a বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলার
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ মাঘ ১৪৩২, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলার


এম.এস প্রতিদিন ডেস্ক:
সোমবার, ১৭ মে, ২০২১, ১১:৪৬
বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২২২৭ ডলার

ফাইল ছবি

দেশে চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) মাথাপিছু আয় গত অর্থবছরের তুলনায় এবার ১৬৩ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান বছরে মাথাপিছু আয় হয় ২ হাজার ২২৭ ডলার। গত অর্থবছর (২০১৯-২০) ছিল ২ হাজার ৬৪ ডলার।

আজ ১৭মে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য তুলে ধরেন। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে তথ্য  নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, 'ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রী একটা বিষয় জানিয়েছেন, সেটা আমাদের উন্নয়নের সাথে জড়িত। আমাদের ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে। আগের তুলনায় এবছর মানুষের মাথাপিছু আয় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।'

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, 'গত অর্থবছরে জিডিপি ছিল ২৭ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭৮ কোটি, এবার এটা হয়েছে ৩০ লাখ ৮৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। যদিও পরিসংখ্যান এখনও পূর্নাঙ্গ হয়নি। অর্থ বিভাগ থেকে প্রাথমিকভাবে একটা হিসাব দেওয়া হয়েছে।'

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, 'জিডিপিও বেড়েছে, মাথাপিছু আয় ৯ শতাংশ বেড়েছে। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ ডলারকে টাকায় রূপান্তর করলে হয় এক লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা (প্রতি ডলার ৮৪ দশমিক ৮১ টাকা ধরে)। এটা বাংলাদেশর ইতিহাসে বিশাল এক অর্জন।'

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / khurshedalm@msprotidin.com

আয়ে করমুক্ত হবেন যারা


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৪ জুন, ২০২১, ০৯:৫৬
আয়ে করমুক্ত হবেন যারা

ফাইল ছবি

 

এবারের বাজেটে  আগের মতোই থাকছে ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা। অর্থাৎ বার্ষিক আয় যাদের ৩ লাখ টাকার কম তাদের কোনো কর দিতে হবে না। আজ বৃহস্পতিবার (৩ জুন) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
 
অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, যা ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়। নারী করদাতা, সিনিয়র করদাতা, প্রতিবন্ধী করদাতা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা আরও বেশি। তিনি বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর কারণে ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি।
 
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার জন্য বিদম্যান এই করহার তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্যও প্রযোজ্য ছিল। তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের জন্য সামাজিক আত্তীকরণের লক্ষ্যে বিশেষ বিধান চালুর পাশাপাশি তাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করছি। বর্তমান সরকার ব্যবসা সহকীকরণ ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে ব্যক্তিশ্রেণির ব্যবসায়ী করদাতাদের কর দায় লাঘবে সরকার সদা তৎপর। এ লক্ষ্যে ব্যক্তি করদাতাদের ব্যবসায়িক টার্নওভার করহার কমিয়ে ০.৫ শতাংশের পরিবর্তে ০.২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।

প্রসঙ্গত, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছিল। চার বছর করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকাই ছিল। সাধারণত চার-পাঁচ বছর পরপর জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় এই সীমা বাড়ানো হয়।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

চার্জে রাখা মোবাইল বিস্ফোরণে ৪ ভাই-বোনের মৃত্যু!


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪, ০২:৩১
চার্জে রাখা মোবাইল বিস্ফোরণে ৪ ভাই-বোনের মৃত্যু!

ছবি: সংগৃহীত

মোবাইল ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় বিস্ফোরণের ঘটনায় চার ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। এতে গুরুতর দগ্ধ হয়েছে তাদের মা-বাবাও। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরুত জেলায়।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, কাজের সূত্রে মিরুতের পল্লবপুরম থানা এলাকায় পরিবার নিয়ে বাস করেন জনি। স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে সুখেই চলছিল তার সংসার। হোলির ছুটি থাকায় শনিবার জনি বাড়িতেই ছিলেন ও ঘটনার সময় জনির স্ত্রী খাবার বানাচ্ছিলেন। তাদের চার সন্তান সারিকা (১০) নীহারিকা (৪), সংস্কর (৬) ও কালু (৪) ঘরের ভিতরে খেলা করছিল।

জানা গেছে, মোবাইল চার্জে বসিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলছিলেন জনি। ফলে তারা খেয়ালই করেননি সুইচ বোর্ডে স্ফুলিঙ্গ হচ্ছে। আচমকাই মোবাইল বিস্ফোরিত হয় ও সেটি বিছানায় পড়তেই আগুন ধরে যায়। আর সেই আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় চার শিশুর। গুরুতর দগ্ধ হন জনি ও তার স্ত্রীও।

স্থানীয় বাসিন্দারা জনি ও তার স্ত্রীকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও, শিশুগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ও চার শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শর্ট সার্কিটের জেরেই মোবাইল ফোনটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। আর সেই বিস্ফোরণে ঘরে আগুন ধরে যায়। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

সর্বশেষ - অর্থনীতি