a
ফাইল ছবি
ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ খলনায়ক মিশা সওদাগর। পর্দায় নানা চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন তিনি। অধিকাংশই নেতিবাচক অথচ পর্দার মিশা আর বাস্তবের মিশার মধ্যে পার্থক্য আকাশ-পাতাল তফাৎ। যতটা নেতিবাচক, বাস্তবে ততটাই ইতিবাচক।
এই অভিনেতা বাস্তব জীবনে একজন দারুণ প্রেমিক। তার প্রেমকাহিনী যেকোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়।
আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এমন দিনে মিশা সওদাগর জানান, বিয়ের আগে ১০ বছর চুটিয়ে প্রেম করেছেন। প্রেমের যখন শুরু তখন মিশা ম্যাট্রিক (এসএসসি) পরীক্ষার্থী। আর স্ত্রী মিতা পড়তেন নবম শ্রেণিতে। মিশা বলেন, ‘আমার আম্মা ও মিতার আম্মা নিকটাত্মীয়। আমাদের বাসা এবং তাদের বাসায় যাতায়াত ছিল। সেই সূত্র ধরেই প্রেম।
মিশা সওদাগর বলেন, প্রথম দেখায় মিতার যে জিনিসটা পছন্দ হয়… আমরা তো ঢাকার লোক, নিজের ড্রেসআপ গেটআপের দিকে খেয়াল করতাম। পড়াশোনার দিকে খেয়াল করতাম না। কিন্তু মিতা ফাইভে বৃত্তি পাওয়া মেয়ে। তার মেধা আমাকে খুব আকৃষ্ট করে। এই জায়গা থেকে আমার ফিল আরম্ভ হয়। প্রথম একটা চিঠি দিয়ে প্রেমের শুরুটা করেছিলেন মিতা। তবে দুজনের ১০ বছরের প্রেমের গল্প মোটেও সহজ ছিল না। ছিল পারিবারিক আপত্তি। এমনকী মিশা দেখা করতে যাওয়ায় মেডিকেলে পড়া হয়নি মিতার। সেই গল্প মিশা বলেন এভাবে- ‘মিতা চট্টগ্রাম মেডিকেলে চান্স পায়।
আমি সেখানে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সেই খবরে মিতার আব্বা চট্টগ্রামে তার পড়া বন্ধ করে দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে ভর্তি করে দেন। এ ছাড়া আরও অনেক ঝামেলা গেছে আমাদের। কিন্তু, আমরা দুজন দুজনকে ছাড়িনি। একবার এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করে তাকে বিদেশে পাঠাতে চেয়েছিল, তখন আমরা বিয়ে করে ফেলি।' বর্তমানে মিশা-মিতা দম্পতির দুই পুত্র। তারা আমেরিকায় থাকেন। আর সুযোগ পেলেই মিশা উড়াল দেন স্ত্রী-পুত্রকে সময় দিতে। সূত্র: সমকাল
ফাইল ফটো
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। আর তাই ‘মিস ইউনিভার্স’ হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মডেল তানজিয়া জামান মিথিলার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে প্রতিযোগিতা থেকে তার নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। সেইসাথে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’-এর ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে ফেলা হয়েছে এ প্রতিযোগীর নাম!
‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতার ৬৯তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার কথা ছিল ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০’ প্রতিযোগিতার বিজয়ী তানজিয়া জামান মিথিলার। সে অনুযায়ী মূল প্রতিযোগিতার ওয়েবসাইটে উঠেছিল তার নাম। ভোট দেওয়ারও সুযোগ ছিল। কিন্তু ১৯ এপ্রিল মিস ইউনিভার্সের ওয়েবসাইট ঘুরে কোথাও মিথিলার নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মূল আয়োজনের ওয়েবসাইট থেকে মিথিলার প্রোফাইল সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, ‘লকডাউন এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে আমরা প্রস্তুতি শেষ করতে পারিনি। তাই আমরা এবারের আসরে অংশ নিতে পারছি না। বিষয়টি মূল আয়োজকদের এই সপ্তাহে জানানো হয়েছে।’
এদিকে বাংলাদেশ থেকে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২০’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল মিথিলার। কিন্তু বিজয়ী হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন বিতর্ক আবারও শুরু হয় তাকে ঘিরে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য বয়স লুকানো ও পুরুষ হয়রানির বিষয়টি।
বিজয়ী হওয়ার পর ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ওয়েবসাইটে উঠেছিল মিথিলার নাম। যেখানে তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু হঠাৎ তাদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো মিথিলার নাম।
কেন সরিয়ে দেওয়া হলো মিথিলাকে? কারণ খুঁজতে গেলে এ প্রতিবেদকের হাতে আসে তিনটি স্ক্রিনশট। একটি বিউটি পেজেন্টদের নিয়ে কাজ করা ‘সাশ ফ্যাক্টর’ নামের অনলাইন ম্যাগাজিনের, আরেকটি ‘মিস ইউনিভার্স আপডেট’ নামের একটি গ্রুপের এবং অন্যটি ‘পেজেন্ট ফেনাটিক’ নামের একটি পেজের।
‘সাশ ফ্যাক্টর’ তাদের পোস্টে মিথিলার বয়স লুকোচুরি এবং যৌন হয়রানির বিষয়টিও তুলে ধরে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২০ তানজিয়া জামান মিথিলাকে ঘিরে অনেক বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। অনেক বাংলাদেশি বিউটি পেজেন্টরা মিথিলাকে নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন এবং তাকে মূল প্রতিযোগিতার জন্য সাপোর্ট করছেন না।’
এছাড়া প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী অংশগ্রহণকারীর বয়স ২৮ বছরের কম হতে হবে। অভিযোগ রয়েছে মিথিলার বয়সের সীমা আগেই পেরিয়েছেন।
মিথিলা এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি বয়স নিয়ে কোনও লুকোচুরি করিনি। আমার জন্ম ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে। সেটি আমার জন্মনিবন্ধন, ভোটার আইডি, পাসপোর্ট সবকিছুতে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ১৯৯২ হলেও কিন্তু আমি কোয়ালিফাইড। আর মিস ইউনিভার্সের কাছে আমার সব তথ্য রয়েছে।’
ফাইল ছবি
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ৪টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার সকাল ৮টার দিকে ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং তা একটানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এই পৌরসভাগুলো হলো— যশোর ও ঠাকুরগাঁও সদর এবং মাদারীপুরের কালকিনি ও চাঁপাইনাবগঞ্জের শিবগঞ্জ। এই চার পৌরসভার দুটি সাধারণ ও বাকি দুটি ওয়ার্ডে উপনির্বাচন হচ্ছে।
গত বছর করোনা সংক্রমণের কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনসহ বেশ কয়েকটি নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।
আজ যশোর সদর পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতীক বরাদ্দের পর বিএনপি প্রার্থী মারুফুল ইসলাম সরে দাঁড়ালেও ব্যালটে ধানের শীষের প্রতীক থাকছে। ফলে মেয়র পদে তিন প্রার্থী লড়ছেন। তবে অনেকটা ফাঁকা মাঠেই গোল দেওয়ার অবস্থা নৌকার প্রার্থী হায়দার গণি খান পলাশের।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে মাঠে আছেন ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রতীকের মোহাম্মদ আলী। এখানে ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানা গেছে। ভোটকেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তার ঘিরে সহিংসতার শঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে। এর পরের নির্বাচনগুলোর বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
সোমবার করোনা সংক্রমণ বাড়ায় সরকারের পক্ষ থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়। এর পর পরই সিইসির নেতৃত্বে কমিশনের এক অনির্ধারিত বৈঠক হয়।
দেশে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছানোয় ১৮ দফা নির্দেশনা নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, আজকের ভোট স্থগিত নিয়েও আলোচনা হয়। তবে ব্যালট পেপার ছাপাসহ অন্য সব কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় এবং নির্বাচনের সংখ্যা কম হওয়ায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত বছর সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে পরবর্তী ৯০ দিনে করেছে ইসি। স্থানীয় সরকারের নির্বাচনও স্থগিত করা হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় নভেম্বর থেকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হয়।
১১ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় লক্ষ্মীপুর-২ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন, প্রথম ধাপের ৩৭১ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) এবং ষষ্ঠ ধাপের ১১টি পৌরসভাসহ আরও কয়েকটি নির্বাচন স্থগিত হতে পারে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার কমিশনসভায় এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।