a
ফাইল ছবি
ভারতে ক্রমশ বাড়তে থাকা করোনায় নাজেহাল দেশটির জনগণ। আর মাত্র এক দফার ভোট বাকি। একটানা ভোট প্রচারে অতিরিক্ত জন সমাগমের জন্যই করোনার এমন সংক্রমণ বাড়ছে বলে অভিযোগ করছে অনেকে।
ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন তারকা থেকে রাজনীতিবিদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী। শোনা যাচ্ছে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। ফিল্মফেয়ারের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে এমনটাই জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন মিঠুন চক্রবর্তী।
বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলছেন তিনি। তবে অভিনেতার পরিবারের তরফ থেকে এখনো এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।
ফাইল ছবি
গতকাল রাজধানীর গুলশান-২ এ অভিযান চালিয়ে তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীনের মন্টানা লাউঞ্জ নামে একটি সিসা বার থেকে গতকাল ১৮ মে ১১ জনকে আটক করেছে গুলশান থানা পুলিশ। অভিযানে সিসা ও সিসা সেবনের বিভিন্ন জিনিসপত্র জব্দ করা হয়। মন্টানা লাউঞ্জ নামে সিসা বারের মালিক তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমীর ছেলে ফারদিন এহসান স্বাধীন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এক অনলাইন গণমাধ্যমের কাছে স্বয়ং এ তথ্য স্বীকার করেন ওমর সানি।
তিনি জানান, মন্টানা লাউঞ্জ আসলে একটি খাবারের রেস্তোরাঁ। এর মালিক আমার ছেলে এবং তার দুই বন্ধু। খাবারের পাশাপাশি এখানে সিসা সেবনের ব্যবস্থা ছিল। এখানে কোনো বেআইনি বা অবৈধ কিছু ঘটছিল না। আমরা দেশের আইন অনুযায়ী চলেছি।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সিসা সেবন নিষিদ্ধ জানিয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানা ওসি আবুল হাসান। উক্ত ঘটনায় থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশের আইনে সিসা সেবন নিষিদ্ধ তাই রেস্তোরাঁয় সিসা সেবনের ব্যবস্থা কেন ছিল? এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে বাংলা সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়েন, সিগারেট অবৈধ না হলে সিসা কেন অবৈধ?
তিনি যুক্তি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, গুলশান বনানীতে প্রায় ৪০টির মতো সিসা লাউঞ্জ আছে। যদি সরকার ঐগুলোসহ আমার ছেলেরটা বন্ধ করে দেয় তাহলে আমাদের আপত্তি নেই। আমাদের রেস্তোরাঁয় শুধু খাবারের ব্যবস্থাই থাকবে।
ফাইল ছবি
চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের দেওয়া বক্তব্যকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘মাহবুব তালুকদার মিথ্যাচার করেন। তিনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য দেন। হয়তো তার কোনো এজেন্ডা আছে, সেটা বাস্তবায়নের জন্য তিনি এমন বক্তব্য দেন।’
বৃহস্পতিবার (০৬ জানুয়ারি) সোনারগাঁও হোটেলে ভোটার তালিকায় পরিচয়হীনদের পিতা-মাতার নাম লিপিবদ্ধকরণে জটিলতা নিরসন শীর্ষক কর্মশালা শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।
মাহবুব তালুকদারের এ বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, উনি তো সব সময় এরকম বলেন। একেকটা সময় একেকটা শব্দ চয়ন করেন। এই কথাগুলো অপ্রাসঙ্গিক, অপ্রচারমূলক। নির্বাচন কমিশনকে অপবাদ দেওয়া কথা।
সিইসি আরও বলেন, ‘ভোটযুদ্ধ আছে, ভোট নেই! তাহলে ৭৫ শতাংশ ভোটার কোথা থেকে আসে? টেলিভিশনে দেখেছেন, সারিবদ্ধভাবে নারী-পুরুষ দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন। তাহলে এরা কারা? এরা কি ভোটার নন? সুতরাং ওনার কথার কোনো সংগতি নেই।’
এর আগে গতকাল বুধবার পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ শেষে মাহবুব তালুকদার বলেছিলেন, সন্ত্রাস ও সংঘর্ষ যেন ইউপি নির্বাচনের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। এখন ভোটযুদ্ধে যুদ্ধ আছে, ভোট নেই। ইউপি নির্বাচনে এখন উৎসবের বাদ্যের বদলে বিষাদের করুণ সুর বাজছে। নির্বাচন ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না। সূত্র: ইত্তেফাক