a
ছবি: মডেল সারিকা ও স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। বিয়ের কিছুদিন পরেই স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলে মামলা করেন সারিকা।
অবশেষে সেসব অভিযোগ ও মামলা তুলে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে একসঙ্গে থাকছেন। সংসারে মনোযোগী হয়েছেন দু’জনে। গণমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানিয়েছেন।
অভিনেত্রী বলেন, আমাদের বিষয়ে দুই পরিবার বসেছিল। রাহী তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে একসঙ্গে থাকার কথা বলেছেন। আর আমি তো তাকে ভালোবাসি। এ কারণে মামলা তুলে নিয়েছি। এছাড়া আমিও সুন্দরভাবে সংসার করতে চেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিচ্ছেদ ভালো কিছু নয়। আমাদের সুন্দর সমাধানে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষ। এখন একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করছি। বর্তমানে রাহীর বাসায় আছি। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বৃহত্তর ময়মনসিংহ কর আইনজীবী সমিতি কর্তৃক আয়োজিত কাকরাইল অস্থায়ী কার্যালয়ে বার্ষিক বনভোজন-২০২৬, সাফল্যমন্ডিত করতে অদ্য ৭ ডিসেম্বর বিকাল ৪ ঘটিকায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ কর আইনজীবী সমিতির মাননীয় সভাপতি এডভোকেট মোঃ কামরুল আহসান মিলটনের সভাপতিত্বে বিশেষ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন, সিনিয়র কর আইনজীবী ও অত্র আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ মোঃ রেদওয়ান হামজা।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সৈয়দ ইউসুফ গোলাম মাবুদ, মোঃ জসীম উদ্দিন খান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ এনামুল, হারুন-অর-রশীদ, মোঃ নকীব আলী কামরুল, এ.এম শোয়েব, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মোঃ নকিব আলী কামরুল, মোহাঃ খোরশেদ আলম প্রমুখ।
বার্ষিক বনভোজনে স্পট নির্ধারিত হয় সর্বসম্মতিক্রমে ঐতিহ্যবাহী শালবন গ্রীণ রিসোর্ট, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর এবং তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২৬ । উক্ত বনভোজনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রেফেল ড্র-এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং পুরো পরিবার নিয়ে ভ্রমণের উৎসাহদানে বিভিন্ন প্রনোদনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফাইল ছবি
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায় বিচারক ও আইনজীবীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। নির্দেশনায় বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টসহ অধস্তন আদালতের বিচারক ও আইনজীবীরা কালো কোট এবং গাউনের পরিবর্তে সাদা ড্রেস ও নেক ব্যান্ড, কালো টাই পরবেন। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রধান বিচারপতির সাথে সুপ্রীম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিবর্তিত এ পরিস্থিতিতে বিচারক এবং আইনজীবীদের সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ী/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন।
এ ক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার প্রয়োজনীয়তা নেই। এই নির্দেশনা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এবং দেশের সকল অধস্তন আদালতে অবিলম্বে কার্যকর হবে।
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এর আগে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস ও কারখানা অর্ধেক জনবল দ্বারা পরিচালনা, উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা, জনসমাগম সীমিত করা, গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পরিবহনসহ ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।