a
ফাইল ছবি
২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। বৃহস্পতিবার ঢাকা বোর্ড থেকে কেন্দ্র তালিকা ও আসন বিন্যাস প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা বোর্ড জানিয়েছে, ভেন্যু কেন্দ্রগুলো মূলকেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় কাগজপত্র মূলকেন্দ্রে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। জেলা সদরে ডিসি ও উপজেলা সদরে ইউএনও পরীক্ষা কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হবেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ গত ৪ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। এবার এইচএসসির ফরম পূরণ করেছে ১৪ লাখ ৭ হাজার ৬০ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯, যাদের সবাইকে অটোপাস দেয়া হয়েছিল। গতবারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৪১ হাজার ২৭১ জন।
করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে একযোগে খুলছে। করোনাভাইরাসের ফলে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকবার চেষ্টা করেও এই মহামারীর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।
ফাইল ছবি
এসএসসি পরীক্ষা ২০২১ এর অনলাইনে ফরম পূরণের কার্যক্রম আজ থেকে শুরু করা হয়েছে। বিলম্ব ফি ছাড়া শিক্ষার্থীরা ফরমপূরণ করতে পারবে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত। আর বিলম্ব ফিসহ ১০ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত অনলাইনে ফরম পূরণ করতে পারবে।
বিলম্ব ফি ছাড়া অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৮ এপ্রিল। বিলম্ব ফিসহ অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এবছর এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না। শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে জারি করা এসএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণ বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি এসব তথ্য বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
ফাইল ছবি
কাতার বিশ্বকাপটি মরক্কোর জন্য ছিল স্বপ্নের মতো। ফিফা বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে সুযোগ পেয়ে বাজিমাত করে দেয় আশরাফ হাকিমিরা।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো তারকা খচিত পর্তুগালকে কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় করে দিয়ে সেমিফাইনালে উঠে মরক্কো। তাদের সেই ধারাবাহিকতা স্বপ্নের যাত্রা থামিয়ে দেয় ফরাসিরা।
বুধবার সেমিফাইনালে বিশ্বকাপের গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরে ফাইনালের আগেই বিদায় নিতে হয় মরক্কোকে।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও দুর্দান্ত ফুটবল খেলে ভক্ত-সমর্থকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন আশরাফ হাকিমিরা। সেমিফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় হলেও বিশ্ব নেতাদের প্রশংসায় ভাসছে মরক্কো দল।
দল হেরে গেলেও মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদের প্রশংসা কুঁড়িয়েছে জাতীয় দল। মরক্কোর এমন অর্জনে এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, তোমাদের ধন্যবাদ সিংহ।
মরক্কো টিমের প্রশংসা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও। বিশ্বকাপে এমন ইতিহাস সৃষ্টি করায় মরক্কো টিমের প্রশংসা করে ম্যাক্রোঁ বলেন, আমাদের মরক্কোর বন্ধুদের এমন সুন্দর যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা ফুটবল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরও নজর কেড়েছে মরক্কো টিম। জো বাইডেন বলেন, এই দলটি কতটা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে তা দেখতে অসাধারণ ছিল।
বুধবার দিবাগত রাত ১টায় কাতারের আল বাইত স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফ্রান্স-মরক্কো। খেলার শুরুতেই এগিয়ে যায় ফ্রান্স।
সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাঁ পায়ের দারুণ শটে ম্যাচের ৫ মিনিটে দলকে (১-০) এগিয়ে নেন হার্নান্দেজ। তার গোলে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মত প্রতিপক্ষ ফুটবলারের কাছ থেকে গোল হজম করল মরক্কো।
গোল খেয়ে পিছিয়ে পরলেও দারুণ খেলে যায় মরক্কো। ১১ মিনিটে ডি বক্সের বাইর থেকে উনাহির দূরপাল্লার শট বা পাশে ঝাপিয়ে পড়ে রুখে দেন ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক হুগো লরিস।
১৮ মিনিটে আবারো গোলের সুযোগ পায় মরক্কো। বৌফালের পাস থেকে ডি বক্সে বল পেলেও বা পায়ের দুর্বল শটে গোল করতে ব্যর্থ হন জিয়েচ৷।
৩৬ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার এটাকে মরক্কোর রক্ষণভাগে ভয় ধরিয়ে দেয় এমবাপ্পে। তার গতির কাছে পরাস্ত হন মরক্কোর ডিফেন্ডার।
কিন্তু ফোফানার পাস থেকে দারুণভাবে একা বল পেয়ে গোলবারের বাইরে শট নেন জিরুড।
৪১ নিনিটে গ্রিজম্যানের কর্নার থেকে ভারানের ডান পায়ের শট আবারো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বাইরে চলে যায়। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পায় মরক্কো। কিন্তু এল ইয়ামিকের ওভার হেড কিক গোলবারে লেগে প্রতিহত হয়, ফলে গোলবঞ্চিত হয় মরক্কো।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে গোল পরিশোধে আরো আক্রমণাত্মক খেলা খেলে মরক্কো। ৫৫ মিনিটে ফ্রান্সের রক্ষণভাগে ভয় ধরিয়ে দেন মরক্কোর ফুটবলাররা। বৌফাল, এল নাসিরের দুই প্রচেষ্টা রুখে দেন ভারান ও থিও হার্নান্দেজ।
খেলার ৮০ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার এটাক থেকে এমবাপ্পের একক নৈপুণ্যে ডিবক্সের ভেতর শট নিলে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে বল যায় কোলো মুয়ানির কাছে। এমন সুযোগ আর তিনি মিস করেননি৷ বদলি হিসেবে নামার ২ মিনিটের ভেতরেই গোলটি করেন তিনি।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি মরক্কো। ৯২ মিনিটে ডিবক্সের বাইরে থেকে মরক্কোর উনাহির শট চলে যায় গোলবারের উপর দিয়ে।
শেষ দিকে আরো কয়েকবার ফ্রান্স আক্রমণভাগে বল নিয়ে ঢুকলেও ফিনিশিংটাই করতে পারেনি। ফলে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হল আফ্রিকান প্রতিনিধি মরক্কোকে। সূত্র: যুগান্তর