a হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল থেকে পিকআপসহ ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ
ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ মাঘ ১৪৩২, ১০ ফেরুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল থেকে পিকআপসহ ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ


মজিবর, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০২৩, ১১:০৫
হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল থেকে পিকআপসহ ৩ চোরকে আটক করেছে পুলিশ

ফাইল ছবি

হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে পিকআপ ভ্যান, সিএনজি অটোরিকশা, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চুরি হচ্ছে। তবে মালিকরা থানায় জিডি করার পর কিছু উদ্ধার হয়, আবার কখনো উদ্ধার হয় না।

বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে গত বুধবার গভীর রাতে সদর থানার ওসি মোঃ গোলাম মর্তুজার নির্দেশে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কের পলিটেকনিক্যাল কলেজ এলাকায় সাড়াশি অভিযান চালিয়ে টাটা পিকআপ (রেজিঃ নং-সিলেট-ন-১১-২১৪৯) গাড়ি আটক করেন। এ সময় তিন চোরকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হল, মাধবপুর উপজেলার সিদ্দিরপুর গ্রামের আব্দুল আওয়ালের পুত্র উজ্জল মিয়া (২৫), গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত সেলিম মিয়ার পুত্র সজল মিয়া (২২) ও তায়িজ মিয়ার পুত্র সিরাজুল ইসলাম মালু মিয়া (৩০)। জিজ্ঞাসাবাদে তারা চুরির ঘটনা শিকার করে। এ ঘটনায় এসআই পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম জানান, আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে রিমান্ডে আনা হবে। তারা দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে চোরাই গাড়ি অবাধে বিক্রি করছে। তাদের সাথে কারা জড়িত তাও সনাক্ত করে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

হত্যা মামলায় বাদী পক্ষে আইন পরিচালনা করায় আইনজীবীর বাড়িতে ভাংচুর ও প্রাণনাশের হুমকি


প্রিন্স মাহমুদ, শেরপুর প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৮
হত্যা মামলায় বাদী পক্ষে আইন পরিচালনা করায় আইনজীবীর বাড়িতে ভাংচুর ও প্রাণনাশের হুমকি

ছবিঃ সংগৃহীত/অ্যাডভোকেট আশরাফুল আলম


শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে আশরাফুল আলম নামে এক আইনজীবীর বাড়িতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, বাড়ি-ঘর ভাঙ্গার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ধারালো দা, লোহার রড ও বাঁশের লাঠিসহ বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে পৌরশহরের কালিনগর এলাকায় এসব সন্ত্রাসীমূলক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আইনজীবীর মা রাহিলা খাতুন নালিতাবাড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মোঃ আশরাফুল আলম শেরপুর জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবী। তিনি নালিতাবাড়ী থানার কালিনগর গ্রামে সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় (জি.আর. নং ০৭/২০২৫, ধারা ১৪৩/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬/৩৪ দণ্ডবিধি) বাদীপক্ষের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন। মামলার কয়েকজন আসামী জামিনে বের হয়ে আশরাফুল আলমকে মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বারবার চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিল।

শনিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে আসামী রফিকুল ইসলাম (৪৪), নবাব আলী (২২), বাবু মিয়া (২৪), সাদ্দাম মিয়া (৩০) ও মাতাব মিয়াসহ (৪২) আরও কয়েকজন ধারালো দা, লোহার রড ও কিরিচ নিয়ে তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালায়।

তারা আইনজীবি আশরাফুল আলমকে খুঁজে না পেয়ে বাড়ির টিনের বেড়া ভাঙচুর করে। এসময় আইনজীবীর স্ত্রী বাধা দিলে আসামিরা তাকে ধাওয়া করে। তিনি দৌড়ে ঘরের ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে রক্ষা পান। পরে তিনি মোবাইল ফোনে তার স্বামীকে খবর দিলে, আশরাফুল আলম তাৎক্ষণিকভাবে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশকে জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা পালানোর সময় কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র ফেলে যায়। পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এডভোকেট আশরাফুল আলমের দাবী, আইন অনুযায়ী যেকারো পক্ষে মামলা পরিচালনার অধিকার রয়েছে। যারা হামলা করেছেন তারা একাধিক হত্যা মামলার আসামী। হামলার পর আশরাফুল আলমের পরিবার নিরাপত্তাহীনতা ভুগছেন। প্রশাসনের কাছে দ্রুত আসামীদের গ্রেফতারের দাবী জানান তিনি।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।” সূত্র: দি ফিনেন্সিয়াল পোষ্ট

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

বাংলাদেশ যাতে দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি না হয় সেজন্য প্রস্তুত থাকুন : প্রধানমন্ত্রী


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:৫৩
বাংলাদেশ যাতে দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি না হয় সেজন্য প্রস্তুত থাকুন : প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

দীর্ঘস্থায়ী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বাংলাদেশ যাতে কখনোই দুর্ভিক্ষ এবং খাদ্যের অপ্রতুলতার মতো কোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি না হয় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের মাটি ও মানুষ আছে। তাই এখন থেকেই আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে, বাংলাদেশ যাতে কখনো দুর্ভিক্ষ বা খাদ্য সঙ্কটে না পড়ে। আমরা আমাদের খাদ্য উৎপাদন বাড়াব।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৫ ও ১৪২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আবার রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ এবং একে কেন্দ্র করে স্যাংশনের প্রসঙ্গ টেনে দেশে প্রতি ইঞ্চি জমিকে চাষাবাদের আওতায় এনে উৎপাদন বাড়ানোয় তার আহবান পূণর্ব্যক্ত করেন।

