a ধোনির বাবা-মা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি
ঢাকা শনিবার, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২, ১৪ মার্চ, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

ধোনির বাবা-মা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি


ক্রীড়া ডেস্ক:
বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১, ০৯:৪৫
ধোনির বাবা-মা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

ফাইল ছবি

বিশ্বকাপজয়ী ভারতের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির বাবা-মা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রাঁচির পালস সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ধোনির বাবা পান সিং এবং মা দেবকী দেবীকে।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বুধবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাঠে যাচ্ছেন চেন্নাই অধিনায়ক ধোনি। কিন্তু ঠিক তার আগ মূহুর্তে এলো এই দুঃসংবাদ।

হাসপাতালে আপাতত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ধোনির বাবা-মাকে। তাদের বয়স বেশি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছে ধোনির পরিবার।

এদিকে আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের মাঝেখানে বায়ো-বাবল ছেড়ে বের হওয়ার উপায় নেই ধোনির। তাই মা-বাবার সঙ্গে আপাতত দেখা হচ্ছে না ধোনির।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস পায় কীভাবে: মুশফিক


ক্রীড়া ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ১৮ জুলাই, ২০২১, ১১:৫১
সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস পায় কীভাবে: মুশফিক

ফাইল ছবি

বল হাতে বেশ কয়েক ম্যাচে জ্বলে উঠলেও নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পরে ব্যাট হাতে দলকে বড় ইনিংস উপহার দিতে পারছিলেন না দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে ব্যর্থ সাকিবের সমালোচনায়ও মেতে উঠেছিলেন কেউ কেউ। সেটা হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন তারই সতীর্থ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। 

তাই তো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সাকিবের দূর্দান্ত ৯৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংসের পর এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুশফিক প্রশ্ন তুললেন, সামান্য কয়েকবার ব্যর্থ হলেই লোকে সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস পায় কীভাবে?

হারারেতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটে-বলে দূর্দান্ত ছিলেন সাকিব। প্রথমে বোলিংয়ে ১০ ওভারে ৪২ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট। পরে ব্যাট হাতে দলের চরম বিপদে খেলেছেন ৯৬ রানের হার না মানা ইনিংস।

তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এদিন জয়টা সহজ ছিল না বাংলাদেশের জন্য। দ্বিতীয় ইনিংসে টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে প্রায় হারতে বসা দলকে জিতিয়েছেন সাকিব। নিজে অপরাজিত থেকেছেন ৯৬ রানে।

টাইগারদের জয়ের সাথে সাথে ব্যক্তিগত কারণে দেশে ফিরে আসা মুশফিকুর রহিম নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ এবং এই সিরিজ জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি আমার সতীর্থদের।’ এরপরেই মুশফিক লিখেছেন ‘ফর্ম ইজ টেম্পরারি বাট ক্লাস ইজ পার্মান্যান্ট।’ বাক্যটা যে সাকিবকে নিয়েই লেখা তার প্রমাণ পরের কথাগুলোয়, ‘আমি বুঝতে পারি না, সামান্য কয়েকবার ব্যর্থ হলেই লোকে সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস কীভাবে পায়! সে একজন কিংবদন্তি এবং সে চিরকালই বাংলদেশের লিজেন্ড হয়েই থাকবে।’

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইতিহাসের মোড় ঘোরানো মুহূর্তগুলো: ড. শেখ আকরাম আলী


কর্নেল(অব.) আকরাম, কলাম লেখক, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫, ০৮:৫৭
ইতিহাসের মোড় ঘোরানো মুহূর্তগুলো: ড. শেখ আকরাম আলী

ছবি সংগৃহীত

 

নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসের মোড়ঘোরানো মুহূর্তসমূহ একটি জাতির রূপ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট এলাকা বা দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার উপর।দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ ইতিহাসের এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা তাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। উদাহরণস্বরূপ, দ্বাদশ শতকের শেষ দিকে মুসলমানদের বিজয়ী হিসেবে আগমন এবং পরবর্তীকালে শাসক হিসেবে এই ভূখণ্ডে বসবাস শুরু, যা চলতে থাকে ১৭৫৭ সালে পলাশীর তথাকথিত যুদ্ধে ব্রিটিশদের দ্বারা বাংলা দখল পর্যন্ত। এই ১৭৫৭ সালকে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো বছর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ব্রিটিশ শাসনামলে মুসলমানরা তাদের ক্ষমতা হারায় এবং সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগীতে পরিণত হয়।১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের প্রতিক্রিয়ায় তারা চরম নিপীড়নের শিকার হয়, যদিও হিন্দুরাও ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। এই ১৮৫৭ সালও ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত। ১৮৮৫ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ব্রিটিশ সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলমানদের সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা হয়নি। কিন্তু বিশ শতকের শুরুতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে, যখন ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠিত হয়। এই ১৯০৬ সালকেও ভারতের মুসলমানদের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো বছর হিসেবে দেখা হয়। ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ভারতের মুসলমানদের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।

