a
ফাইল ছবি
করোনা মোকাবিলায় সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করায় বগুড়ার নন্দীগ্রামে শামীম হোসেন নামে এক শিক্ষককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার সকালে নন্দীগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম এ জরিমানা করেন। এ সময় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত স্কুলটি পরিচালনা করতে পারবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়।
জানা যায়, করোনার বিস্তার ঠেকাতে সরকারিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা অমান্য করে ওই কিন্ডারগার্টেন চালু রেখে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে- এমন গোপন সংবাদ শুনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেই স্কুলের পরিচালক শিক্ষক শামীম হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সরকারি বিধি-নিষেধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত স্কুলটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
নন্দীগ্রাম উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম জানান, করোনা মোকাবিলায় সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করে স্কুল খুলে রাখার দায়ে সেই শিক্ষককে জরিমানা করা হয়েছে।
ফাইল ছবি
করোনা ভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) অধিভুক্ত সরকারি সাতটি টেক্সটাইল ইঞ্জিািনয়ারিং কলেজের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির আহবায়ক মো. নুরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির ৩য় সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনা করে বস্ত্র অধিদপ্তরের অধীন সাতটি সরকারি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলজের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হলো। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না।
এতে আরও বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের লেভেল-১, টার্ম-১ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানানো হবে। ভর্তি পরীক্ষার অন্যান্য শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, আগামী বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এপ্রিল মাসে নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর দিন সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদেরকে এ কথা জানান।
দীপু মনি বলেন, এসএসসির সময় আমরা এটা করেছিলাম। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষা দুই বেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই বেলা পরীক্ষা থাকলে দেরিতে শুরু করলে সমস্যা হয়ে যায়। আমরা দেখেছি অনেক বেশি ভিড় ও জ্যাম হয়। পরীক্ষার্থীদের অনেক আগে বাসা থেকে বের হতে হয়। দেরি হয়ে গেল কি না, তাদের মধ্যে অ্যানজাইটি কাজ করে। সে জন্য সময়টা অ্যাডজাস্ট করলে ভালো হয়। কিন্তু দুই বেলা পরীক্ষা থাকলে সেটা আর করা সম্ভব হয়না।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা খেয়াল করেছি প্রতি কেন্দ্রের বাইরে অনেক ভিড়। পরীক্ষার্থীদের বাবা-মা-অভিভাবক ভিড় করেন। অবশ্য আমরা যখন পরীক্ষা দিয়েছি, তখনও আমাদের বাবা-মায়েরা আসতেন। আমরা কাউকে দোষ দিতে পারি না। বাবা-মা যারা আসেন, তারা যদি একদম গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে অন্য পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হয়। আমি আহ্বান করবো, আপনার সন্তানের মতো অনেকের সন্তান পরীক্ষা দিচ্ছে। তাই একটু দূরে থাকুন।
তিনি বলেন, আগামী বছর চেষ্টা থাকবে এইচএসসি এপ্রিলে করার। এবারও আমরা চেষ্টা করেছিলাম। অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করবে। এসএসসি চেষ্টা করব আগের মতো ফেব্রুয়ারিতে নিতে।
তিনি আরও বলেন, এবার নতুন কিছু সমস্যা হবে না বলে আশা করি। পুরনো যে সমস্যা, তা যাতে না ঘটে, সে জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করি কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পাঁচ বছর ধরে প্রশ্ন ফাঁস নেই। গুজবও কমে এসছে। আশা করি এবারও থাকবে না। সূত্র: যুগান্তর