a
ফাইল ছবি
জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার মতো এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। বিগত দুই বছরে করোনার কারণে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান সোমবার এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি গণমধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রবিবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, গত দুই বছরের মতো এ বছরও জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা হবে না। তিনি বলেন নতুন শিক্ষাক্রমেও এসব পরীক্ষার কথা নেই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে নতুন কারিকুলাম শুরু হবে। অষ্টম শ্রেণি পর্যায়ে শুরু হবে ২০২৪ সালে। ফলে আগামী বছরও পরীক্ষা নেওয়া হবে না।
গত ৩০ মে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে প্রণয়ন করা প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের নতুন কারিকুলামের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) যৌথ সভায় এ রূপরেখার অনুমোদন দেওয়া হয়।
জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণির আগে কোনো ধরনের পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের বিধান না থাকায় চলতি বছর থেকেই এ পরীক্ষাটি বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে পিইসি পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি
বন্যার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ঈদুল আজহার পর শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান।
আবু বকর ছিদ্দীক বলেন, দেশে সার্বিক বন্যার কারণে ঈদের আগে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। ঈদের পর পরীক্ষা নিতে হবে। আর এসএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে যাওয়ার কারণে এইচএসসি পরীক্ষাও পিছিয়ে যাবে।
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষা শেষ হতো ৬ জুলাই। কিন্তু সিলেটসহ সারা দেশে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গত ১৭ জুন এই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
ফাইল ছবি: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে তাদের কার্যক্রমে আরও জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন রোববার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন রাষ্ট্রপতির বরাত দিয়ে বলেন, 'পুলিশ সদস্যদের কাজ যাতে জনবান্ধব হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।'
রাষ্ট্রপতি বলেন, পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে। জনস্বার্থে বিভিন্ন মামলার নিষ্পত্তিতে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন। খবর বাসস
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, 'তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে সাইবার ক্রাইম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাইবার ক্রাইম মোকাবিলায় পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে প্রযুক্তিজ্ঞানে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।' রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এই তৎপরতা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন। পুলিশ মহাপরিদর্শক বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বডুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: সমকাল