a মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কেপিএল শুরু
ঢাকা বুধবার, ২১ মাঘ ১৪৩২, ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কেপিএল শুরু


অশ্রু মল্লিক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৯:০৯
মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কেপিএল শুরু

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বরিশালের উজিরপুরের কারফায় শুরু হলো ক্রিকেট টুর্নামেন্ট কারফা প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল)।

‘খেলাধুলায় সুস্থ থাকে শরীর-মন, মাদক-মোবাইল রেখে মাঠে চল’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় আকাশে শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে কারফার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট অধ্যাপক ডা. হরেন্দ্রনাথ সরকার কেপিএল সিজন-২ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ডা. হরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন,’ খেলাধুলা একদিকে যেমন শরীর-মন ভাল রাখে অন্যদিকে মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

এ সময় তিনি ভাল উদ্যোগের সাথে সর্বদা থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এর আগে স্বাগত বক্তব্য দেন কেপিএল এর অন্যতম আয়োজক ও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রণয় বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘ তরুণ ও যুব সমাজকে মাদক-মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে এবং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরী করতে কেপিএল আয়োজন। আশা করছি, কেপিএল-এর মাধ্যমে কারফা সব শ্রেণির মানুষ একটি প্লাটফর্মে আসবে।’  

ভীষ্মদেব বিশ্বাসের সভাপতিত্বে নিখিল বিশ্বাসের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কেপিএল সিজন-২ তে অংশগ্রহণকারী ৬ দলের সকল খেলোয়ারবৃন্দ ও কারফার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিক উপলক্ষে কারফা প্রিমিয়ার লিগ (কেপিএল)- এর প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

পোলার্ডের দানবীয় ইনিংসে জিতলো মুম্বাই


হানিফ, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন:
রবিবার, ০২ মে, ২০২১, ১২:২৫
পোলার্ডের দানবীয় ইনিংসে জিতলো মুম্বাই

ফাইল ছবি

গত ১ মে রাতে আইপিএলের ২৭তম ম্যাচে মুখোমুখি হয় মুম্বাই ও চেন্নাই। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আম্বাতু রাইডুর ২৭ বলে ৭২ রানের বিস্ফোরক ইনিংসের উপর ভর করে ২১৯ রানের বিশাল পুজিপায় চেন্নাই। জবাব দিতে নেমে কিছুটা নড়বড়ে শুরু করে মুম্বাই দলীয় ১৭০ রানে ৪র্থ উইকেটের পতন হয়। তখন চেন্নাই এর জয় অনুমেয় ছিল। আর তখন হাতে বল ছিল ২১টি, রান প্রয়োজন ছিল ৪৯ রান। 

মাঠে নামেন ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান কাইরন পোলার্ড, একে একে বল শুধু সীমানা পার করছেন, দর্শকরা বুঝে উঠার আগেই চার ছয়ের ফুলঝুরিতে রানের বন্যা বইয়ে দিলেন তিনি। ইনিংসের যখন শেষ ওভার তখন ৬ বলে দরকার ১৬ রান। বোলিংয়ে আছেন প্রোটিয়া পেসার লুনগি এনগিডি। প্রথম বল প্রায় বাউন্ডারির কাছে চলে গেলেও কোন রান নেননি পোলার্ড। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ৪ মেরে প্রয়োজন নিয়ে আসেন ৮। হাতে বল ৩টি, আর রান দরকার ৮। যে কোনও দল তখন চাপে পড়ে যাবে সেটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলটা কখন কি করে বসে তা বলা মুশকিল। তারা ত এমনি এমনি পাঁচবারের শিরোপা জিতেনি। পরিস্থিতি যাই হোক, চ্যাম্পিয়নরা জয় নিয়েই কিভাবে বের হবে সে উপায় তাদের জানা আছে। এদিকে ৪র্থ বল যখন ডট দেন সবাই ভাবছে হেরে গেলো মুম্বাই কিন্তু না, পরের বলেই মারেন বিশাল ছক্কা। শেষ বলে ২রান দরকার হলে তা অনায়াসেই সংগ্রহ করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এ হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। 

এদিন দলের ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা ম্যাচ শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় জানালেন নিজের আইপিএল ক্যারিয়ারে দেখা পোলার্ডের এই ইনিংস অন্যতম সেরা। শুধু বিশাল ছক্কা মেরে জেতালেন বলে নয়, যেভাবে হিসেব কষে নিজের ইনিংস সাজালেন সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলছেন মুম্বাই এই অধিনায়ক।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৪৪
সরকারের ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা এক তামাশা: গণফোরাম

ফাইল ছবি

কোভিড-১৯ মহামারিতে গোটা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়েছে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলো যেখানে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। আর বাংলাদেশ সরকার করোনা নিয়ে মিথ্যাচার করে দেশের মানুষকে ভয়াবহ পরিস্থির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার গণফোরামের জ্যেষ্ঠ তিন নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে সাক্ষরকারী নেতারা হলেন-দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ চৌধুরী এবং গণফোরাম এর মুখপাত্র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।

করোনায় সরকার ঘোষিত ১০ কোটি টাকা প্রণোদনার সমালোচনা করে বিবৃতিতে তারা বলেন, লকডাউনের নামে নিম্নবিত্তদের জীবন দুর্বিষহ করে ফেলেছে সরকার। বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া এক তামাশা ছাড়া কিছু নয়। কারণ এই দেশের বহু সংখ্যক লোক দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করে। তাদের ঘোষিত এ্ই ১০ কোটি টাকার প্রণোদনা কিভাবে এসব মানুষের মাঝে বিতরণ করবে?

গত বছরে সরকারের দেওয়া প্রণোদনার ১০ হাজার কোটি টাকার সিংহ ভাগ চলে গিয়েছিল বর্তমান সরকারের নেতা কর্মীদের পকেটে। সাধারণ মানুষের কাছে সে সাহায্য পৌঁছে নাই।

তারা আরও বলেন, এভাবে দেশের নিম্নবিত্ত মানুষদের কষ্ট না দিয়ে, তাদের জন্য ত্রাণের যথাযথ ব্যবস্থা করে লকডাউন কার্যকর না করলে এসব মানুষকে কখনোই ঘরে আটকে রাখা যাবে না।
 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্রিকেট

ক্রিকেট এর সব খবর