a মিস ওয়ার্ল্ডের ফাইনাল রাউন্ড স্থগিত হয়েছে ১৭ প্রতিযোগী করোনা আক্রান্তের কারণে
ঢাকা সোমবার, ২২ পৌষ ১৪৩২, ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬
https://www.msprotidin.com website logo

মিস ওয়ার্ল্ডের ফাইনাল রাউন্ড স্থগিত হয়েছে ১৭ প্রতিযোগী করোনা আক্রান্তের কারণে


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১, ০৯:৩৫
মিস ওয়ার্ল্ডের ফাইনাল রাউন্ড স্থগিত হয়েছে ১৭ প্রতিযোগী করোনা আক্রান্তের কারণে

ফাইল ছবি

প্রতিযোগী ও আয়োজকদের একটি বড় অংশ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে এবছরের মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর। জানা গেছে আয়োজনের  ১৭ প্রতিযোগীই করোনায় আক্রান্ত।

ডিসেম্বরের ১৬ তারিখে পুয়ের্তো রিকোয় মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ফাইনালের আসর বসার কথা ছিল। কিন্তু তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ৯০ দিনের জন্য।

সিএনএনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আয়োজকদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, পুয়ের্তো রিকোয় ফাইনাল হবে, কিন্তু ৯০ দিন পর। কারণ আয়োজক ও প্রতিযোগীদের একটা বড় অংশ করোনায় আক্রান্ত। তাই ফাইনাল রাউন্ড স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে যখন একাধিক করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়, তখন কথা বলা হয় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে। সেই আলোচনার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রতিযোগিতা পিছিয়ে দেওয়ার।

 

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

আরও পড়ুন

বিয়ে করতে পরিচয় লুকিয়ে বাসন মাজতেন কোটিপতির মেয়ে


বিনোদন ডেস্ক:মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১, ১১:৪২
বিয়ে করতে পরিচয় লুকিয়ে বাসন মাজতেন কোটিপতির মেয়ে

ফাইল ছবি । গোবিন্দ

প্রেমে পাগল কি আর সাধে বলে! প্রেমে পাগল হয়ে কোটিপতির একমাত্র ছেলে গোবিন্দ সব ছেড়ে প্রেমিকার বাড়ির চাকর হয়ে কাজে ঢুকেছিলেন। জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ— সব সামলেছেন একা হাতে। উদ্দেশ্য ছিল প্রেমিকা এবং তাঁর পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করা। করেও ছিলেন এবং পরে ধরাও পড়ে গিয়েছিলেন। এতক্ষণ যে গল্পটি পড়লেন, তা টেলিভিশনে অনেকেই দেখেছেন নিশ্চয়ই। গোবিন্দ, করিশ্মা কপূর অভিনীত জনপ্রিয় ছবি ‘হিরো নম্বর ওয়ান’। গোবিন্দ হয়েছিলেন রাজেশ মলহোত্রা। ধনকুবের ধনরাজ মলহোত্র (এই ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন কাদের খান)-এর একমাত্র ছেলে।

কিন্তু জানেন কি গোবিন্দর নিজের জীবনেও ঘটে গিয়েছিল হুবহু এ রকমই ঘটনা! শুধু ভূমিকাগুলি বদলে গিয়েছিল। ছবিতে করিশ্মার প্রেমে পাগল হয়েছিলেন গোবিন্দ। বাস্তবে তাঁর প্রেমে পাগল হয়েছিলেন এক মহিলা। যিনি নিজেও ছিলেন কোটিপতির মেয়ে। ছবিতে গোবিন্দ যেমন করিশ্মা এবং তাঁর পরিবারকে খুশি করতে চাকর সেজেছিলেন, তেমনই বাস্তবে তাঁর নিজের বাড়িতেও পরিচারিকার কাজ নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন ওই কোটিপতি মহিলা।

ওই মহিলার নামধাম, পরিচয় কখনও সংবাদ মাধ্যমে জানাননি গোবিন্দ বা তাঁর স্ত্রী সুনীতা। তবে এক সাক্ষাৎকারে ঘটনাটি স্বীকার করে নিয়েছিলেন। গোবিন্দ তখন বলিউডের সুপারস্টার হয়ে গিয়েছিলেন। অভিনয়, নাচ সব মিলিয়ে বিনোদনের যাবতীয় মশলা গোবিন্দর কাছে ছিল। 

