a বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংসে দেশিবিদেশি নানান ষড়যন্ত্র চলছে
ঢাকা শুক্রবার, ১৯ পৌষ ১৪৩২, ০২ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংসে দেশিবিদেশি নানান ষড়যন্ত্র চলছে


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২:৫৮
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংসে দেশিবিদেশি নানান ষড়যন্ত্র চলছে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশেষ করে ব্যাংক খাত ও বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তাদের ধ্বংস করতে শুরু হয়েছে দেশিবিদেশি নানান ষড়যন্ত্র। দেশবিরোধী একটি চক্র সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে মিডিয়া ট্রায়াল। দেশ প্রেমিকের মুখোশধারী এই চক্রের ষড়যন্ত্রে এরই মধ্যে দেশের অর্থনীতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। সে কারণে এই চক্রকে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে আইনের আওতায় আনা উচিত বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানা গেছে, দেশের ১০টি ব্যাংক বন্ধ করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল অনেক আগে থেকেই। ফলে ওই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কয়েকটি গণমাধ্যমের মিডিয়া ট্রায়ালের মধ্যে পড়েছিল এই ব্যাংকগুলো। হাতেগোনা যে কয়েকজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এই ১০ ব্যাংক লুটের অভিযোগ রয়েছে, তাদের সহযোগী ছিল আরও অনেকেই। লুট করার পরও ব্যাংকগুলোতে টাকা ছিল। সেই আমানত কোথায় গেল। কারা নিল সেই টাকা, তাদের সবাইকে খুঁজে বের করতে হবে বলে মত দিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড  ভেঙে দেওয়ার জন্য বিদেশি ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে দেশি একটি চক্র অনেক আগে থেকেই সক্রিয় আছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশই ১০ ব্যাংক লুট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা। এখন খোঁজ নেওয়া দরকার এই ব্যাংকগুলো প্রতিষ্ঠার সময় মূলধন কত ছিল। এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো কত টাকা মুনাফা করেছে, কে কত টাকা নিয়েছে এসব খবর নেওয়া।

বিশ্লেষকরা বলেন, দেশে কার্যরত ব্যাংকের লাইসেন্স যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদান করে সে কারণে এসব ব্যাংকের সব দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের নিতে হবে। কারণ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আমানতকারী এসব ব্যাংকে টাকা জমা রেখেছেন বা গ্রাহক হয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক দায় না নিলে হাজার হাজার আমানতকারীদের এখন কি হবে। আমানতকারীদের সুরক্ষার দায়িত্ব কার। ১০ ব্যাংক ধ্বংস করার পর একই চক্রান্তে ১০ ব্যবসায়ী গ্রুপকে ধ্বংস করার নীলনকশা চলছে। প্রশ্ন হচ্ছে কাদের স্বার্থে দেশের বিনিয়োগকারী শিল্পোদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানকারীদের ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে।

সংশ্লিষ্টরা বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে পণ্যের প্রতিযোগিতা থাকলে সরবরাহে ভারসাম্য তৈরি হয়। গোটা পৃথিবীতে এভাবেই বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু একটি দেশবিরোধী চক্র বেসরকারি পর্যায়ের যে কোনো ইতিবাচক উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করছে। ১০ ব্যবসায়ী গ্রুপকে নিয়ে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও নাকি এখন অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে।

সরকারের একটি সংস্থা এসব ব্যবসায়ীর সম্পদ অনুসন্ধান করার বিবৃতি দেওয়ার পর ওইসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ১০টি শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্তের নামে প্রপাগান্ডার কারণে অন্য ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী এখন হাত গুটিয়ে বসে আছেন। প্রশ্ন হচ্ছে দেশের শিল্পোদ্যোক্তাদের ধ্বংস করা হচ্ছে কার ষড়যন্ত্রে। দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তাদের ধ্বংসের জন্য যারা মিডিয়া ট্রায়াল করছে, তাদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা সময়ের দাবি মনে করছেন বিশিষ্টজনরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে দেশের ব্যাংক খাত থেকে ২ লাখ কোটি টাকার বেশি লুটপাট করা হয়েছে। লুটপাটের কারণে দেউলিয়া হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছেছে ১০টি বেসরকারি ব্যাংক। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের মদতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান এমডিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা টাকা বের করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা আর্থিক খাতের সব ধরনের অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছি। সরকার এরই মধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠনের জন্য একটি টাস্কফোর্স কাজ করছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

