তি সতর্ক অতিথিরা। এ বিষয়ে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার টম লাথাম বলেন, 'এই সিরিজটা সহজ হবে না। বাংলাদেশ দারুণ ফর্মে আছে। তাদের বিপক্ষে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের সব বিভাগেই সর্বোচ্চ অবদান রাখার বিকল্প নেই।' নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের একটিতেও জয় পায়নি বাংলাদেশ। ১ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচের পর ৩, ৫, ৮ ও ১০ তারিখ সিরিজের বাকি চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ম্যাচের ভেন্যুই শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
বাংলাদেশ দলঃ মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আফিফ হোসেন, নাইম শেখ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, নাসুম আহমেদ।
নিউজিল্যান্ড দলঃ টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), ফিন অ্যালেন, হামিশ ব্যানেট, টম ব্লানডেল, ডগ ব্রেসওয়েল, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, জ্যাকব ডাফি, স্কট কুগেলেইন, কোল ম্যাককনকি, হেনরি নিকোলস, আজাজ পেটেল, রাচিন রবীন্দ্র, বেন সিয়ারস, উইল ইয়ং, ব্লেয়ার টিকনার।