a হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল থেকে পিকআপসহ ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ
ঢাকা বুধবার, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল থেকে পিকআপসহ ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ


মজিবর, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০২৩, ১১:০৫
হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল থেকে পিকআপসহ ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ

ফাইল ছবি

হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে পিকআপ ভ্যান, সিএনজি অটোরিকশা, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চুরি হচ্ছে। তবে মালিকরা থানায় জিডি করার পর কিছু উদ্ধার হয়, আবার কখনো উদ্ধার হয় না।

বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে গত বুধবার গভীর রাতে সদর থানার ওসি মোঃ গোলাম মর্তুজার নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কের পলিটেকনিক্যাল কলেজ এলাকায় সাড়াশি অভিযান চালিয়ে টাটা পিকআপ (রেজিঃ নং-সিলেট-ন-১১-২১৪৯) গাড়ি আটক করেন। এ সময় তিন চোরকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হল, মাধবপুর উপজেলার সিদ্দিরপুর গ্রামের আব্দুল আওয়ালের পুত্র উজ্জল মিয়া (২৫), গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত সেলিম মিয়ার পুত্র সজল মিয়া (২২) ও তায়িজ মিয়ার পুত্র সিরাজুল ইসলাম মালু মিয়া (৩০)। জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির ঘটনা শিকার করে। এ ঘটনায় এসআই পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম জানান, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিমান্ডে আনা হবে। তারা দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে চোরাই গাড়ি অবাধে বিক্রি করছে। তাদের সাথে কারা জড়িত তাও সনাক্ত করে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কারাবন্দী থেকেই ব্যবসায় জড়িত শীর্ষ জঙ্গিরা


নিউজ ডেস্ক:
বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১, ১০:০৯
কারাবন্দী থেকেই ব্যবসায় জড়িত শীর্ষ জঙ্গিরা

প্রতিকী ছবি

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা কারাগারে বসেই ব্যবসা করছে। গড়ে তুলেছে সরবরাহ প্রতিষ্ঠান। অসাধু কিছু কারা সদস্যকে ম্যানেজ করে শুরু করা এসব ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফা পৌঁছে যাচ্ছে কারাবন্দী জঙ্গি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে। ব্যবসার মূলধন এবং সংগঠনের তহবিল সংগ্রহের জন্য কারাবন্দী জঙ্গিদের নির্দেশেই তাদের একটি অংশ বর্তমানে ডাকাতিসহ নানা অপরাধে লিপ্ত। অবাক করা তথ্য হলো- এসব কিছু হচ্ছে ভয়ংকর অপরাধী এবং কারাবন্দী শীর্ষ জঙ্গিদের জন্য তৈরি করা কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি জেলে। 

গত সোমবার পূর্ব তেজতুরী বাজার এলাকা থেকে দুই জঙ্গিকে  গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য পেয়েছে ঢাকা মহানগর  গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিম। আসিফুর রহমান আসিফ (২৬) ও পিয়াস শেখ (২৮) নামে এই দুই জঙ্গিকে গতকাল আদালতের নির্দেশে তাদের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এর আগে  সোমবার রাতে ডিবির পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা ( নম্বর ৭০) করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গ্রেফতারের সময় আসিফের কাছে টাকার দুটি বান্ডিল পাওয়া গেছে। ২০ হাজার টাকার  একটি বান্ডিলের ওপরে নাহিদ তাসনিম, কাশিমপুর এবং ১৫ হাজার টাকার একটি বান্ডিলের ওপর আল-আমিন, কাশিমপুর লেখা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসিফ জানিয়েছে, এগুলো ডাকাতির টাকা। এই টাকা কাশিমপুর জেলখানায় কর্তব্যরত একজন কারারক্ষীর মাধ্যমে ভিতরে নাহিদ তাসনিম ও আল-আমিনের কাছে পাঠানোর কথা ছিল। এর আগেও ডাকাতি করা টাকা তারা একাধিক কারারক্ষীর মাধ্যমে কারাগারের ভিতরে পাঠিয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহাদাত হোসেন সুমা গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি এখনই কোনো মন্তব্য করতে চান না। তবে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এগুলোর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। শিগগিরই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। গ্রেফতারকৃত দুজনের তথ্য এবং তাদের কাছ থেকে একটি সেল ফোনে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসিফ জানিয়েছে, ডাকাতি করা অর্থ দিয়ে সংগঠনের কারাবন্দী শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে হালাল অ্যান্ড ফ্রেশ নামে একটি খাদ্যপণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিল। কারাগার থেকে তাসনিম, সাঈদ, ফয়সাল ও আল-আমিন তাকে বিভিন্ন লোকজনের নম্বর দিত সেখানে সে চাহিদামতো মধু, খেজুরসহ বিভিন্ন পণ্য দিয়ে আসত। 

