a
ফাইল ছবি
শ্রীলঙ্কায় উড়াল দেয়ার আগে গত ৯ এপ্রিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য ২১ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল মূল ম্যাচের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে ঘোষণা করা হবে মূল স্কোয়াড।
আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া ১ম টেস্টের জন্য আজ (২০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
লম্বা সময়ের পর টেস্ট দলে ফেরা শুভাগত হোম জায়গা পাননি চূড়ান্ত স্কোয়াডে। প্রাথমিক স্কোয়াডে ছিলেন তিন নতুন পেসার। তবে তিন জনের মধ্যে মূল স্কোয়াডে জায়গা হয়েছে উঠতি তারকা পেসার শরিফুল ইসলাম। বাদ পড়েছেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও শহিদুল ইসলাম।
এছাড়া মূল স্কোয়াডে জায়গা পাননি স্পিনার নাঈম হাসান, পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও স্পেশালিস্ট উইকেট রক্ষক নুরুল হাসান সোহান।
১ম টেস্টের জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের স্কোয়াডঃ
মুমিনুল হক (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল খান, সাদমান ইসলাম অনিক, আবু জায়েদ চৌধুরী রাহি, তাইজুল ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি, শরিফুল ইসলাম।
অপরপক্ষে, শ্রীলঙ্কার টেস্ট স্কোয়াডঃ
দিমুথ করুণারত্নে (অধিনায়ক), লাহিরু থিরিমান্নে, ওশাদা ফার্নান্দো, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, দীনেশ চান্দিমাল, পাথুম নিসাঙ্কা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, রোশেন সিলভা, দাসুন শানাকা, নিরোশান ডিকওয়েলা, সুরাঙ্গা লাকমাল, লাহিরু কুমারা, বিশ্ব ফার্নান্দো, আসিথা ফার্নান্দো, দিলশান মাদুশঙ্কা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, রমেশ মেন্ডিস ও প্রাভিন জয়াবিক্রমা।
ফাইল ছবি
বিপর্যয় সামলিয়ে শ্রীলঙ্কা শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। ফাইনালের মহারণে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়েছে দাসুন শানাকার দল।
টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে নানা উত্থান-পতনের পর পাকিস্তানকে ১৭১ রানের বড় টার্গেট দেয় শ্রীলঙ্কা। তবে সেই বড় রান তাড়া করতে গিয়ে খেই হারায় বাবর আজমের দল। লঙ্কান বোলারদের তোপে রিজওয়ান ও ইফতেখার ছাড়া কেউই উল্লেখযোগ্য স্কোর করতে পারেননি। রিজওয়ান করেছেন ৪৯ বলে ৫৫ আর ৩১ বলে ৩২ রান করেছেন ইফতেখার।
লঙ্কান বোলারদের মধ্যে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে প্রমোদ মাদুশান। বাবর আজমের উইকেট নেওয়ার মধ্য দিয়েই তিনি পাকিস্তান শিবিরে ভাঙন ধরান। পরের বলেই ফখর জামানকে সাঁঝ ঘরে পাঠান শূন্য রানে।
এরপর ইফতেখার-রিজওয়ান জুটি পাকিস্তানকে খেলায় ফেরালেও আবারও ভাঙন ধরান মাদুশান। ইফতেখারকে তুলে নিয়ে তিনি আবারও লঙ্কানদের নিয়ে আসেন চালকের আসনে। সবমিলিয়ে এই লঙ্কান বোলার ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাও পাকিস্তান শিবিরে ধস নামিয়েছেন ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে স্পিন ভেল্কিতে তিনিও নিয়েছেন ৩ উইকেট। বাকি তিন ইউকেট ভাগ করে নিয়েছেন চামিকা করুণারত্নে ও মহেশ থিকসানা।
পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১৪৭ রানে। এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলংকা ২৩ রানে হারায় পাকিস্তানকে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
মৃত্যুর ৯ বছর পর খোঁজ পাওয়া গেল তালেবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের কবর। তার মৃত্যু এবং কোথায় কবরস্থ করা হয়েছে তা এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল।
১৯৯৬-২০০০ মেয়াদে আফগানিস্তানের সরকার গঠন করে তালেবান। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন মোল্লা ওমর। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে ক্ষমতাচ্যুত হন মোল্লা ওমর। আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে তালাবানকে উৎখাত করা হয়।
এ ঘটনার পর মোল্লা ওমরের অবস্থান নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তাকে কোথাও দেখা যাচ্ছিল না। ২০১৫ সালে তালেবান স্বীকার করে দুই বছর আগে তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু কোথায় তার কবর সে সম্পর্কে মুখ খোলেনি তখন।
তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ রোববার বার্তা সংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করে বলেন, মোল্লা ওমরের কবর জাবুল প্রদেশের সুরি জেলার ওমরজোর গ্রামে। শত্রুরা যাতে ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য বিষয়টি গোপন ছিল।
মুজাহিদ বলেন, শুধু পরিবারের সদস্যরা মোল্লা ওমরের কবরের ব্যাপারে জানতেন। এখন আমরা সমাধিস্থলটি উন্মুক্ত করেছি, কারণ এখন আর শত্রুর ভয় নেই।
মোল্লা ওমার ৫৫ বছর বয়সে মারা যান। সোভিয়েত বাহিনী আফগানিস্তান দখলের পর ১৯৯৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের সময় নিজে তালেবান সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মোল্লা ওমর। সূত্র: যুগান্তর