a
ফাইল ছবি
দীর্ঘ দিনের বলিউডের গোছানো ক্যারিয়ারকে বিদায় জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জাইরা ওয়াসিম ও সানা খানসহ অনেকে। কারণ হিসেবে তারা বলেছিলেন ইসলামে সমর্পণ করতে চান নিজেদের। এবার জানা গেল ইসলাম ধর্মের পথে চলতে বিনোদন জগতকে বিদায় জানিয়েছেন ভোজপুরী সিনেমার আরেক অভিনেত্রী সহর আফসাহ। সামাজিক মাধ্যমে নিজের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
তিনি লিখেছেন, ‘আমি সকলকে জানাতে চাই যে আমি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে দিয়েছি আর এর সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই না। বাকি জীবনটা ইসলামের শিক্ষা এবং আল্লাহর নিয়ম মেনেই কাটিয়ে দিতে চাই। অতীতে আমি যেভাবে জীবন কাটিয়েছি তার জন্য আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করছি।’
সহর আরও লিখেছেন, ‘বিপুল সাফল্য আর অর্থ পেয়েও আমি তৃপ্ত ছিলাম না। কারণ আমি ছোটবেলায়ও এই ধরণের জীবনযাপন করার কথা ভাবিনি। হঠাৎ করেই এই ইন্ডাস্ট্রিতে আমি এসে পড়ি আর এগিয়ে যেতে থাকি। কিন্তু এইসব কিছু শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এর আগে ২০১৯ এ অভিনেত্রী জায়রা ওয়াসিম বলিউড ছাড়েন। বেছে নেন ধর্মের পথ। সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া।
গত সপ্তাহেই করোনামুক্ত হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর কাপুর। এবার নতুন করে তারই প্রেমিকা আলিয়া ভাটের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর এল।
ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম আলিয়ার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গত বৃহস্পতিবার সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়ি’র সেটে একটি গানের দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় করোনা পরীক্ষা করান আলিয়া। ফল পজিটিভ এলে শুটিং সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।
এরপর গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর জানিয়ে আলিয়া লিখেন, ইতিমধ্যেই নিজেকে আইসোলেট করে ফেলেছেন তিনি এবং বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকবেন।
স্টোরিতে চিকিত্সকের পরামর্শ এবং ভারত সরকারের জারি সব বিধিনিষেধ মেনে চলার কথাও জানান আলিয়া।
ছবি সংগৃহীত
নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে আজ থেকেই সারাদেশে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন। আজ রোববার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, খুন, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস, অপহরণ, নারী নির্যাতন, মব সহিংসতা, মাদক চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার যে কোনো সময় চিহ্নিত অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের ধরতে বিশেষ বা চিরুনি অভিযান পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণসহ সবার সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন। সরকার জনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী যে কোনো কার্যক্রম কঠোর হাতে দমন করবে বলে জানান।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আজ থেকেই চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। সূত্র: যুগান্তর