শীর্ষ নেতাদের নির্দেশ মতো একাধিকবার সে কাশিমপুর কারাগারেও খেজুর ও মধু সরবরাহ করেছে। কারাগারে যোগাযোগের জন্য কাজে লাগানো হতো নারীদের। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গ্রেফতার আসিফ ও পিয়াস জেএমবির সক্রিয় সদস্য। 

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি জেলে কারাবন্দী জেএমবির পৃষ্ঠপোষক ও শীর্ষ নেতা আবু সাঈদ, আবদুল্লাহ আল তাসনিম, আল-আমিন ও ফয়সালের সঙ্গে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করত। শীর্ষ এই জঙ্গি নেতাদের নির্দেশে জেএমবির সক্রিয় সদস্য আনোয়ার আলী ওরফে হৃদয়, হাফিজুল শেখ ওরফে সকাল, আবু সালেহ, সোহেলসহ অজ্ঞাতনামা জঙ্গিরা ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। এই অর্থের একটি অংশ জেলখানায় কর্তব্যরত কয়েকজন সদস্যের মাধ্যমে কারাবন্দী শীর্ষ নেতাদের কাছে পাঠাত। অবশিষ্ট টাকা হৃদয়, তানজিল বাবু ও সকালের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত সংগঠনের নেতা-কর্মী ও জেলে থাকা সদস্যদের পরিবারের কাছে পাঠাত। তাদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল, কয়েকটি মোবাইল ও ৩৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। 

দীর্ঘদিন জঙ্গি প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করে আসা কাউন্টার টেরোরিজমের একজন কর্মকর্তা জানান, তাদের কাছে আগে থেকেই তথ্য ছিল কাশিমপুর কারাগারে তাসনিম-সাঈদরা রীতিমতো ব্যবসা-বাণিজ্য করে অর্থ উপার্জন করছে। কারাবন্দীদের কাছে এবং তাদের পরিবারের কাছে তাসনিম মধু বিক্রি করত। আসিফ গ্রেফতারের পর আগে থেকে পাওয়া তথ্যের সত্যতা পেয়েছেন।

জানতে চাওয়া হলে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তাই এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। কারাগারে জঙ্গিরা কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু জঙ্গি কেন, সাধারণ কোনো বন্দীরও মোবাইল ফোন ব্যবহার বা বিধিবহির্ভূত কিছু করার সুযোগ নেই।

ডাকাতির নির্দেশ আসে কারাগার থেকে : আসিফের মোবাইল ফোনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাপস ঘেঁটে কিছু তথ্যে রীতিমতো বিস্মিত তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। কারণ, এসব বার্তা ছিল কারাবন্দী শীর্ষ জঙ্গিদের। একটি বার্তায় সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাসায় ডাকাতি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতি করতে গিয়ে গ্রেফতার হলে কি করতে হবে সে বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই আসিফ এবং পিয়াস জানিয়েছে, তারা পুরাতন জেএমবির সক্রিয় সদস্য। কাশিমপুর কারাগারে বন্দী তাদের শীর্ষ নেতা আবদুল্লাহ আল তাসনিম ওরফে নাহিদ, আবু সাঈদ, আল-আমিন ও ফয়সালের নির্দেশে তারা সংগঠনের তহবিল সংগ্রহের জন্য ডাকাতি করে বেড়াত। পুলিশের অভিযানের সময় তাদের সঙ্গে আনোয়ার আলী ওরফে হৃদয়, তানজিল বাবু, হাফিজুল শেখ ওরফে সকাল, আবু সালেহ, পাভেল ওরফে রাহুল, জোসেফ, রোজীসহ বেশ কয়েকজন বৈঠকের জন্য মিলিত হয়েছিল। 