১৯১৩ সালে মুসলিম লীগ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নেতা হিসেবে পেয়ে সৌভাগ্য অর্জন করে, যদিও ১৯১৫ সালের জানুয়ারিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত হন। আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু গ্র্যাজুয়েট মুসলিম লীগে যোগ দিয়ে জিন্নাহর হাত শক্তিশালী করেন। অল্প সময়েই জিন্নাহ ভারতের মুসলমানদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। এক সময় তিনি হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন, কিন্তু কংগ্রেস নেতাদের মনোভাব তাকে বুঝতে বাধ্য করে যে, হিন্দু মহাসভার অধীনে ভারতের মুসলমানদের অধিকার নিরাপদ নয়। ১৯২৩ সালের শুরুতে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর বিখ্যাত দ্বিজাতি তত্ত্ব ঘোষণা করেন এবং বলেন, ধর্ম, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দৈনন্দিন জীবনে মুসলমানরা হিন্দুদের থেকে আলাদা। এই তত্ত্ব ভারতের মুসলিম জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন প্রথম ভারতীয় সরকার গঠিত হয়, যা জিন্নাহকে স্পষ্ট করে দেয় যে, মুসলমানদের জন্য পৃথক মাতৃভূমির কথা ভাবা ছাড়া উপায় নেই। ফলে ১৯৪০ সালে শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যেখানে মুসলিম রাষ্ট্রের দাবি তোলা হয়। এটিও ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

পাকিস্তানের জন্মকে ভারতীয় মুসলমানদের প্রায় দুই শত বছরের সংগ্রামের ফলাফল হিসেবে দেখা হয় এবং ১৯৪৭ সালকে দক্ষিণ এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো বছর হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু পাকিস্তান শুরুর থেকেই অভ্যন্তরীণ ও বহিঃশত্রুতার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়। ভারত প্রথম থেকেই পাকিস্তানের বিরোধী হয়ে ওঠে এবং তা ভাঙার জন্য বদ্ধপরিকর ছিল।

ইয়াহিয়া খানের সামরিক সরকার পূর্ব পাকিস্তানে সাধারণ মানুষের ওপর সেনা অভিযান চালিয়ে ভারতের জন্য এক ‘সুবর্ণ সুযোগ’ তৈরি করে এবং ভারত এই সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগায়, যার জন্য তারা বহুদিন অপেক্ষায় ছিল। বাংলাদেশের জন্ম ঘটে ভারতের সামরিক সহায়তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের নেতারা নিজেদের স্বার্থে ভারতের সাথে একটি সাত দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা বাংলাদেশের জন্মকে ত্বরান্বিত করে কিন্তু তাকে চিরস্থায়ী দাসত্বের দিকে ঠেলে দেয়। এভাবেই ১৯৭১ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি মোড়ঘোরানো বছর হয়ে ওঠে।

জনগণ দ্রুতই বুঝে যায় যে তারা নিজেদের নেতাদের এবং ভারতের আধিপত্যবাদী রাজনীতির দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। যে নেতা গণতন্ত্রের জন্য লড়েছিলেন, তিনিই নিজের হাতে তা ধ্বংস করেন এবং এর জন্য চরম মূল্যও দেন। ভারতের আধিপত্যবাদী রাজনীতির গতি স্তব্ধ হয় ১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিবের পতনের মাধ্যমে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়।

নভেম্বর ১৯৭৫-এ সিপাহী-জনতার নেতৃত্বে একটি বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের উত্থান ঘটে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ জিয়াউর রহমানের আনা পরিবর্তনে সন্তুষ্ট হন। কিন্তু তার মর্মান্তিক মৃত্যু আবারো ভারতকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপের সুযোগ এনে দেয়।

১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদের পতন রোধ করা যায়নি এবং খালেদা জিয়ার ক্ষমতায় আরোহন ঘটে। এসময় ভারত সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত শেখ হাসিনার প্রথম সরকারে আবারও সাফল্য পায়।

মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমেরিকার সহযোগিতায় ভারতকে আবারো বাংলাদেশে প্রকাশ্য রাজনৈতিক খেলা খেলার সুযোগ দেয়। আমরা বাঙালি মুসলমানরা পুনরায় শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসন এবং ভারতের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার হই। ভারত বাংলাদেশকে নিজের উপনিবেশ মনে করতে শুরু করে।

কয়েক শত প্রাণের ত্যাগ ও কয়েক হাজার মানুষের অজানা দুঃখ-কষ্ট জুলাই বিপ্লব ২০২৪-এর মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনে দেয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের এই পরিবর্তনের সুযোগ দিয়েছেন, এবং তা পুরোপুরি নির্ভর করছে আমাদের আন্তরিকতার উপর। আমরা যদি এই ট্রেন মিস করি, তবে তা চিরতরে হারিয়ে যাবে। জুলাই বিপ্লব ২০২৪ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মোড়ঘোরানো মুহূর্ত হিসেবে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

জনগণ, রাজনৈতিক দল এবং সরকারকে এটি উপলব্ধি করতে হবে এবং জুলাই বিপ্লবকে জাতির সর্বশেষ রাজনৈতিক মোড়ঘোরানো ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। জাতিকে দলীয় ও ব্যক্তিস্বার্থ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং সরকারের উদ্যোগকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বোচ্চ পঠিত - ক্রিকেট

ক্রিকেট এর সব খবর