a মিশা-মিতার প্রেমকাহিনী সিনেমার প্রেম কাহিনীকেও হার মানায়!
ঢাকা বুধবার, ৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মিশা-মিতার প্রেমকাহিনী সিনেমার প্রেম কাহিনীকেও হার মানায়!


মুক্তসংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক
সোমবার, ১৪ ফেরুয়ারী, ২০২২, ০৯:৫৯
মিশা-মিতার প্রেমকাহিনী সিনেমার প্রেম কাহিনীকেও হার মানায়!

ফাইল ছবি

ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ খলনায়ক মিশা সওদাগর। পর্দায় নানা চরিত্রে অভিনয় করে থাকেন তিনি। অধিকাংশই নেতিবাচক অথচ পর্দার মিশা আর বাস্তবের মিশার মধ্যে পার্থক্য আকাশ-পাতাল তফাৎ। যতটা নেতিবাচক, বাস্তবে ততটাই ইতিবাচক।

এই অভিনেতা বাস্তব জীবনে একজন দারুণ প্রেমিক। তার প্রেমকাহিনী যেকোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানায়।

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এমন দিনে মিশা সওদাগর জানান, বিয়ের আগে ১০ বছর চুটিয়ে প্রেম করেছেন। প্রেমের যখন শুরু তখন মিশা ম্যাট্রিক (এসএসসি) পরীক্ষার্থী। আর স্ত্রী মিতা পড়তেন নবম শ্রেণিতে। মিশা বলেন, ‘আমার আম্মা ও মিতার আম্মা নিকটাত্মীয়। আমাদের বাসা এবং তাদের বাসায় যাতায়াত ছিল। সেই সূত্র ধরেই প্রেম।

মিশা সওদাগর বলেন, প্রথম দেখায় মিতার যে জিনিসটা পছন্দ হয়… আমরা তো ঢাকার লোক, নিজের ড্রেসআপ গেটআপের দিকে খেয়াল করতাম। পড়াশোনার দিকে খেয়াল করতাম না। কিন্তু মিতা ফাইভে বৃত্তি পাওয়া মেয়ে। তার মেধা আমাকে খুব আকৃষ্ট করে। এই জায়গা থেকে আমার ফিল আরম্ভ হয়। প্রথম একটা চিঠি দিয়ে প্রেমের শুরুটা করেছিলেন মিতা। তবে দুজনের ১০ বছরের প্রেমের গল্প মোটেও সহজ ছিল না। ছিল পারিবারিক আপত্তি। এমনকী মিশা দেখা করতে যাওয়ায় মেডিকেলে পড়া হয়নি মিতার। সেই গল্প মিশা বলেন এভাবে- ‘মিতা চট্টগ্রাম মেডিকেলে চান্স পায়।

আমি সেখানে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সেই খবরে মিতার আব্বা চট্টগ্রামে তার পড়া বন্ধ করে দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানে ভর্তি করে দেন। এ ছাড়া আরও অনেক ঝামেলা গেছে আমাদের। কিন্তু, আমরা দুজন দুজনকে ছাড়িনি। একবার এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করে তাকে বিদেশে পাঠাতে চেয়েছিল, তখন আমরা বিয়ে করে ফেলি।' বর্তমানে মিশা-মিতা দম্পতির দুই পুত্র। তারা আমেরিকায় থাকেন। আর সুযোগ পেলেই মিশা উড়াল দেন স্ত্রী-পুত্রকে সময় দিতে। সূত্র: সমকাল

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

মূঘলরা খারাপ হলে তাদের স্থাপত্যসমূহ রাখা দরকার নাই: নাসিরুদ্দিন শাহ


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৭ ফেরুয়ারী, ২০২৩, ১১:১১
মূঘলরা খারাপ হলে তাদের স্থাপত্যসমূহ রাখা দরকার নাই: নাসিরুদ্দিন শাহ

ফাইল ছবি: নাসিরুদ্দিন শাহ

আগামী ৩ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে নাসিরুদ্দিন অভিনীত সিরিজ তাজ–ডিভাইডেড বাই ব্লাড'। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি ফাইভে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এ সিরিজে মোগল সম্রাট আকবরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ।

