a
ছবি: মডেল সারিকা ও স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। বিয়ের কিছুদিন পরেই স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলে মামলা করেন সারিকা।
অবশেষে সেসব অভিযোগ ও মামলা তুলে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে একসঙ্গে থাকছেন। সংসারে মনোযোগী হয়েছেন দু’জনে। গণমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানিয়েছেন।
অভিনেত্রী বলেন, আমাদের বিষয়ে দুই পরিবার বসেছিল। রাহী তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে একসঙ্গে থাকার কথা বলেছেন। আর আমি তো তাকে ভালোবাসি। এ কারণে মামলা তুলে নিয়েছি। এছাড়া আমিও সুন্দরভাবে সংসার করতে চেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিচ্ছেদ ভালো কিছু নয়। আমাদের সুন্দর সমাধানে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষ। এখন একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করছি। বর্তমানে রাহীর বাসায় আছি। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
দেশের সমালোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ার মেয়ে। তিনি এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। তিনি ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের শিংখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সেখানে মামার বাড়িতে থেকে বড় হয়েছেন। তার পুরো নাম শামসুন নাহার স্মৃতি।
স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর জেলা পরিষদ সদস্য মো. আব্দুল হাই হাওলাদার জানান, পরীমনির বাড়ি এখানে না হলেও তিনি নানা মো. শামসুল হক গাজীর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করে বেড়ে উঠেছেন। তবে তার বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার সালাবাদ গ্রামে। তার পিতা মনিরুল ইসলাম ছিলেন একজন পুলিশ কনস্টেবল।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, পরীমনির শিশুকালে তার মা সালমা সুলতানার মৃত্যু হয়। মায়ের মৃত্যুর পর পিতা-মাতার একমাত্র মেয়ে শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনিকে তার নানা মো. শামসুল হক গাজী তাদের ভাণ্ডারিয়ার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন মেধাবী ছাত্রী। কিন্তু গরিব হওয়ায় কোনো প্রাইভেট পড়তে পারেননি। তারপরও তিনি ভগিরাতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হন।
এরপর মামার বাড়িতে থেকে পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া উপজেলার ভগিরাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষা দিলেও প্রথমে তিনি ফেল করেন। পরের বছর ২০১১ সালে একই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।
পরীমনির নানা শামসুল হক গাজী জানান, পরীমনির মায়ের মৃত্যুর পর তাকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসি। সে আমাদের বাড়িতে থেকে স্থানীয় স্কুলে লেখাপড়া করে এসএসসি পাশ করে। পরে স্থানীয় একটি কলেজে ভর্তি হলেও বরিশালে থাকা খালাতো ভাই ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। সেখানে ২ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদ হয়।
স্থানীয়রা জানান, উচ্ছৃঙ্খল জীবনের জন্য খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর ২০১৯ সালে দ্বিতীয় ও ২০২০ সালে তৃতীয় বিয়ে হয় পরীমনির।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঠবাড়িয়ার ভগিরাথপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তার এক সহপাঠী জানান, ছাত্রজীবন থেকে শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি ছিলেন উচ্চাভিলাষী ও উচ্ছৃঙ্খল। তাকে আমরা স্মৃতি নামে চিনতাম। তবে এসএসসির নিবন্ধনে তার নাম ছিল শামসুন নাহার।
জানা গেছে, অত্যন্ত গরিব পরিবারের কন্যা শামসুন নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনি পেটের টানে চলে যান ঢাকায়। সেখানে চিত্রজগতে প্রবেশ করেন। প্রথমে ভালো পরিচিতি লাভ না করলেও পরে ‘বিশ্ব সুন্দরী’ নামে একটি ফিল্মে নায়িকার অভিনয় করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
ছবি: সংগৃহীত
মামলায় গত বুধবার দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার উদয়ন আবাসিক এলাকায় তার বাসা থেকে প্রেমিক আরমান লস্করকে (২৫) গ্রেফতার করে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ। শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হক কামাল বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে মেয়েটির দায়ের করা মামলায় প্রেমিক আরমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মেয়েটিকে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাস্থল যেহেতু হবিগঞ্জ সদর থানা এলাকায় তাই এ ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার আমীরখানি গ্রামের শামীম লস্করের ছেলে আরমান লস্কর শায়েস্তাগঞ্জের দাউদনগর বাজারের আচার বিক্রি করত। এর সুবাদে পরিচয় হয় ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে। পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হলে ওই কলেজছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানার পর থেকে আরমান মিয়া ওই কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এক পর্যায়ে সোমবার হবিগঞ্জে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সন্তান প্রসব করেন। স্থানীয়রা জানান, সন্তান প্রসবের পর পিতার পরিচয় না পাওয়ায় ক্ষোভে এবং লোকলজ্জার ভয়ে ওই কলেজছাত্রী ও তার মা নবজাতকটিকে সদর উপজেলার আব্দাখাই এলাকার একটি ডোবায় ফেলে দিতে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ময়নাতদন্ত শেষে নবজাতকটি দাফন হয়। পরে কলেজছাত্রী প্রেমিক আরমানের নামে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।