a
ছবি: মডেল সারিকা ও স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। বিয়ের কিছুদিন পরেই স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলে মামলা করেন সারিকা।
অবশেষে সেসব অভিযোগ ও মামলা তুলে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে একসঙ্গে থাকছেন। সংসারে মনোযোগী হয়েছেন দু’জনে। গণমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানিয়েছেন।
অভিনেত্রী বলেন, আমাদের বিষয়ে দুই পরিবার বসেছিল। রাহী তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে একসঙ্গে থাকার কথা বলেছেন। আর আমি তো তাকে ভালোবাসি। এ কারণে মামলা তুলে নিয়েছি। এছাড়া আমিও সুন্দরভাবে সংসার করতে চেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিচ্ছেদ ভালো কিছু নয়। আমাদের সুন্দর সমাধানে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষ। এখন একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করছি। বর্তমানে রাহীর বাসায় আছি। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি
সংগীতশিল্পী ইভা রহমান আবারও বিয়ে করেছেন। ইভার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরী।
গতকাল রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইভার গুলশানের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। ইভার স্বামীর নাম সোহেল আরমান। তিনি ঢাকার ছেলে, পেশায় ব্যবসায়ী।
গত (১৯ সেপ্টেম্বর) ইভার গুলশানের বাসায় দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে কণ্ঠশিল্পী ইভা রহমান বিয়ে করেছিলেন দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে।
ফাইল ছবি
ফিলিস্তিনের মিসাইল হামলায় মাত্র পাঁচ মিনিটে ইসরায়েল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়া।
তিনি বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যদি প্রতিরোধ আন্দোলনের নতুন করে সংঘাত শুরু হয় তাহলে ফিলিস্তিনিদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কয়েক মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যাবে।
রবিবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক সমাবেশে দেওয়া বক্তৃতায় ইসমাইল হানিয়া এসব কথা বলেন। এসময় ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েকটি আরব দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের কঠোর নিন্দা করেন।
হামাস নেতা বলেন, “৭৪ বছর আগে থেকেই লেবানন সম্পূর্ণভাবে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিল। এখন আমরা আল-আকসা মসজিদের মুক্তি আসন্ন মনে করি কারণ আমরা এখন বিজয় এবং উন্নয়নের যুগে অবস্থান করছি। এই উন্নয়ন এবং বিজয়ের বিষয়টি আমাদের জনগণ নির্ধারণ করবে।”
তিনি বলেন, গাজা উপত্যকা ইসরায়েলের জল, স্থল এবং আকাশ পথের অবরোধের আওতায় রয়েছে। কিন্তু তারপরও অপারেশন আল-কুদস সোর্ড নামে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে গাজাবাসী। যার অর্থ হচ্ছে, ইসরাইয়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে গাজা। অপারেশন আল-কুদস সোর্ডে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড ব্যাপকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
হামাস নেতা বলেন, ভবিষ্যতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ফিলিস্তিনের ১৫০টি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলকে পাঁচ মিনিটেই ধ্বংস করে ফেলবে।
তিনি আরও বলেন, দখলদার ইসরায়েল সরকার এবং অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের আল-আকসা ও আল-কুদসে কোথাও ঠাঁই নেই। সূত্র: প্রেসটিভি/বিডি প্রতিদিন