সিরিজ মুক্তির আগে মোগল শাসন সম্পর্কে তিনি কঠিন মন্তব্য করে রীতিমতো বোমা ফাটালেন বলিউডের এ বর্ষীয়ান অভিনেতা। কথা প্রসঙ্গে নাসিরউদ্দিন শাহ বলেন, মোগলরা যদি এতই বাজে কাজ করে থাকে, তাহলে তাদের তৈরি স্থাপত্যসমূহ লালকেল্লা, তাজমহল ইত্যাদি ভেঙে ফেলুন।

অভিনেতার মতে, মোগলদের মহিমান্বিত করার দরকার নেই। কিন্তু তাদের অপমান করাও উচিত নয়।

সাক্ষাৎকারে নাসিরুদ্দিন শাহ বলেন, সম্প্রতি ভারতের ইতিহাসকে ভুলভাবে ব্যাখা করা হচ্ছে। বহুদিন ধরেই এই প্রবণতা বেশ স্পষ্ট। ইতিহাসে মোগলদের খলনায়ক হিসেবে দেখানো হচ্ছে। আমার অবাক লাগে যে, মানুষ আকবর এবং হত্যাকারী নাদির শাহ অথবা তৈমুরের ফারাক বোঝে না। ওরা ভারতকে লুট করতে এসেছিল কিন্তু মোগলরা তো এসব করেনি।

দেশে ইতিহাস চেতনার অভাব বাড়ছে জানিয়ে বলিউড এ অভিনেতা বলেন, মোগলরা ভারতে এসে সেখানে নিজেদের বসতি গড়ে তুলেছে। আর তাদের যা অবদান সেটা আপনি অস্বীকার করতে পারবেন? অতীতকে বিতর্কিত দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছে দেশের একটা অংশ, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

প্রায় দেড় বছর আগেও নাসিরুদ্দিন শাহ বলেছিলেন, মোগলদের নৃশংসতা নিয়ে প্রায়শয়ই চর্চা করা হয়। কিন্তু আমরা ভুলে যাই এই দেশের উন্নয়নে মুঘলদের অসামান্য অবদান। মোগলরাই ভারতের চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রসিদ্ধ স্থাপত্যগুলো গড়ে তুলেছে। নাচ, গান, স্থাপত্যসহ প্রায় সবক্ষেত্রে মোগলদের অবদান। এটাকে তারা নিজেদের মাতৃভূমি হিসেবে গড়ে তুলেছিল। সূত্র: ইত্তেফাক

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

ইন্টার মায়ামির প্রথম শিরোপা জয় মেসির–জাদুতে


ক্রীড়া ডেস্ক: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
রবিবার, ২০ আগষ্ট, ২০২৩, ১০:৩০
ইন্টার মায়ামির প্রথম শিরোপা জয় মেসির–জাদুতে

ফাইল ছবি: মেসি

কী জানি কী হয়! উত্তেজনা ও উৎকণ্ঠা লিওনেল মেসির চোখে মুখে। পারবেন কি ইন্টার মায়ামিকে প্রথম শিরোপাটা এনে দিতে? কিছুই তখন তাঁর হাতে ছিল না। নিজের কাজটা আগেই সেরে রেখেছিলেন। নির্ধারিত সময়ে করেছেন নান্দনিক এক গোল। টাইব্রেকারে দলের প্রথম শটটি নিয়েও করেছেন গোল।

এরপরই শুরু টেনশন! তবে মেসিকে নিরাশ করেননি তাঁর সতীর্থরা। ম্যারাথন পেনাল্টি শুটআউটে দুই দল ১০টি করে শট নিয়ে ফেলেছে, টাইব্রেকারে তখন ৯-৯ এ সমতায়। শট নিতে এলেন গোলরক্ষকেরা। দারুণ শটে গোল করলেন ইন্টার মায়ামির গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার। এরপর প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের শট ঠেকিয়ে দলকে এনে দেন শিরোপাও। ১-১ গোলে সমতায় থাকার পর ইন্টার মায়ামি টাইব্রেকারে ম্যাচ জিতে নেয় ১০-৯ গোলে।

