a
ছবি: মডেল সারিকা ও স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। বিয়ের কিছুদিন পরেই স্বামী জি এস বদরুদ্দিন আহমেদ রাহীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তোলে মামলা করেন সারিকা।
অবশেষে সেসব অভিযোগ ও মামলা তুলে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে স্বামীকে নিয়ে একসঙ্গে থাকছেন। সংসারে মনোযোগী হয়েছেন দু’জনে। গণমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানিয়েছেন।
অভিনেত্রী বলেন, আমাদের বিষয়ে দুই পরিবার বসেছিল। রাহী তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে একসঙ্গে থাকার কথা বলেছেন। আর আমি তো তাকে ভালোবাসি। এ কারণে মামলা তুলে নিয়েছি। এছাড়া আমিও সুন্দরভাবে সংসার করতে চেয়েছি।
তিনি আরও বলেন, বিচ্ছেদ ভালো কিছু নয়। আমাদের সুন্দর সমাধানে বেশি ভূমিকা রেখেছেন আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষ। এখন একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করছি। বর্তমানে রাহীর বাসায় আছি। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন
ফাইল ছবি । অভিনেতা সালমান খান
বলিউড অভিনেতা সালমান খান। তাকে বলিউডের ব্যাচেলর অভিনেতাও বলা যায়। বয়স ৫৫ পেরিয়েছে কিন্তু এখনও বিয়ে করেননি। তবে তাকে ঘিরে একের পর এক প্রেমের গুঞ্জন বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। কিন্তু সংসার পেতে থিতু হয়েছেন এমনটি আর হচ্ছে না। এখনও কেন বিয়ে করেননি, চিরকুমারই থেকে যাবেন? ভক্তদের মুখে এ সব প্রশ্ন শুনতে শুনতে কান পেকে গেছে সালমানের। অবশ্য তিনি কখনও রাগেন না। মজার ছলে জবাব দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান সবসময়। কিন্তু এবার ঘটল উল্টোটা। গুঞ্জন উঠল, সালমান নাকি বিয়ে করেছেন। স্ত্রীকে লুকিয়ে রেখেছেন দুবাইয়ের কোনো এপার্টমেন্টে। তার নাকি ১৭ বছরের সন্তানও আছে! এমন সব কথা শুনে রীতিমতো ক্ষেপে গেলেন সালমান। বললেন, সব বাজে কথা।
গত ২১ জুলাই এমন বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন বলি সুলতান। তার ভাই আরবাজ খানের টক শো ‘পিঞ্চ’-এর একটি পর্বে অংশ নেন সালমান। শোয়ের একটি পর্বে সোশ্যাল মিডিয়ার মন্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান সালমান। এতে একজন নেটিজেনের মন্তব্য পড়ে শোনান আরবাজ খান। প্রশ্নসহ মন্তব্যটি ছিল- ‘কোথায় লুকিয়ে আছো ভীতু? ভারতের সবাই জানে যে, তুমি দুবাইতে নিজের স্ত্রী নূর এবং ১৭ বছরের সন্তানের সঙ্গে আছো। ভারতের মানুষকে কত দিন মুর্খ বানিয়ে রাখবে?’
এটা প্রশ্নটা শুনে সালমান প্রথমে জানতে চান, ‘কাকে উদ্দেশ্যে এটা বলা হয়েছে?’ আরবাজ জানান, অবশ্যই তোমাকে নিয়ে। তখন জবাবে সেই নেটিজেনকে ধুয়ে দেন সালমান খান। বলেন, ‘এসব মানুষ খুবই জ্ঞানী! একদম বাজে কথা এটা। আমি জানি না, এগুলো কে বলেছে বা কোথায় লেখা হয়েছে, তারা কী মনে করে এইসব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমি তাদের গুরুত্ব দেব? ভাই, আমার কোনও বউ নেই। আমি ভারতেই থাকি, আর গোটা ভারত জানে আমি কোথায় থাকি সেই ৯ বছর বয়স থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে। আমি এইসব লোকজনের প্রশ্নের জবাব দিতে চাই না।’ তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
সংগৃহীত ছবি
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ৯ অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বসুরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে এধরণের ঘটনা ঘটে। আহতরা সবাই ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন।
আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সবাইকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
হাসপাতালের ডাক্তার আবু নাছের জানান, ছররা গুলিতে আহত ৮ জনকে জরুরি বিভাগ থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেয়া হয়।
আহতরা হলেন- পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), সামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ (৪০), আবদুল লতিফ দুলালের ছেলে রুহুল আমিন সানি (৩০), মোস্তফা মেস্তরীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের এনামুল হকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭), চরকাঁকড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে দিদার (৩৫), মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২), এমদাদুল হকের ছেলে সওশাদ (৩৫)। আহতরা সবাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বকুল জানান, ৯নং ওয়ার্ডের হাজীপাড়া, আদর্শপাড়া ও শান্তিপাড়া থেকে কাদের মির্জার অনুসারীরা একত্রিত হয়ে পৌরসভায় যাওয়ার জন্য জড়ো হচ্ছিল। এসময় প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর সমর্থকরা বেপরোয়াভাবে গুলি চালালে কাদের মির্জার লোকজন আহত হয়।
অপরদিকে সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কোনো লোক বাসা থেকে বের হয়নি। কাদের মির্জার লোকজন মিছিল করতে গিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে শুনেছি।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে কাদের মির্জার অনুসারীরা মিছিল করতে চাইলে প্রতিপক্ষরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ ঘটনায় আবদুল কাদের মির্জা রাত ৯টায় পৌরসভার নিজ কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভে এসে এএসপি শামীম, ইউএনও জিয়া, ওসি রনি ও অ্যাসিল্যান্ড সুভাতকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আলটিমেটাম দিয়েছেন।