a
সংগৃহীত ছবি
আঙ্গ এডা ডাঙ্গাবিল
আশরাফুল মান্নান
-------------------------------
আঙ্গ বাড়ি ফুলকোচা গাঁও
মধ্যে ডাঙ্গাবিল
বিলের পানি ফকফকা খুব
করতাছে ঝিলমিল।
মেল্লা রহম মাছ দেহা যায়
মেল্লা ট্যাহা দাম
হেই ট্যাহাতে আঙ্গ জাগার
অয়না কোন কাম ।
বিল নিয়া অয় জগরা-ক্যাসাল
মাথাত পরে বাশ
বিপক্ষরে শিক্ষা দিতে
মাইরা ভাসায় লাশ।
হামলা চলে মামলা চলে
আপনারাও অয় পর
অন্যবাড়িত মাছ চইল্যা যায়
সামাল দিতে ঘর।
আঙ্গ মধে নাইক্যা পেলেন
নাইক্যা মতের মিল
আঙ্গ বিলের মাছ ধইরা খায়
ভিন্ গেরামের চিল।
এমন এডা বিল যদি পাই
আঙ্গ ঠ্যাহা কী
পল্লীনগর গড়তে পারুম--
নাগব না এম.পি ।
সংগৃহীত ছবি
"লাল সবুজের বাংলাদেশে"
আকাশ তলে সাগর জলে
পানকৌড়িরা গল্প করে,
টিনের চালে গাছের ডালে
ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি পড়ে।
নূপুর পায়ে ডিঙ্গি নায়ে
বউ চলছে বাপের বাড়ি,
বরের সাথে কালকে রাতে
সে দিয়েছে ভীষণ আড়ি।
সবুজ বনে রাঙ্গা কনে
কদম ফুলের মেয়ে,
কে গো তুমি গগন চুমি
আসছো এমন ধেয়ে।
মেঘের রাজা বাদ্যি বাজা
কদম ফুলের বিয়ে,
দোয়েল পাখি মেলরে আঁখি
নাচবে এবার টিয়ে।
রাখাল ছেলে কাউকে পেলে
গল্প করে মিষ্টি হেসে,
পথের ধারে হৃদয় কাড়ে
লাল সবুজের বাংলাদেশে।
ফাইল ছবি
পার্বত্য নাগরনো-কারাবাখ প্রজাতন্ত্র বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছেন স্বঘোষিত নাগরনো-কারাবাখ প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট (অস্বীকৃত) সামভেল শাহরামনিয়ান। এ ঘোষণা আগামী জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
১৯১৭ সালে রুশ সাম্রাজ্যের পতনের পর থেকে নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। ১৯৯০ এর দশকে এক যুদ্ধের মাধ্যমে নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজান থেকে আলাদা হয়ে যায়। এরপর ২০২০ সালে আর্মেনিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় যুদ্ধের মাধ্যমে নাগরনো-কারাবাখের একটা অংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় আজারবাইজান।
সম্প্রতি সামরিক অভিযান চালিয়ে কারাবাখের বাকি অংশের উপরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় আজারবাইজান। এরপর সেখানকার আর্মেনীয় বাসিন্দারা নিরস্ত্র হওয়ার শর্ত মেনে নিয়ে চুক্তি করেছে। এরই ভিত্তিতে স্বঘোষিত প্রজাতন্ত্র বিলুপ্তির ঘোষণা দেওয়া হলো।
প্রজাতন্ত্র বিলুপ্তির ঘোষণা দেওয়ায় নাগরনো-কারাবাখের মানুষেরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে, সব ধরনের নাগরিক সুবিধা পাবে এবং অস্ত্র সমর্পণকারী সেনারাও বিনা বাধায় জীবনযাপন করতে পারবে।
স্যামুয়েল শাহরামানিয়ান জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি থেকে নাগরনো-কারাবাখ প্রজাতন্ত্রের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না এবং এই প্রজাতন্ত্রের সকল দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সূত্র : সিএনএন/বিডি প্রতিদিন।