কর আইনজীবী নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ এপ্রিল


রিয়াদ, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:৩৬
কর আইনজীবী নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ এপ্রিল

ছবি সংগৃহীত


ঢাকা প্রতিনিধি: কর আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির লক্ষ্যে ‘কর আইনজীবী নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২৪’–এর লিখিত পরীক্ষা আজ শনিবার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হয়। বিসিএস (কর) অ্যাকাডেমি থেকে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিতভাবে এসব বিষয়ে তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— ‘আয়কর আইন ২০২৩’ এর ধারা ৩২৭ এবং‘ আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪’ এর বিধি ৩৭ অনুযায়ী প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইন আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠিত কর আইনজীবী নিবন্ধন সংক্রান্ত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৬ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

পরীক্ষার সময় ও কেন্দ্রের বিস্তারিত উল্লেখসহ প্রবেশপত্র ডাউনলোডের লিংক আবেদনকারীদের মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে পাঠানো হয়।

পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর অনুযায়ী পরীক্ষাকেন্দ্র ও আসন বিন্যাস নিম্নে তুলে ধরা হলো:

১. উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ: রোল ১২০০০০০১ থেকে ১২০০৬০০০ পর্যন্ত।

২. ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ (স্কুল ক্যাম্পাস- ভেন্যু ২): রোল ১২০০৬০০১ থেকে ১২০০৭৪৭০ পর্যন্ত।

৩. ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ (কলেজ ক্যাম্পাস - ভেন্যু ১): রোল ১২০০৭৪৭১ থেকে ১২০১০০০০ পর্যন্ত।

৪. সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ: রোল ১২০১০০০১ থেকে ১২০১৩৪০০ পর্যন্ত।

৫. হাবিবুল্লাহ্ বাহার কলেজ: রোল ১২০১৩৪০১ থেকে ১২০১৬৪০০ পর্যন্ত।

৬. মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: রোল ১২০১৬৪০১ থেকে ১২০২২৪০০ পর্যন্ত।

৭. মতিঝিল সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়: রোল ১২০২২৪০১ থেকে ১২০২৪০৯১ পর্যন্ত।

৮. আবুজর গিফারী কলেজ: রোল ১২০২৪০৯২ থেকে ১২০২৬৫৯১ পর্যন্ত।

৯. সিদ্ধেশ্বরী বালক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: রোল ১২০২৬৫৯২ থেকে ১২০২৮১৯১ পর্যন্ত।


তবে কেউ যদি প্রবেশপত্র ডাউনলোডে কোনও সমস্যা বা টেকনিক্যাল জটিলতার সম্মুখীন হলে, সেক্ষেত্রে তারা https://www.facebook.com/alljobsbdTeletalk পেজে ইনবক্সে মেসেজ করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া ই-মেইলে alljobs.query@teletalk.com.bd বা মোবাইল নম্বর ০১৮১৬-০৫৪৮৭৩-এ বিসিএস (কর) অ্যাকাডেমির উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো. মাসুম বিল্লাহ’র সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করারও ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, এবারে অন্যান্য বছরের তুলনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠিত কর আইনজীবী নিবন্ধন সংক্রান্ত কমিটির সিদ্ধান্তানুযায়ী জাতীয় রাজস্ব আয় বাড়াতে উল্লেখযোগ্য কর আইনজীবি নিয়োগের বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রের মারফতে জানা যায়। 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিদেশে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ায় গণফোরামের ক্ষোভ


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
বুধবার, ১২ মে, ২০২১, ০৩:১৬
বিদেশে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ায় গণফোরামের ক্ষোভ

ফাইল ছবি

 

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণফোরাম নেতা মোস্তফা মোহসীন মন্টু, সংবিধান প্রনয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ এবং গণফোরাম এর মূখপাত্র সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধান মন্ত্রী। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য অন্যায় ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ।

বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনুমতি চাওয়া হলেও অনুমতি মেলে নাই এবং প্রহসনের নাটক করা হচ্ছে, যা স্বাধীন দেশে এসব নাটক সম্পূর্নরূপে অনাকাঙ্খিত। গণতন্ত্র হত্যাকারী এই ফ্যাসীবাদী সরকারের এহেন কর্মকান্ডের আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - অর্থনীতি