a
ফাইল ছবি
রাজধানীর শুক্রাবাদ মেইন রোডে কুরবানির হাটে যাওয়া একটি গরুর ট্রাক ছিনতাইয়ের সময় মারুফ হোসেন বিপ্লব নামে এক যুবলীগ নেতাসহ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর শুক্রাবাদ মেইন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ওই যুবলীগ নেতার নাম মারুফ হোসেন বিপ্লব। তিনি মোহাম্মদপুর থানা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার গরু ব্যবসায়ী জুলফিকার বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর ৩টার দিকে কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর থেকে ১৮টি গরু নিয়ে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী হাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। রাজধানীর শুক্রাবাদ মেইন রোডে এলে ওই যুবলীগ নেতাসহ আরও কয়েকজন মিলে লাঠিসোটা নিয়ে গরুর ট্রাকটি আটক করে ব্যবসায়ী ও ট্রাক ড্রাইভারকে মারধর করে গরু ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
ট্রাকে থাকা গরু ব্যবসায়ী আজাদের পকেট থেকে ৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় টহলে থাকা শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের একটি গাড়ি দেখে গরু ব্যবসায়ীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করলে পুলিশের গাড়িটি দ্রুত এসে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যমতে যুবলীগের ওই নেতাকে আটক করে পুলিশ।
এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি উৎফুল বড়ুয়া জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখান থেকে কয়েকজনকে আটক করতে সক্ষম হই। পরে এ বিষয়ে একজন গরু ব্যবসায়ী থানায় মামলা করলে আমরা বাকি আসামিদের আটক করে কোর্টে প্রেরণ করি। সূত্র: যুগান্তর
ছবিঃ সংগৃহীত/অ্যাডভোকেট আশরাফুল আলম
শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে আশরাফুল আলম নামে এক আইনজীবীর বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, বাড়ি-ঘর ভাঙ্গার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ধারালো দা, লোহার রড ও বাঁশের লাঠিসহ বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে পৌরশহরের কালিনগর এলাকায় এসব সন্ত্রাসীমূলক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আইনজীবীর মা রাহিলা খাতুন নালিতাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মোঃ আশরাফুল আলম শেরপুর জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবী। তিনি নালিতাবাড়ী থানার কালিনগর গ্রামে সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় (জি.আর. নং ০৭/২০২৫, ধারা ১৪৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬/৩৪ দণ্ডবিধি) বাদীপক্ষের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন। মামলার কয়েকজন আসামী জামিনে বের হয়ে আশরাফুল আলমকে মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বারবার চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিল।
শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে আসামী রফিকুল ইসলাম (৪৪), নবাব আলী (২২), বাবু মিয়া (২৪), সাদ্দাম মিয়া (৩০) ও মাতাব মিয়াসহ (৪২) আরও কয়েকজন ধারালো দা, লোহার রড ও কিরিচ নিয়ে তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালায়।
তারা আইনজীবি আশরাফুল আলমকে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির টিনের বেড়া ভাঙচুর করে। এসময় আইনজীবীর স্ত্রী বাধা দিলে আসামিরা তাকে ধাওয়া করে। তিনি দৌড়ে ঘরের ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে রক্ষা পান। পরে তিনি মোবাইল ফোনে তার স্বামীকে খবর দিলে, আশরাফুল আলম তাৎক্ষণিকভাবে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা পালানোর সময় কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র ফেলে যায়। পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এডভোকেট আশরাফুল আলমের দাবী, আইন অনুযায়ী যেকারো পক্ষে মামলা পরিচালনার অধিকার রয়েছে। যারা হামলা করেছেন তারা একাধিক হত্যা মামলার আসামী। হামলার পর আশরাফুল আলমের পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন। প্রশাসনের কাছে দ্রুত আসামীদের গ্রেফতারের দাবী জানান তিনি।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।” সূত্র: দি ফিনেন্সিয়াল পোষ্ট
ফাইল ছবি
নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছিল আজারবাইজান। ৪৪ দিনব্যাপী চলা সেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নভেম্বরের ১০ তারিখ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় থেমে যায়। আজারবাইজান ফিরে পায় তাদের কাঙ্খিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল। কিন্তু এর বিনিময়ে আজারবাইজানকে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্যকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
বুধবার (২ জুন) আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এমনটাই দাবি করে। এদিন ৪৪ দিনের যুদ্ধে (২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে ১০ নভেম্বর ২০২০) যে ২ হাজার ৯০০ জন সৈন্য প্রাণ শহীদ হয়েছেন সেখানে তাদের নাম, ডাকনাম, জন্ম তারিখ, র্যাঙ্ক, ব্যাজসহ বিস্তারিত তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে।
পাশাপাশি যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। আর নিখোঁজ সৈন্যদের খুঁজে বের করার সকল প্রক্রিয়া অব্যহত থাকবে বলেও জানান তিনি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।