গত বছরের ডিসেম্বরে বিশ্বকাপ জিতে সপ্তম স্বর্গে আরোহণ করেছিলেন মেসি। ফুটবল থেকে নিজের আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই বলে নিজেই একাধিকবার বলেছেন। কিন্তু নিজের জন্য নয়, যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন তলানিতে থাকা ইন্টার মায়ামিকে ভালো কিছু উপহার দেবেন বলে। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপেই সফল আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। লিগস কাপের মধ্য দিয়ে মায়ামিকে এনে দিলেন প্রথম শিরোপা।

এদিন ন্যাশভিলের মাঠ জিওডিস পার্কে শুরু থেকেই বল পায়ে রেখে আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করে ইন্টার মায়ামি। ৪ মিনিটের মাথায় লং বলে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেছিলেন মেসি। যদিও সেই সুযোগ পরিণতি পায়নি। ইন্টার মায়ামি বলের দখল রেখে খেলায় ন্যাশভিলে এ সময় চেষ্টা করছিল প্রতি-আক্রমণ থেকে সুযোগ তৈরির।

দুই-একবার ওপরেও ওঠে এসেছিল তারা। যদিও তা গোল আদায়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। বিপরীতে ইন্টার মায়ামিও অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে খুব একটা জায়গা পাচ্ছিল না। কড়া পাহারার কারণে হতাশ হতে হচ্ছিল তাদের। কিন্তু কড়া পাহারায় কি আর মেসিকে আটকে রাখা যায়! ন্যাশভিলেও পারেনি।

২৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে ইন্টার মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসিই। ন্যাশভিলের ডি-বক্সের কাছাকাছি জায়গায় রবার্ত টেলরের বাড়ানো বল প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় ঠিকভাবে বিপদমুক্ত করতে পারেননি। বল চলে আসে বক্সের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা মেসির কাছে। কয়েক পা এগিয়ে শরীরের ঝাঁকুনিতে দুজন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে বাঁ পায়ের জোরাল শটে গোল করেন মেসি। মেসির সেই গোল তাঁর আশপাশে থাকা ন্যাশভিলের ৫ খেলোয়াড়ের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না। এ নিয়ে ইন্টার মায়ামির হয়ে টানা ৭ ম্যাচে ১০ গোল করলেন মেসি।

বিরতির পরও ন্যাশভিলে চেষ্টা করে ম্যাচে ফেরার। অন্যদিকে ইন্টার মায়ামির চোখ ছিল ব্যবধান বাড়ানোয়। একাধিক আক্রমণ থেকে মেসিরা ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হন। ৫৭ মিনিটে সমতা ফেরায় ন্যাশভিলে। দলকে গোল এনে দেন ফাফা পিকাল্ট। কর্নার থেকে আসা বলে নিচু করে হেড নেন ফাফা। বল লাইনে দাঁড়ানো বেঞ্জামিন ক্রেমাশ্চির গায়ে লেগে ফিরে আসছিল। সেই সময় সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গোলরক্ষকের গায়ে লেগে আবার জালে জড়ায় বল।

ম্যাচে সমতা ফেরার পর দুই পক্ষই এগিয়ে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৭০ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে আরেকটি ট্রেডমার্ক শটে দলকে প্রায়ই এগিয়েই দিয়েছিলেন মেসি! কিন্তু এবার মেসির মাটি কামড়ানো শটে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় গোল পোস্ট। ৭৭ মিনিটে স্যাম সারিডগে ইন্টার মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডারকে ফাঁকি দিতে পারলে ব্যবধান বাড়াতে পারত ন্যাশভিলে।

শেষ দিকে আরও দুটি দারুণ সেভ করে ইন্টার মায়ামিকে বাঁচান ক্যালেন্ডার। যোগ করা সময়ে গোল পেতে পারত মায়ামিও। কিন্তু তারাও পারেনি বল জালে জড়াতে। এরপর নির্ধারিত সময়ে দুই দলই চেষ্টা করেছিল গোল আদায়ের। কিন্তু পায়নি কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা। ম্যাচ চলে যায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারের প্রথম শটটি নিতে আসেন মেসিই। ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষককে উল্টো দিকে পাঠিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে এরপর দুই দলই একটি করে পেনাল্টি মিস করে। ৫ শটের পর সমতা থাকে ৪-৪ এ। এরপর ম্যারাথন পেনাল্টি শুটআউটে জয় পায় মায়ামি। সূত্র: প্রথম আলো

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর জনপ্রিয়

সর্বশেষ - বিনোদন