a ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী
ঢাকা শনিবার, ২৬ পৌষ ১৪৩২, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী


এমএস.প্রতিদিন ডেস্ক:
শুক্রবার, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ১১:৩৮
১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি । ডা. দীপু মনি

চলতি মাসের ১২ তারিখ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলে দেয়ার চিন্তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার রাতে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

ডা. দীপুমণি আরো জানান, গত সপ্তাহে নেয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে সিদ্ধান্তানুযায়ী চলমান ছুটি ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। দীর্ঘ ১৭ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কারণে শিশু-কিশোররা স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার সুযোগ বঞ্চিত হচ্ছে বলেও স্বীকার করেন ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের সাথে আজকেও (বৃহস্পতিবার) কথা হয়েছে, তারা মনে করছেন আমরা যে সংক্রমণের হার অনেক কম রাখতে পেরেছি, তার অন্যতম কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা। অন্য অনেক কারণের পাশাপাশি এটিও অনেক ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।

তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংক্রমণের হার কমতে শুরু করেছে। আগামী দিনে আরো কমবে। ফলে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে ছুটি রয়েছে তা আর বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে আমরা চাইলে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দিতে পারবো। যদি এর মধ্যে আর বড় কোনো সমস্যা না হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলে সঠিক মনিটরিংও নিশ্চিত করার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

বড় পাবলিক পরীক্ষাগুলো নেয়া সম্ভব হবে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী জানান, নভেম্বরের মাঝে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসির ঘোষণা আগেই দেয়া হয়েছে। আশা করছি, সে অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া প্রসঙ্গে ডা. দীপুমণি জানান, ১৮ বছর বয়সীরা টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে ১২ বছর বয়সী পর্যন্ত টিকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ঢাবি'র শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতি অবৈধ: হাইকোর্ট


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
রবিবার, ২৬ মে, ২০২৪, ০৫:১৬
ঢাবি'র শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতি অবৈধ: হাইকোর্ট

ফাইল ছবি : সামিয়া রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


গবেষণা জালিয়াতির ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। রোববার (২৬ মে) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ ঢাবির আপিল অকার্যকর বলে খারিজ করে দেন।

এর আগে গত বছরের ৪ আগস্ট বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সামিয়া রহমানের পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা, পাশাপাশি তাকে সকল সুযোগ-সুবিধাসহ পদ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অব কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার : এ কেস স্ট্যাডি অব দ্য কালচারাল ইমপেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশিত হয়।

এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

এছাড়াও বুদ্ধিজীবী অ্যাডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইমপেরিয়ালিজম’ গ্রন্থের পাতার পর পাতাও সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত বছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর তাদের একাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি গবেষণায় জালিয়াতির শাস্তি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিয়া রহমানের পদাবনমন ঘটে। পরে ৩১ আগস্ট সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করে দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

এছাড়াও পিএইচডি থিসিসে জালিয়াতির আরেক ঘটনায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষক ওমর ফারুককে সহকারী অধ্যাপক থেকে প্রভাষক পদে অবনমন ঘটানো হয়েছে। তার ডিগ্রিও বাতিল করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। ফেসবুকের দুটি ঘটনায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই তিন শিক্ষকের শাস্তি নির্ধারণে দুটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।

পরে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সামিয়া রহমান।

সে রিটের শুনানি নিয়ে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, গঠিত ট্রাইব্যুনালের নথিসহ সব কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতেও বলা হয়েছিল। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

গাজীপুরে হাসনাতের উপর হামলা, অতঃপর


প্রীসিলা, নিউইয়র্ক থেকে
রবিবার, ০৪ মে, ২০২৫, ১০:৫১
গাজীপুরে হাসনাতের উপর হামলা, অতঃপর

ছবি সংগৃহীত

গাজীপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহ’র উপর যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানাই। একইসঙ্গে ঘটনার পিছনের কারণ ও উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। কে করল এই হামলা? কেন করল? এসব প্রশ্নের জবাব নেই। এর আগে হান্নান মাসুদ স্যারকেও একইভাবে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল। ভাগ্য ভালো—দুজনেরই দামি গাড়ি ছিল, তাই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।

এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বিচার করবে কে? কার বিচার হবে? আজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই, অনেকে দেশেও নেই , তাহলে হামলাকারীরা কারা?

৫ই আগস্টের ঘটনার পরপরই আপনারা বিএনপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন। কিন্তু কেন ? বি এন পি কি আপনাদের বিপক্ষে ছিল ? 
আজ বিএনপি আপনাদের পক্ষে নেই—এটা অবাক হওয়ার কিছু নয়। আপনারা কি পারবেন বিএনপির বিরুদ্ধে লড়তে? এ সক্ষমতা কি আপনাদের আছে ? হয়তো পারবেন, কিন্তু তার খেসারতও দিতে হবে—এটাই রাজনীতির নির্মম বাস্তবতা।

শুরুতেই অংকে ভুল করেছেন আপনারা। আওয়ামী লীগকে পিছিয়ে দিতে পারলেও এখন যদি ভাবেন, বিএনপিকেও একইভাবে দমন করবেন, তারপর জামাতকে, তবে সেটা হবে আত্মঘাতী ভুল। রাজনীতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হয়, সব একসাথে গিলে ফেলা যায় না।বিশেষ করে এ মুহূর্তে এটা সম্ভব নয় ।

শুরুতেই অনেক বড় ভুল করেছেন আপনারা। আপনাদের কোনো অভিভাবক নেই, কোনো পরিকল্পনা নেই। এখন সময় এসেছে কৌশলী হওয়ার। আজ আর বিপ্লবের দিন নেই। কাল আপনি ড. ইউনুস হয়ে যাবেন—‘জনতার একজন’। তাই এখনই সময় সাহসী, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

তা না হলে সামনে কি হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিএনপি এখন শক্তিশালী, আওয়ামী লীগও ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে। তখন আপনারা কোথায় থাকবেন?

বিএনপির অনেক ভাই এই ঘটনায় খুশি হয়েছেন। এটা গভীর লজ্জার। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে যদি আপনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে না দাঁড়িয়ে উল্লাস করেন, তাহলে আপনি আর আওয়ামী দমননীতির মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখলেন না।

আমরা চাই, রাজনীতিতে সহনশীলতা ফিরুক। হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেয়ে বেশি দরকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস। যা বাংলাদেশে আশা করা অবাস্তব ।

 

প্রিসীলা,ফেসবুক থেকে সংগৃহীত 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - শিক্ষা