গোবিন্দর অনুরাগীদের সংখ্যাও ছিল অসংখ্য। তারই একজন ছিলেন ওই মহিলা। অনুরাগীদের ভিড়ে মিশে না গিয়ে গোবিন্দর জীবনে বিশেষ একজন হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। গোবিন্দকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। ইন্ডাস্ট্রিতে সুপারস্টার হওয়ার অনেক আগেই যদিও গোবিন্দর বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। 

১৯৮৭ সালে স্ত্রী সুনীতা তাঁর জীবনে এসেছিলেন। কিন্তু তখনও গোবিন্দর বিবাহিত হওয়ার খবর ইন্ডাস্ট্রির কেউই জানতেন না। ক্যারিয়ারের স্বার্থে গোবিন্দই এই খবর লুকিয়ে রেখেছিলেন। তা নিয়ে স্ত্রীরও কোনও আপত্তি ছিল না।

গোবিন্দর বিবাহিত হওয়ার খবর ওই মহিলাও জানতেন না। তিনি গোবিন্দর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে চলে যান। নিজেকে তিনি পরিচারিকা হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন। গোবিন্দ এবং তাঁর মায়ের কাছে নিজের অসহায়তার কথা বলে পরিচারিকার কাজ পান। কোটিপতি ওই মহিলা গোবিন্দর বাড়িতে বাসন মাজার কাজ পেয়েছিলেন। গোবিন্দর প্রেমে এই কাজও মুখ বুঁজে করছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর কাজকর্ম গোবিন্দর মায়ের একেবারেই পছন্দ হচ্ছিল না। আসলে তিনি ঠিকমতো বাসন মাজতেই পারছিলেন না। এ রকমই চলছিল। কিন্তু একদিন কোটিপতি বাবার সঙ্গে মহিলার কথোপকথন গোবিন্দর স্ত্রী সুনীতার কানে পৌঁছয়। তাঁর কথা শুনে সন্দেহ হয় সুনীতার। গোবিন্দকে সব জানান তিনি।

তারপরই মহিলার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন গোবিন্দ। আসল কারণ জানতে পারেন। মহিলার বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে বাড়িও পাঠিয়ে দেন। ওই মহিলার বাবা ছিলেন বড় ব্যবসায়ী। ৪-৫ টি গাড়ির মালিক ছিলেন মহিলা। তিনি ভেবেছিলেন, পরিচারিকা হয়ে ঢুকে গোবিন্দর সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে তারপর তাঁকে নিজের প্রকৃত পরিচয় দিয়ে প্রেম প্রস্তাব দেবেন। তা আর হয়ে ওঠেনি। বরং গোবিন্দ বিবাহিত জানতে পেরে প্রেমে আঘাত পেয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও গোবিন্দর বাড়িতে বাসন মেজে এতটুকু আক্ষেপ ছিল না তাঁর। সুত্র: আনন্দবাজার

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম

তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী


সাইফুল আলম, বিশেষ প্রতিনিধি, মুক্তসংবাদ প্রতিদিন
বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫, ০৯:৩২
তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী

ছবি: মুক্তসংবাদ প্রতিদিন

 

সাইফুল আলম, ঢাকা:  তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। তুলসী গ্যাবার্ড বলেছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু কোথায় নির্যাতিত হচ্ছে, কে নির্যাতিত হচ্ছে তিনি তা বলেননি। তাকে সেটি স্পষ্ট করতে হবে। গণশক্তি সভা কর্তৃক আয়োজিত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও তুলসি গ্যাবার্ড  শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী  অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ষড়যন্ত্রের শিকার। বাংলাদেশের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এজন্য বাংলাদেশকে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, ভারত মনে করে চীনকে কব্জা করতে হলে আগে বাংলাদেশকে কব্জা করতে হবে। কারণ বাংলাদেশকে কব্জা করতে না পারলে ভারত কখনো চীনকে কব্জা করতে পারবে না।