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে হাতিরঝিল, তেজগাঁও থানাধীন এলাকায় ছয়টি ডাকাতির ঘটনায় তারা পেশাদার ডাকাত দলের সঙ্গে জঙ্গি সম্পৃক্ততা পেয়েছিলেন। সে সময় পেশাদার কয়েকজন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতারের পর হৃদয়, তানজিল বাবু, সকালসহ কয়েক জনের নাম পান তারা। তবে ঘটনার পর থেকেই তারা আত্মগোপনে ছিল।

নির্দেশদাতা কারা : জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে গঠিত বিশেষায়িত ইউনিট কাউন্টার টেরোরিজম সূত্র বলছে, নির্দেশদাতাদের অন্যতম হলেন শীর্ষ জঙ্গি নেতা আবু সাঈদ। কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে বন্দী এই শীর্ষ জঙ্গি ২০০৫ সালে সারা দেশে সিরিজ বোমা হামলা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি। ২০০৭ সালে ভারতে পালিয়ে গিয়ে নদীয়া, বীরভূম ও বর্ধমান জেলার জেএমবির কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

২০১৪ সালে বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় কলকাতা পুলিশের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) তাকে ধরতে ১০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করে। ২০১৫ সালে আবু সাঈদ দেশে ফিরে এলে দুই বছরের মাথায় ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। 

নির্দেশদাতাদের অন্য আরেকজন আবদুল্লাহ আল তাসনিম ওরফে নাহিদ। ২০১০ সালে জেএমবির আমির মাওলানা সাইদুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব পালন করে তাসনিম। ২০১৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের হাতে তাসনিম গ্রেফতার হয়। আবু সাঈদ ও তাসনিম ছাড়াও বাকি দুই শীর্ষ জঙ্গি নেতার একজন আল-আমিন আনসার আল ইসলামের নেতা ও ফয়সাল হরকাতুল জিহাদ নেতা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে তারা কারাগারে রয়েছে। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বিতর্কিত উপন্যাসিক সালমান রুশদি লাইফ সাপোর্টে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
শনিবার, ১৩ আগষ্ট, ২০২২, ১১:০৮
বিতর্কিত উপন্যাসিক সালমান রুশদি লাইফ সাপোর্টে

ফাইল ছবি : সালমান রুশদি

যুক্তরাষ্ট্রে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত বিতর্কিত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক সালমান রুশদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন তিনি। খবর আলজাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭৫ বছর বয়সি ভারতীয় বংশোদ্ভুত বৃটিশ-অ্যামেরিকান লেখক সালমান রুশদির ওপর হামলার অভিযোগে আটক ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেছে পুলিশ। ২৪ বছর বয়সী হাদি মাতার নিউ জার্সির বাসিন্দা। হামলাকারীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমান রুশদি ভেন্টিলেটরে আছেন। কথা বলতে পারছেন না এবং একটি চোখ হারাতে পারেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রুশদির এজেন্ট অ্যান্ড্রু ওয়াইলি বলেন, খবর ভালো নয়। সালমান বেঁচে গেলেও, ইতিমধ্যে এক চোখ হারিয়েছেন সালমান। মারাত্মক জখম হয়েছে তার লিভার। ক্ষতিগ্রস্ত হাতের শিরাগুলো।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সাহিত্য বিষয়ক এক অনুষ্ঠানের মঞ্চে হামলার শিকার হন তিনি। গলা ও তলপেটে উপর্যপুরি ছুরি মারা হয়েছে তাকে।

উল্লেখ্য, ৮০’র দশকে বিতর্কিত উপন্যাস ‘স্যাটানিক ভার্সেস’র জন্য মুসলিম বিশ্বে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। এমনকি, তাকে হত্যার জন্য ফতোয়া ও ৩ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারও ঘোষণা করেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনি। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