বিশ্ববাজারে প্রতিটি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তার সাম্প্রতিক যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্তেষ্টিক্রিয়া এবং জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানকালে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং সংস্থার প্রধানদের সাথে আলোচনায় আগামী বছর বিশ্ব একটি ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটের দিকে যেতে পারে বলে সবার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কথাও উল্লেখ করেন ।

যুদ্ধের কারণে সারাবিশ্বের সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে উল্লেখ করে জাতিসঙ্ঘে প্রদত্ত ভাষণে তার যুদ্ধ বন্ধ করার উদাত্ত আহবানের পাশাপাশি শিশুদের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষার পাশাপাশি উন্নত জীবন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণের আহবানের কথাও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি মনে করেন না যে যুদ্ধ এত তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ অস্ত্র বিক্রির কারণে যুদ্ধ চালিয়ে রাখতে পারলে কিছু দেশ লাভবান হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের ডিজেল, এলএনজি, সার, ভোজ্য তেল, গমসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির বাস্তবতা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেইক্ষেত্রে আমি অনুরোধ করব যে আমাদের নিজেদের পণ্য উৎপাদন যেমন বাড়াতে হবে, পাশাপাশি আমরা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছু উদ্যোগ নিয়েছি এবং জাতিসঙ্ঘের নেতৃত্বে আমরা এখন কিনে আনতে পারব।’

তিনি উদাহারণ হিসেবে বলেন, যেমন কানাডার থেকে যাতে আমরা গম ও সার আনতে পারি সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রাশিয়া অথবা ইউক্রেন এবং বেলারুশ থেকে আমরা সব পণ্য এখন আনতে পারব। জাতিসঙ্ঘের সেক্রেটারি জেনারেলের চ্যাম্পিয়ন গ্রুপে রয়েছি বলে এটা করতে পারছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পণ্যের দাম যেমন বেড়েছে পরিবহনের খরচও কিন্তু অতিরিক্ত বেড়েছে। তারপরও কৃষকদের ভর্তুকি কিন্তু আমরা অব্যাহত রেখেছি। কারণ আমার দেশের মানুষের খাদ্য এবং পুষ্টির চাহিদা আমাদের পূরণ করতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে যে আমরা কখনো আমদানি নির্ভর হব না। আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াবো।

রফতানি পণ্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কৃষি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সেদিকে ব্যবস্থা নেয়ার এবং গবেষণা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। এক্ষেত্রে তিনি দেশীয় বিজ্ঞানীদের জুট জেনোম আবিস্কারের প্রসঙ্গ টেনে পাট পণ্যের বহুমুখীকরণ করে রফতানি বৃদ্ধিতে সরকারের পাশাপাশি এখন বেসরকারি খাতও এগিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ উৎপাদনে আমাদের সক্ষমতা থাকলেও সংরক্ষণ করা যেত না বলে এক সময় আমরা অন্যের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। কিন্তু এখন আমরা এটি উৎপাদনে যথেষ্ট সাফল্য পেয়েছি এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছি। এই উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণেরও যেন ব্যবস্থা হয় সেদিকে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছি এবং বেসরকারি খাতকেও আমরা উৎসাহিত করছি।

তিনি আরো বলেন, ‘শুধু উৎপাদন করলে হবে না সেগুলো যেন সংরক্ষণ করতে পারি সে ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে।’

ভোজ্য তেল আমাদের আমদানি নির্ভর হয়ে যাওয়ায় দেশে কিভাবে এর উৎপাদন বাড়ানো যায় সেদিকে সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রী নজর দিতে বলেন। অতীতে স্থানীয় পর্যায়ে চিনা বাদামের তেল উৎপাদনেরও উদাহারণ দেন তিনি, যা বর্তমানে প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে গবেষণার মাধ্যমে উন্নত মানের সরিষা বীজ আমরা পেয়েছি। এছাড়াও অন্যান্য যে তেল আন্তর্জাতিকভাবে অনেকে ব্যবহার করে যেমন সূর্যমূখী, সয়াবিন তা দেশীয়ভাবে উৎপাদনের পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর মত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এটা আমরা করতে পারব বলে বিশ্বাস করি।’

যত্রতত্র শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে যেন কৃষি জমি নষ্ট না হয় সেজন্য সারাদেশে এক শ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (শিল্পাঞ্চল) প্রতিষ্ঠায় সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে আমার একটা লক্ষ্য আছে যে যে অঞ্চলে আমাদের যেসব কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয় সেই উৎপাদন বৃদ্ধি করে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করার জন্য সেসব অঞ্চলে আমরা কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারি। ফলে দেশে এগুলোর যেমন ব্যবহার হবে, বিদেশেও রফতানি করা যেতে পারে।

তিনি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষিমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, এই উৎপাদিত পণ্যগুলোর সংরক্ষণের ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি পণ্য পচনশীল। এটা গাছ থেকে তোলার পর বেশি দিন থাকে না। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের কৃষি পণ্য সংরক্ষণ করতে হবে। কোন কৃষি পণ্য কতটা তাপমাত্রায় ভালো থাকবে সেইভাবে সংরক্ষণাগার গড়ে তুলতে হবে। যাতে উৎপাদিত ফসল বাজারজাতের পাশাপাশি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। তাহলে নিজেরা ব্যবহারের পাশাপাশি রফতানিও করতে পারব।

দেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের পাশাপাশি পণ্য সংরক্ষণাগার তৈরির সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা তৈরি করার জন্য যে ফান্ড লাগবে সে ফান্ড আমি দেব।’

এজন্য যে ফান্ড দরকার তা তিনি আলাদা করে রেখেছেন। ফলে একটু উদ্যোগ নিলেই এটি করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সবাইকে করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণের কথাও অনুষ্ঠানে পুণরায় স্মরণ করিয়ে দেন। সূত্র : বাসস

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - অপরাধ