অপরদিকে ভারতের যেই বৃহৎ উদ্দেশ্য ইন্ডিয়ান ওশান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। সেজন্য ভারত এদেশে এমন একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেই সরকার ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সহায়ক সরকার হবে, আর ইতিপূর্বে তাদের ইচ্ছানুযায়ী সবচেয়ে বেশি ভারতের স্বার্থে কাজ করছে আওয়ামী সরকার।

পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা, এদেশের উপর দিয়ে ভারতকে করিডোর দিয়েছে। এই করিডোর ভারতের আগারতলা থেকে আমাদের চট্রগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আগারতলা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত কাজ শেষও হয়ে গেছে। হাসিনা পালিয়ে না গেলে এতোদিনে চট্রগ্রাম পর্যন্ত রেল সংযোগের কাজ শেষ হতো এবং ভারত নিজেদের ভূখন্ডের মতো করে আমাদের ভূমি ব্যবহার করতো। এটি মূলত ভারতের সেভেন সিস্টার্স রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। আমাদের গামের্ন্টস ও অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির উপর ভারতের নজর রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সেক্টর ভারত দখল করে নিতে চায়। আগামীতে ভারতের সহায়ক সরকার যাতে এদেশে প্রতিষ্ঠা না হয় সেদিকে সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের সচেতন নাগরিকদের সজাগ থাকতে তিনি আহ্বান জানান।

জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন গণশক্তি সভার সভাপতি সাংবাদিক সাদেক রহমান। প্রফেসর ডক্টর দেওয়ান সাজ্জাদের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করেন সাংবাদিক, কলামিস্ট  হাবিবুর রহমান পলাশ। হাবিবুর রহমান পলাশ তার প্রবন্ধে বলেন তুলসী গ্যাবার্ড এর এই বক্তব্য অনেকটা প্রিয়া সাহার কথার পুনরাবৃত্তি। যিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ২০১৯ সালে ট্রাম্পের হাত ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে বলে অপপ্রচার করেন। এবং ট্রাম্পকে সহায়তা করার অনুরোধ জানান।

প্রিয়া সাহা আর তুলসী গ্যাবার্ড এর বক্তব্যে যে যুগসূত্র আছে তা বলা বাহুল্য। তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ বা অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়নি। এটি একটি গোটা দেশকে অন্যায়ভাবে, ভুলভাবে উপস্থাপন করে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর বিশিষ্ট আইনজীবী ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, ৫ আগস্ট আমাদের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে বলা হয়। এই স্বাধীনতা মূলত আওয়ামী লীগের হাত থেকে নয় ভারতের হাত থেকে অর্জিত হয়েছে। ভারত তাদের সহায়ক সরকার হিসেবে আওয়ামী লীগকে চিরস্থায়ী সরকার করার ষড়যন্ত্র করেছে এবং সেই ষড়যন্ত্রে এখনো লিপ্ত রয়েছে। তারা এদেশে আওয়ামী লীগের পুনবার্সনে নানামূখী চক্রান্তের সাথে জড়িত।

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হাত থেকে ভূখন্ডের স্বাধীনতা লাভ করে আর ২০২৪ সালে ভারতের হাত থেকে আধিপাত্যবাদ মুক্তের স্বাধীনতা লাভ করেছে। তবে পাকিস্তান পরাজিত হয়ে সরে গেলেও ভারত পরাজিত হয়ে সরে না গিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক এবং বাংলাদেশে ভারতীয় দোসরদের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা যে কোন মূল্যে এদেশে ভারতে সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। সেজন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ড. মোঃ হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট কলামিস্ট ক্যাপ্টেন অব. জাহাঙ্গীর আলম জাতীয় নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ নূর, গণ মুক্তিযোটের কো চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন, অধ্যাপক মেহেদী হাসান, বিশিষ্ট গবেষক আলাউদ্দিন কামরুল,বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী রুহুল আমিন  প্রমূখ।

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন / কে. আলম
Share on Facebook

মুক্তসংবাদ প্রতিদিন এর সর্বশেষ

সর্বশেষ - বিনোদন