a
ফাইল ছবি
করোনার বিধিনিষেধের জন্য বন্ধ থাকা বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের বিমান চলাচল আগামী ২৯ মে থেকে পুনরায় শুরু হবে। গতকাল রবিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবে প্রাতিষ্ঠানিক হোটেল কোয়ারেন্টিন প্যাকেজ সুবিধা নিশ্চিত করা সাপেক্ষে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ২৯ মে থেকে ফ্লাইট পরিচালনা আরম্ভ করতে যাচ্ছে।
অর্থাৎ কেউ সৌদি আরবে যেতে চায় তাকে আগে সেখানে কোয়ারেন্টিনে থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য হোটেল বুকিংসহ কোয়ারেন্টিন প্যাকেজ এবং বিমানের আসন সংরক্ষণের জন্য বিমানের যে কোনো সেলস কাউন্টারে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।
সৌদি আরব সরকার ২০ মে থেকে বিভিন্ন শর্ত আরোপ করায় পাঁচদিনের জন্য সৌদি আরবগামী সকল ফ্লাইট স্থগিত করেছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ।
আরো বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইট, অথবা বিমান কল সেন্টার ০১৯৯০ ৯৯৭ ৯৯৭ নম্বরে অথবা বিমানের ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যেকোনো সমস্যায় বিমান বাংলাদেশ সুপরামর্শ দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
ফাইল ছবি
সারা দেশে রপ্তানিমুখী সব শিল্প ও কলকারখানা খুলেছে আজ রোববার। চলমান কঠোর লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মধ্যে কলকারখানা খোলার ঘোষণার পর শুরু হয় গ্রাম থেকে ঢাকামুখী মানুষের ঢল নেমেছে। এছাড়া গণপরিবহন চলাচলের ঘোষণায় সড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে বলে জানা গেছে।
সকালে সরেজমিনে সাভারের আশুলিয়া, বাইপাল, জামগড়া, শ্রীপুর, নরসিংহপুর, জিরাবো, আশুলিয়া বাজার এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সাভারের সড়কে আন্তঃজেলা ও লোকাল বাস, ট্রাক, সিএনজি ও ব্যক্তিগত গাড়ির আধিক্য দেখা গেছে।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গাড়ির তেমন চাপ না থাকলেও আশুলিয়া বাইপাল-আবদুল্লাহপুর সড়কে চাপ দেখা গেছে। বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে গাড়ির তেমন চাপ নেই। তবে কঠোর লকডাউনে গেল ৯ দিনের চেয়ে গাড়ি অনেক বেড়েছে।
গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন সারা দেশে চলছে । এমনকি গার্মেন্টসসহ সব শিল্প-কারখানাও বন্ধ ছিল। যা শেষ হবে আগামী ৫ আগস্ট। এর মধ্যে ১ আগস্ট থেকে গার্মেন্টস খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। এরফলে সড়কে সব ধরণের যানবাহন ও মানুষের যাতায়াত বেড়েছে।
ফাইল ছবি
মার্কিন ভিসানীতি নিয়ে বিচলিত নন বলে মন্তব্য করেছেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
আজ সোমবার সুপ্রিমকোর্টে শেষ কর্মদিবসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, রক্তের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে, কারো অনুকম্পায় নয়। স্বাধীনতার সময় যারা বিরোধিতা করেছিল, তারাই এখন বিরোধিতা করছে। তাই এই ভিসা নীতিতে আমরা বিচলিত নই। আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনো যুক্তরাষ্ট্র যাইনি, ভবিষ্যতেও যাওয়ার ইচ্ছা নেই। সূত্র: যুগান্তর