a
দুদকের অর্থ আত্মসাতের দুই মামলায় রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ রোববার এই দিন ধার্য করেন। এদিন অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাহেদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
গত বছরের ২২ জুলাই এনআরবি ব্যাংক থেকে হাসপাতালের নামে ঋণ বাবদ দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাহেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ সংস্থার সহকারী পরিচালক সিরাজুল হক।
অন্যদিকে পদ্মা ব্যাংকের দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৭ জুলাই মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।
ছবি সংগৃহীত
রেলস্টেশনে কর্মরত অসাধু কর্মচারী, সহজ ডটকমের অসাধু কর্মকর্তা, সার্ভার রুম ও আইটি সদস্যরা অবৈধভাবে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারে বিক্রি করতো বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। চক্রটি বিভিন্ন কারসাজি করে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করে স্বাভাবিক সময়ে দেড় থেকে দ্বিগুণ দামে যাত্রীদের কাছে বিক্রি করতো। আর ঈদের ছুটিসহ বিভিন্ন ছুটিকে কেন্দ্র করে টিকিট প্রতি দাম বেড়ে যায় ৩-৪ গুণ পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কমলাপুর ও বিমানবন্দর এলাকা থেকে সারাদেশে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেটের মূলহোতা উত্তম ও সেলিমসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ২৪৪টি আসনের টিকিট, ১৪টি মোবাইল ফোন এবং টিকিট বিক্রির নগদ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ট্রেনের টিকেট কালোবাজারির মূলহোতা মো. সেলিম (৫০), তার প্রধান সহযোগী মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে কাশেম (৬২), অবনী সরকার সুমন (৩৫), মো. হারুন মিয়া (৬০), মো. মান্নান (৫০), মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে ডাবলু (৫০), মো. ফারুক (৬২), মো. শহীদুল ইসলাম বাবু (২২), মো. জুয়েল (২৩) ও মো. আব্দুর রহিম (৩২)।
তাদের তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে উত্তম সিন্ডিকেটের মূলহোতা উত্তম চন্দ্র দাস (৩০), তার প্রধান সহযোগী মো. মোর্শেদ মিয়া ওরফে জাকির (৪৫), আব্দুল আলী (২২) ও মো. জোবায়েরকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কারওয়ান বাজারের র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান। সূত্র: ইত্তেফাক
ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সাইফুল আলম, ঢাকা: এখনি সময় সংস্কার পন্থি সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগণকে একই ছাতার নিচে একত্রিত করে সংস্কার তথা পরিকল্পিত সংস্কারের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দবস্তু, সুপ্রতিষ্ঠিত করে নতুন বাংলাদেশ বির্নিমানে অগ্রণী ভূমিকা রাখা। "সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বাংলাদেশ সংস্কার পার্টির উদ্যোগে গত ২৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ, সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে, (তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হল, ২য় তলায়) আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ডঃ দিলারা চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেঃ জেনারেল আমিনুল করিম (অব) বিশিষ্ট অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল (BUP) ঢাকা। উক্ত আলোচনা আনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মেজর আমীন আহমেদ আফসারী (অব), নির্বাহী সভাপতি বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি এবং আহ্বায়ক, জাতীয় সংস্কার জোট।
উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাক্তিত্ব, রাজনিতীবিদ, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি, সামাজিক সংগঠক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সামরিক ও বেসামরিক অবসরপ্রাপ্ত/সাবেক কর্মকর্তা, রাষ্ট্রচিন্তক ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বরের বিজয়ের পর থেকে ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশর রাজনৈতিক, বৈশ্বিক সম্পর্ক, অর্থনীতি ও দেশ পরিচালনার সাফল্য ও ব্যর্থতার কথা আমারা সবাই জানি। ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবী বিজয়ের পর রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। উন্নয়ন না গণতন্ত্র! কতটুকু উন্নয়ন, কতটুকু গণতন্ত্র, উন্নয়ন আগে না গণতন্ত্র আগে? এ বিতর্ক আমরা স্বৈরতন্ত্রের কৌশল হিসেবে ৫ আগষ্টের পূর্ব পর্যন্ত শুনেছি।
৫ আগষ্টের পর শুনছি সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে? কতটুকু সংস্কার আর কবে নির্বাচন? ইত্যাদি বহুমুখী আলোচনায় আমরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও বিজয়ের নায়কদের আত্মদান ও শহীদের রক্তের অবদান কি ভুলতে বসেছি? ক্ষমতার মোহে আর আন্দোলনের কৃতিত্ব ভাগাভাগি করতে গিয়ে আমরা কি সংস্কার ও বিজয়ের ফসল সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা ভুলতে বসেছি? আমরা কি পুনরায় আমরা আবার অন্ধকেরের দিকে ধাপিত হচ্ছি। এসব বিষয় নিয়েই হবে, আজকের আলোচনা।
বাংলাদেশ সংস্কার পার্টি মনে করে - "সংস্কার বিহীন নির্বাচন, গণতন্ত্র যাবে নির্বাসন"। সংস্কার কি ও কেন? কে করবে সংস্কার? কত দিন হবে এর ব্যাপ্তি? কি হবে নেতৃত্বের গঠন এবং কর্মপন্থা সবই নির্ধারিত হবে, প্রকৃতি গণতান্ত্রিক পন্থায় আলোচনার মাধ্যমে।
আসুন দেশের কথা ভাবি। ভবিষ্যৎ পজন্মের জন্য রেখে যাই এক অভূত পূর্ব "নতুন বাংলাদেশ"। প্রস্তাবিত এই প্রকৃত সংস্কার আন্দোলনে আপনি ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সকলকে সাদর আমন্ত্রন জানাচ্ছি।