a
ফাইল ছবি
জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাংসদ নুসরাত জাহান সন্তান সম্ভাবনা। আজ শুক্রবার সকাল থেকেই তার মা হওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে টলিপাড়ায়। তবে এ নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি নুসরাত।
তার ঘনিষ্ঠমহল সূত্র থেকে ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত এবং নুসরাতের জীবনে আসতে চলেছে নতুন অতিথি। এক মাস আগেই এই সুখবর পেয়েছেন তারা। বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন নুসরাতের স্বামী নিখিল জৈন। তিনি বলেছেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ওর সঙ্গে দীর্ঘদিন আমার কোনো সম্পর্ক নেই। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে এই সন্তান আমার নয়।’
গত কয়েক মাস যাবত নিখিলের সহিত সম্পর্ক টানাপোড়েন চলছে নুসরাতের। স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে আইনগতভাবে বিচ্ছেদ না হলেও একসঙ্গে তারা থাকছেন না। গুঞ্জন রয়েছে ‘এসওএস কলকাতা’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকেই যশের প্রেমে পড়েছিলেন বিবাহিত নুসরাত। সূত্র: আনন্দবাজার
ফাইল ছবি
অবশেষে জামিন পেয়েছে শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। আজ বৃহস্পতিবার বম্বে হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
দীপাবলির আগে বাড়ি ফিরবেন শাহরুখ খান এবং গৌরী খানের বড় ছেলে। আর্থার রোড জেল থেকে ‘মন্নত’-এ ফেরার অনুমতি দিল আদালত।
মঙ্গলবার এবং বুধবার আরিয়ানের জামিনের শুনানি অসমাপ্ত ছিল। তৃতীয় দিনে রায় দিল হাইকোর্ট।
গত ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে এক প্রমোদতরী থেকে আটক করা হয়েছিল আরিয়ানকে। তারপর চলতি মাসের ৩ তারিখ তাকে গ্রেফতার করে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। মোট দু’বার তার জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যুক্তি হিসেবে বলা হয়, জামিনে ছাড়া পেলে, আরিয়ান তার বিরুদ্ধে যাবতীয় তথ্য ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করতে পারেন।
মাদক-মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মামলার অন্যতম সাক্ষী প্রভাকর সেইল তার বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ তোলার পর পানি ঘোলা হতে থাকে। সমীরের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়ে গেছে।
সম্প্রতি আর এক সাক্ষী কিরণ গোসাভিকে আটক করেছে পুলিশ। পুণে পুলিশের পক্ষ থেকে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ব্যক্তি সে-ই যিনি এনসিবি দফতরে আরিয়ানের সঙ্গে সেলফী তুলেছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার
ফাইল ছবি: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি এখন ভালো থাকলেও নিজ হাতে লিখতে পারছেন না কিংবা কিছু টাইপ করতে পারছেন না।
যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম দ্য নিউইয়র্কারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন রুশদি। বুকার পুরস্কারজয়ী এই লেখক গত বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার শিকার হন।
নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে ১০ থেকে ১৫ বার ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর থেকে বেশ অসুস্থ ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর উপন্যাস প্রকাশ উপলক্ষে আবারও আলোচনায় এসেছেন। তবে রুশদি শারীরিক অবস্থার কারণে উপন্যাসের প্রচারকাজে নিজে অংশ নিচ্ছেন না।
রুশদি বলেন, ‘আমি এখন একা দাঁড়াতে পারি এবং হাঁটতে পারি। আমি যখন বলছি, আমি ভালো আছি, এর মধ্য দিয়ে আমি এটাই বলছি, আমার শরীরের বিভিন্ন অংশ প্রতিনিয়ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়। এটা ভয়ংকর হামলা ছিল।’ নিউইয়র্কের ওই হামলার পর থেকে বেশ ভয়ের মধ্যেও রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদি ২০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ১৯৮১ সালে ‘মিডনাইটস চিলড্রেন’ নামক বইয়ের জন্য বুকার পুরস্কার জেতেন তিনি। তবে ১৯৮৮ সালে তাঁর চতুর্থ বই ‘দ্য স্যাটানিক ভার্সেস’-এর জন্য তাঁকে ৯ বছর লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল।
যুক্তরাজ্যে বসবাসকালে বেশির ভাগ সময় তাঁকে সরকারের সুরক্ষা নিয়ে থাকতে হয়েছে। ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ প্রকাশের পর তাঁর বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনে বিভিন্ন মহল। এটি প্রকাশের পর থেকে সালমান রুশদি হত্যার হুমকি পেয়ে আসছিলেন। বইটি প্রকাশের এক বছর পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনি সালমান রুশদির মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করেন। সেই সঙ্গে তাঁর মাথার দাম হিসেবে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সূত্র: প্রথম আলো